ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
প্রথম দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল মালয়েশিয়ার: একই ধরনের চুক্তি করা বাংলাদেশ কী করবে?
ইরানের যা কিছু ‘অবশিষ্ট’ তা-ও শেষ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি থেকে সরে দাঁড়াল মালয়েশিয়া
গোয়েন্দা মন্ত্রীর নিহতের খবর নিশ্চিত করলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট
হরমুজ প্রণালি পাশ কাটানোর চেষ্টায় সৌদি, আমিরাত, ইরাক
জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার ‘কঠিন প্রতিশোধ’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের
লারিজানি হত্যার প্রতিশোধে ইসরাইলে ক্লাস্টার বোমা হামলা ইরানের
ট্রাম্পের আহ্বান সত্ত্বেও হরমুজে তেলবাহী জাহাজ চলাচল কম: শুধু ইরানের পতাকাবাহী জাহাজ চলছে
বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালী এখনো যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল বনাম ইরান যুদ্ধের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান ৪ঠা মার্চ থেকে প্রণালীটিকে “বন্ধ” ঘোষণা করে এবং বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলা, ড্রোন-মিসাইল আক্রমণ, মাইন স্থাপনের হুমকি দিয়ে চলাচল কার্যত থামিয়ে দিয়েছে।
এতে বিশ্বের প্রায় ২০% তেল সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে, তেলের দাম আকাশছোঁয়া হয়েছে।
সামুদ্রিক গোয়েন্দা সংস্থা Windward এবং অন্যান্য ট্র্যাকিং ডেটা অনুসারে, গত কয়েকদিনে প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল কিছুটা বেড়েছে।
১৭ই মার্চ, সোমবার AIS (অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম) সিগন্যালের মাধ্যমে ৮টি জাহাজ (ইরানি পতাকা ব্যতীত) প্রণালী অতিক্রম করেছে, যা সাম্প্রতিক দিনগুলোর তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। কিছু
জাহাজ ইরানের আঞ্চলিক জলসীমা দিয়ে যাচ্ছে, যা ইঙ্গিত করে যে তেহরান “অনুমতি-ভিত্তিক” চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে—বিশেষ করে “বন্ধুত্বপূর্ণ” দেশগুলোর (যেমন চীন) জাহাজের জন্য। ইরানের “ঘোস্ট ফ্লিট” (ছায়া নৌবহর) এখনো সক্রিয়—ইরানি তেল চীনে পাঠানো হচ্ছে। যুদ্ধ শুরুর পর অন্তত ১১.৭ মিলিয়ন ব্যারেল ইরানি তেল প্রণালী দিয়ে চীনে গেছে। অন্যদিকে, সাধারণ বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল এখনো খুব কম—মার্চ ১ থেকে শুধু ৯০টি ট্যাঙ্কার অতিক্রম করেছে (Lloyd’s List Intelligence)। ইরান হরমুজ প্রণালীকে পুরোপুরি বন্ধ করেনি, বরং যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের মিত্রদের জাহাজের জন্য অবরুদ্ধ রেখেছে। ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, অন্যান্য দেশের জাহাজ (বিশেষ করে চীন, ভারত ইত্যাদি) চলাচল করতে পারে—কিন্তু “অনুমতি” নিয়ে। ইরান কম করে ১০টিরও কম নৌ-মাইন স্থাপন
করেছে, কিন্তু ব্যাপক মাইনিং এড়িয়ে চলছে কারণ এতে চীনের সাথে সম্পর্ক নষ্ট হবে এবং ইরাকের অর্থনীতি (যা ইরানের জন্য স্যাঙ্কশন এড়ানোর পথ) ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ইরান বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন, মিসাইল ও USV (আনম্যানড সারফেস ভেসেল) দিয়ে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে—১১ই মার্চে থাই পতাকাযুক্ত জাহাজে আগুন লেগে যায়, ক্রু সদস্যরা জাহাজ ছেড়ে যায়। যুদ্ধ শুরুর পর প্রণালী ও পারস্য উপসাগরে অন্তত ১৮টি জাহাজে হামলা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের নৌশক্তি “পুরোপুরি ধ্বংস” হয়ে গেছে এবং তেল ট্যাঙ্কারগুলোকে “সাহস দেখাতে” হবে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ১৬টি মাইন-স্থাপনকারী জাহাজ ধ্বংস করেছে এবং বাঙ্কার-বাস্টার বোমা ব্যবহার করে ইরানের মিসাইল সাইটগুলোতে হামলা চালিয়েছে।। ট্রাম্প মিত্র দেশগুলোকে (জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, NATO) প্রণালীতে
যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে বলেছেন যাতে বাণিজ্যিক জাহাজ এসকর্ট করা যায়। কিন্তু অনেক মিত্র এতে সম্মত হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র নিজে এসকর্ট মিশনের পরিকল্পনা করছে, কিন্তু এতে ঝুঁকি বেশি—ইরানের ড্রোন-মিসাইল হামলায় ক্ষতি হতে পারে। হোয়াইট হাউজের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা বলেছেন, কিছু ট্যাঙ্কার চলাচল শুরু হয়েছে—এটি ইরানের “দুর্বলতার” লক্ষণ।প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজে জাহাজ চলাচলকে “প্রতিদ্বন্দ্বিতা” করতে দেবে না। হরমুজ প্রণালী বন্ধের কারণে তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে, বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ বেড়েছে। কিছু জাহাজ অপেক্ষায় রয়েছে, অনেক ক্রু আটকে আছে। যদি যুক্তরাষ্ট্র এসকর্ট শুরু করে, তাহলে প্রণালীতে সরাসরি সংঘাত বাড়তে পারে। বর্তমানে চলাচল “অনুমতি-ভিত্তিক” এবং সীমিত—পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। এই পরিস্থিতি বিশ্বব্যাপী জ্বালানি নিরাপত্তা ও ভূ-রাজনীতির জন্য
গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করেছে। পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল—যেকোনো নতুন হামলা বা এসকর্ট মিশন যুদ্ধকে আরও বিস্তৃত করতে পারে।
জাহাজ ইরানের আঞ্চলিক জলসীমা দিয়ে যাচ্ছে, যা ইঙ্গিত করে যে তেহরান “অনুমতি-ভিত্তিক” চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে—বিশেষ করে “বন্ধুত্বপূর্ণ” দেশগুলোর (যেমন চীন) জাহাজের জন্য। ইরানের “ঘোস্ট ফ্লিট” (ছায়া নৌবহর) এখনো সক্রিয়—ইরানি তেল চীনে পাঠানো হচ্ছে। যুদ্ধ শুরুর পর অন্তত ১১.৭ মিলিয়ন ব্যারেল ইরানি তেল প্রণালী দিয়ে চীনে গেছে। অন্যদিকে, সাধারণ বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল এখনো খুব কম—মার্চ ১ থেকে শুধু ৯০টি ট্যাঙ্কার অতিক্রম করেছে (Lloyd’s List Intelligence)। ইরান হরমুজ প্রণালীকে পুরোপুরি বন্ধ করেনি, বরং যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের মিত্রদের জাহাজের জন্য অবরুদ্ধ রেখেছে। ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, অন্যান্য দেশের জাহাজ (বিশেষ করে চীন, ভারত ইত্যাদি) চলাচল করতে পারে—কিন্তু “অনুমতি” নিয়ে। ইরান কম করে ১০টিরও কম নৌ-মাইন স্থাপন
করেছে, কিন্তু ব্যাপক মাইনিং এড়িয়ে চলছে কারণ এতে চীনের সাথে সম্পর্ক নষ্ট হবে এবং ইরাকের অর্থনীতি (যা ইরানের জন্য স্যাঙ্কশন এড়ানোর পথ) ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ইরান বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন, মিসাইল ও USV (আনম্যানড সারফেস ভেসেল) দিয়ে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে—১১ই মার্চে থাই পতাকাযুক্ত জাহাজে আগুন লেগে যায়, ক্রু সদস্যরা জাহাজ ছেড়ে যায়। যুদ্ধ শুরুর পর প্রণালী ও পারস্য উপসাগরে অন্তত ১৮টি জাহাজে হামলা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের নৌশক্তি “পুরোপুরি ধ্বংস” হয়ে গেছে এবং তেল ট্যাঙ্কারগুলোকে “সাহস দেখাতে” হবে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ১৬টি মাইন-স্থাপনকারী জাহাজ ধ্বংস করেছে এবং বাঙ্কার-বাস্টার বোমা ব্যবহার করে ইরানের মিসাইল সাইটগুলোতে হামলা চালিয়েছে।। ট্রাম্প মিত্র দেশগুলোকে (জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, NATO) প্রণালীতে
যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে বলেছেন যাতে বাণিজ্যিক জাহাজ এসকর্ট করা যায়। কিন্তু অনেক মিত্র এতে সম্মত হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র নিজে এসকর্ট মিশনের পরিকল্পনা করছে, কিন্তু এতে ঝুঁকি বেশি—ইরানের ড্রোন-মিসাইল হামলায় ক্ষতি হতে পারে। হোয়াইট হাউজের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা বলেছেন, কিছু ট্যাঙ্কার চলাচল শুরু হয়েছে—এটি ইরানের “দুর্বলতার” লক্ষণ।প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজে জাহাজ চলাচলকে “প্রতিদ্বন্দ্বিতা” করতে দেবে না। হরমুজ প্রণালী বন্ধের কারণে তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে, বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ বেড়েছে। কিছু জাহাজ অপেক্ষায় রয়েছে, অনেক ক্রু আটকে আছে। যদি যুক্তরাষ্ট্র এসকর্ট শুরু করে, তাহলে প্রণালীতে সরাসরি সংঘাত বাড়তে পারে। বর্তমানে চলাচল “অনুমতি-ভিত্তিক” এবং সীমিত—পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। এই পরিস্থিতি বিশ্বব্যাপী জ্বালানি নিরাপত্তা ও ভূ-রাজনীতির জন্য
গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করেছে। পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল—যেকোনো নতুন হামলা বা এসকর্ট মিশন যুদ্ধকে আরও বিস্তৃত করতে পারে।



