ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যৌন নিপীড়ক এপস্টেইনের নতুন নথি প্রকাশ, আবার এল ট্রাম্প, গেটস, মাস্কদের নাম
ভ্রমণে কঠোর নীতিমালা, পর্যটন শিল্পে ধসের শঙ্কায় আমেরিকা
আইস সংস্কার ইস্যুতে সরকার শাটডাউনের হুমকি ডেমোক্র্যাটদের
মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনায় বিনিয়োগকারীদের ঝোঁক সোনার দিকে, দাম ছাড়াল ৫,৫০০ ডলার
ভিসানীতিতে পরিবর্তন, যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয়দের জন্য বড় ধাক্কা
ক্রেতা দেখলেই মরার ভান ভেড়ার, দামে রেকর্ড
পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার বাড়াতে নতুন পরিকল্পনা উত্তর কোরিয়ার
ট্রাম্পের শুল্কনীতির প্রভাবে নভেম্বরে আমেরিকার বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে ৫৬.৮ বিলিয়ন ডলার
নভেম্বরে আমেরিকার পণ্য ও সেবা খাতে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬.৮ বিলিয়ন ডলার, যা আগের মাসের তুলনায় প্রায় ৯৫ শতাংশ বেশি। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত কমার্স ডিপার্টমেন্টের তথ্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এর শুল্কনীতির কারণে আমদানি-রপ্তানির ভারসাম্যে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
নভেম্বরে আমেরিকার পণ্য ও সেবা খাতে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬.৮ বিলিয়ন ডলার, যা আগের মাসের তুলনায় প্রায় ৯৫ শতাংশ বেশি। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত কমার্স ডিপার্টমেন্টের তথ্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এর শুল্কনীতির কারণে আমদানি-রপ্তানির ভারসাম্যে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
নভেম্বরে আমেরিকার রপ্তানি ৩.৬ শতাংশকমে দাঁড়িয়েছে ২৯২.১ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে আমদানি৫ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৩৪৮.৯ বিলিয়ন ডলার।আমদানি ও রপ্তানির এইব্যবধানই মাসিক
বাণিজ্য ঘাটতি বাড়িয়ে দিয়েছে। তথ্যগুলোতেট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কনীতির ফলে সৃষ্ট তীব্রঅস্থিরতার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। আগেরকয়েক মাসে বাণিজ্য ঘাটতিকমেছিল, যা ট্রাম্পের অন্যতমনীতিগত লক্ষ্য হিসেবে দেখা হচ্ছিল। অক্টোবরেবাণিজ্য ঘাটতি নেমে আসে ২০০৯সালের জুনের পর সর্বনিম্ন স্তরে। তবে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ওই পতনের বড়একটি অংশ ছিল স্বর্ণও ওষুধের মতো কিছু নির্দিষ্ট পণ্যের বাণিজ্যে সাময়িক ওঠানামার ফল। তারা সতর্ক করে বলছেন, বাণিজ্য ঘাটতি বিভিন্ন কারণে পরিবর্তিত হতে পারে এবংগত বছর বাণিজ্য খাতে অস্থিরতা ছিল ব্যতিক্রমী। ট্রাম্পের মেয়াদের শুরুর দিকে অনেক কোম্পানি সম্ভাব্য শুল্ক এড়াতে আগে ভাগেই পণ্য আমদানি করেছিল, যার ফলে আমদানি ও বাণিজ্য ঘাটতি হঠাৎ বেড়ে যায়।পরে এপ্রিল মাসে বৈশ্বিক শুল্ক আরোপের ঘোষণা আসার পর আমদানি কিছুটা কমে।
বছরজুড়ে ওষুধও সেমিকন্ডাক্টরের মতো খাতেও শুল্কঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে আমদানিতে বড় ধরনের ওঠানামাদেখা গেছে। গত বছরের নভেম্বর পর্যন্ত হিসাব করলে, সামগ্রিক বাণিজ্য ঘাটতি আগের বছরের তুলনায়এখনও ৪.১ শতাংশ বেশি। একই সময়ে রপ্তানি বেড়েছে ৬.৩ শতাংশ, আর আমদানি বেড়েছে ৫.৮ শতাংশ। অর্থনীতিবিদদের মতে, এখন বড় প্রশ্নহলো—এই প্রবণতা কোনদিকে যাবে এবং ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি দীর্ঘমেয়াদে আমদানি কমাতে পারবে কি না। এদিকে শুল্কনীতি নিয়ে সামনে আরও পরিবর্তন আসতে পারে। সুপ্রিম কোর্ট শিগগিরই ১৯৭০-এর দশকের এক জরুরি আইনের আওতায় জারি করা বহু শুল্কের বৈধতা নিয়ে রায় দিতে যাচ্ছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, কোনো শুল্ক বাতিল হলে বিকল্প আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে তা দ্রুত পুনর্বহাল করা হবে। জানুয়ারি পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী,
আমেরিকার কার্যকর শুল্কহার বেড়ে প্রায় ১৭ শতাংশে পৌঁছেছে—যা ১৯৩৫ সালেরপর সর্বোচ্চ বলে উল্লেখ করাহয়েছে।
বাণিজ্য ঘাটতি বাড়িয়ে দিয়েছে। তথ্যগুলোতেট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কনীতির ফলে সৃষ্ট তীব্রঅস্থিরতার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। আগেরকয়েক মাসে বাণিজ্য ঘাটতিকমেছিল, যা ট্রাম্পের অন্যতমনীতিগত লক্ষ্য হিসেবে দেখা হচ্ছিল। অক্টোবরেবাণিজ্য ঘাটতি নেমে আসে ২০০৯সালের জুনের পর সর্বনিম্ন স্তরে। তবে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ওই পতনের বড়একটি অংশ ছিল স্বর্ণও ওষুধের মতো কিছু নির্দিষ্ট পণ্যের বাণিজ্যে সাময়িক ওঠানামার ফল। তারা সতর্ক করে বলছেন, বাণিজ্য ঘাটতি বিভিন্ন কারণে পরিবর্তিত হতে পারে এবংগত বছর বাণিজ্য খাতে অস্থিরতা ছিল ব্যতিক্রমী। ট্রাম্পের মেয়াদের শুরুর দিকে অনেক কোম্পানি সম্ভাব্য শুল্ক এড়াতে আগে ভাগেই পণ্য আমদানি করেছিল, যার ফলে আমদানি ও বাণিজ্য ঘাটতি হঠাৎ বেড়ে যায়।পরে এপ্রিল মাসে বৈশ্বিক শুল্ক আরোপের ঘোষণা আসার পর আমদানি কিছুটা কমে।
বছরজুড়ে ওষুধও সেমিকন্ডাক্টরের মতো খাতেও শুল্কঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে আমদানিতে বড় ধরনের ওঠানামাদেখা গেছে। গত বছরের নভেম্বর পর্যন্ত হিসাব করলে, সামগ্রিক বাণিজ্য ঘাটতি আগের বছরের তুলনায়এখনও ৪.১ শতাংশ বেশি। একই সময়ে রপ্তানি বেড়েছে ৬.৩ শতাংশ, আর আমদানি বেড়েছে ৫.৮ শতাংশ। অর্থনীতিবিদদের মতে, এখন বড় প্রশ্নহলো—এই প্রবণতা কোনদিকে যাবে এবং ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি দীর্ঘমেয়াদে আমদানি কমাতে পারবে কি না। এদিকে শুল্কনীতি নিয়ে সামনে আরও পরিবর্তন আসতে পারে। সুপ্রিম কোর্ট শিগগিরই ১৯৭০-এর দশকের এক জরুরি আইনের আওতায় জারি করা বহু শুল্কের বৈধতা নিয়ে রায় দিতে যাচ্ছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, কোনো শুল্ক বাতিল হলে বিকল্প আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে তা দ্রুত পুনর্বহাল করা হবে। জানুয়ারি পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী,
আমেরিকার কার্যকর শুল্কহার বেড়ে প্রায় ১৭ শতাংশে পৌঁছেছে—যা ১৯৩৫ সালেরপর সর্বোচ্চ বলে উল্লেখ করাহয়েছে।



