ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাম ও উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু
পৃথিবীর কোনো দেশ আমাদের মতো দ্রুত টিকা যোগাড় করতে পারেনি, দাবি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
হাম উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
“হাম হলে আয়ু বাড়ে”—স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বেপরোয়া মন্তব্যে ক্ষোভ, নেপথ্যে ইউনূস-নুরজাহানের টিকা ব্যর্থতা ধামাচাপার চেষ্টা?
হাম ও উপসর্গে আরও ১১ শিশুর প্রাণ গেল, মোট মৃত্যু ৪০৯
আরও ১২টি পরিবার হারালো তাদের শিশু সন্তান
মৃত্যু মিছিলে চট্টগ্রাম: হাম ও নিউমোনিয়ায় বিপর্যস্ত চমেক হাসপাতাল, ৪ মাসে মৃত্যু ২৮৫ শিশুর
জ্বর হলেই ডেঙ্গু পরীক্ষা করান: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
জ্বর হলেই নিকটস্থ হাসপাতালে গিয়ে ডেঙ্গুর পরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। পরীক্ষায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ শনাক্ত হলে অনতিবিলম্বে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার অনুরোধও করা হয়েছে।
রোববার (৫ অক্টোবর) ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য অধিপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক মঈনুল আহসান গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে এ অনুরোধ করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ এক দিনে ডেঙ্গু রোগে ৯ জনের মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক। পর্যালোচনায় দেখা যায়, ৯ জনের মধ্যে ৭ জন হাসপাতালে ভর্তির দিনই মারা গেছেন। মূলত হাসপাতালে আসতে দেরি হওয়ায় ডেঙ্গু রোগ জটিল আকার ধারণ করেছিল। এ কারণে তাদের চিকিৎসা দেওয়ার যথেষ্ট সুযোগ ছিল না। বাকি ২ জনের ১ জনও ভর্তির পরদিনই
মারা যান। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, দেরিতে হাসপাতালে বা চিকিৎসকের কাছে উপস্থিত হওয়ায় জটিল রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া দুরূহ হয়ে পড়ছে। এমন অবস্থায সব জ্বরের রোগীকে জ্বর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিকটস্থ হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষা করানোর অনুরোধ করা হচ্ছে। ডেঙ্গু চিকিৎসার বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অত্যন্ত সতর্ক ও তৎপর উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সব হাসপাতালে পর্যাপ্ত ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট, স্যালাইন ও ওষুধ মজুত আছে। তবে মৃত্যু কমানোর জন্য একই সঙ্গে দ্রুত ডেঙ্গু শনাক্তকরণ, গাইডলাইন অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া এবং মশা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা কার্যকর হওয়া প্রয়োজন। ডেঙ্গুতে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল শনিবার সকাল আটটা থেকে আজ রোববার সকাল আটটা পর্যন্ত) নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। আর এ সময় এক
দিনে চলতি বছরের সর্বোচ্চ সংখ্যায় রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত এ রোগে আক্রান্ত হয়ে নয়জনের মৃত্যু হয়েছিল। এটি ছিল এ বছরের সর্বোচ্চ মৃত্যু। আজ আবার নয়জন মারা গেলেন।
মারা যান। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, দেরিতে হাসপাতালে বা চিকিৎসকের কাছে উপস্থিত হওয়ায় জটিল রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া দুরূহ হয়ে পড়ছে। এমন অবস্থায সব জ্বরের রোগীকে জ্বর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিকটস্থ হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষা করানোর অনুরোধ করা হচ্ছে। ডেঙ্গু চিকিৎসার বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অত্যন্ত সতর্ক ও তৎপর উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সব হাসপাতালে পর্যাপ্ত ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট, স্যালাইন ও ওষুধ মজুত আছে। তবে মৃত্যু কমানোর জন্য একই সঙ্গে দ্রুত ডেঙ্গু শনাক্তকরণ, গাইডলাইন অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া এবং মশা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা কার্যকর হওয়া প্রয়োজন। ডেঙ্গুতে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল শনিবার সকাল আটটা থেকে আজ রোববার সকাল আটটা পর্যন্ত) নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। আর এ সময় এক
দিনে চলতি বছরের সর্বোচ্চ সংখ্যায় রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত এ রোগে আক্রান্ত হয়ে নয়জনের মৃত্যু হয়েছিল। এটি ছিল এ বছরের সর্বোচ্চ মৃত্যু। আজ আবার নয়জন মারা গেলেন।



