ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সীমান্ত নিয়ে নতুন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা
বিদেশিদের অপরাধের জাল
পুলিশের বিতর্কিত কর্মকর্তারা ফিরছেন গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে
‘বিদেশের বন্ধু নিয়ে শোকাতুর ইউনূস নিজের দেশের শিশুদের গণমৃত্যুতে নির্বিকার’
হিমাগারে সংরক্ষন ব্যায়বহুল বিধায় আলু ফেলে দিচ্ছেন চাষিরা, সামনে কৃষি সংকটের আশঙ্কা
ইউনূস-নুরজাহানের সৃষ্ট হামের টিকা সংকট ও শিশুমৃত্যুঃ সাবেক মুখপাত্র শফিকুল ইউনিসেফ-আওয়ামী লীগের ঘাড়ে চাপালেন দুর্নীতির দায়
বাংলাদেশে ধর্ষণ মহামারি: মাদ্রাসা থেকে রাজপথ — নিরাপদ নয় কোনো শিশু, কোনো নারী
টোল ও ত্রাণের টাকার হিসাব চাইলেন তারেক রহমান, উপদেষ্টাদের বিদেশ যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন
বিভিন্ন সেতু থেকে টোল বাবদ বিপুল অর্থ আয় হওয়ার পরও ঋণের কিস্তি কেন পরিশোধ করা হচ্ছে না এবং বন্যার্তদের জন্য আসা বিদেশি অনুদান কেন ছাড় করা হয়নি—এসব বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আম জনতা দলের সদস্য সচিব তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট ত্যাগ করে সাধারণ পাসপোর্ট গ্রহণের সমালোচনা করে দাবি জানিয়েছেন, অন্তত এক বছর যেন তাঁরা দেশ ত্যাগ করতে না পারেন।
আজ এক ভিডিও বার্তায় তারেক রহমান এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যমে কোনো খবর পাচ্ছি না সরকার ঋণের কিস্তি দিয়েছে কি না। যদি না দিয়ে থাকে, তবে কেন দেয়নি? এখান থেকে তো হাজার হাজার কোটি টাকা টোল
উঠছে। বলা হচ্ছে তিন হাজার কোটি টাকা উঠেছে। তাহলে টাকাটা কোথায়? কেন ঋণগ্রস্ত অবস্থায় রাখা হলো?’ বন্যার সময় আসা বিদেশি অনুদান ও ত্রাণ তহবিলের অর্থ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই রাজনীতিক। তিনি বলেন, ‘বন্যার সময় ১০০ কোটি টাকা বিদেশি অনুদান এসেছিল। এই টাকা বন্যা কবলিত মানুষ পেল না কেন? তাদের মনে ক্ষোভ। এই টাকা রেখে দিয়ে কী করতে চায়? সমন্বয়করা বা বেতনের টাকা কেটে যা নেওয়া হয়েছিল, সেগুলো কোথায়?’ ভিডিও বার্তায় বর্তমান সরকারের উপদেষ্টাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট ত্যাগ করে সাধারণ পাসপোর্ট গ্রহণ এবং ভিসার আবেদনের বিষয়টি ‘ভালো লক্ষণ নয়’ বলে মন্তব্য করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘উপদেষ্টারা কূটনৈতিক পাসপোর্ট ত্যাগ করে সাধারণ পাসপোর্ট
নিচ্ছেন, বিদেশে ভিসার আবেদন করছেন। এগুলো আসলে ভালো লক্ষণ না। সময় শেষ হলে তারা এটা করতে পারতেন। কিন্তু এখনই তড়িঘড়ি করে আগে থেকে প্রস্তুতি নেওয়া সন্দেহের জন্ম দেয়।’ উপদেষ্টারা যাতে দেশ ছাড়তে না পারেন, সেই ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অন্তত একটা বছর এই উপদেষ্টারা যেন দেশ ছাড়তে না পারেন, সেই ব্যবস্থা করা উচিত। গণ-অভ্যুত্থানের পরে সুন্দর দেশের পরিবর্তে কী দেশ দিলেন, সেই হিসাব তো নিতে হবে। তারা যেন কেউ যেতে না পারেন, এটা সবাই মিলে দেখতে হবে।’
উঠছে। বলা হচ্ছে তিন হাজার কোটি টাকা উঠেছে। তাহলে টাকাটা কোথায়? কেন ঋণগ্রস্ত অবস্থায় রাখা হলো?’ বন্যার সময় আসা বিদেশি অনুদান ও ত্রাণ তহবিলের অর্থ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই রাজনীতিক। তিনি বলেন, ‘বন্যার সময় ১০০ কোটি টাকা বিদেশি অনুদান এসেছিল। এই টাকা বন্যা কবলিত মানুষ পেল না কেন? তাদের মনে ক্ষোভ। এই টাকা রেখে দিয়ে কী করতে চায়? সমন্বয়করা বা বেতনের টাকা কেটে যা নেওয়া হয়েছিল, সেগুলো কোথায়?’ ভিডিও বার্তায় বর্তমান সরকারের উপদেষ্টাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট ত্যাগ করে সাধারণ পাসপোর্ট গ্রহণ এবং ভিসার আবেদনের বিষয়টি ‘ভালো লক্ষণ নয়’ বলে মন্তব্য করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘উপদেষ্টারা কূটনৈতিক পাসপোর্ট ত্যাগ করে সাধারণ পাসপোর্ট
নিচ্ছেন, বিদেশে ভিসার আবেদন করছেন। এগুলো আসলে ভালো লক্ষণ না। সময় শেষ হলে তারা এটা করতে পারতেন। কিন্তু এখনই তড়িঘড়ি করে আগে থেকে প্রস্তুতি নেওয়া সন্দেহের জন্ম দেয়।’ উপদেষ্টারা যাতে দেশ ছাড়তে না পারেন, সেই ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অন্তত একটা বছর এই উপদেষ্টারা যেন দেশ ছাড়তে না পারেন, সেই ব্যবস্থা করা উচিত। গণ-অভ্যুত্থানের পরে সুন্দর দেশের পরিবর্তে কী দেশ দিলেন, সেই হিসাব তো নিতে হবে। তারা যেন কেউ যেতে না পারেন, এটা সবাই মিলে দেখতে হবে।’



