ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আমিরাতে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে বাংলাদেশির মৃত্যু
চার বছরে জ্বালানির সর্বোচ্চ দাম আ্যমেরিকায়,জেনে নিন কত
৪ নভোচারী নিয়ে চাঁদের পথে নাসা, চলছে শেষ প্রস্তুতি
ন্যাটোকে ‘কাগজের বাঘ’ সম্বোধন ট্রাম্পের, অ্যামেরিকার সরে আসার ইঙ্গিত
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় জাতিসংঘের ৩ শান্তিরক্ষী নিহত
তীব্র জ্বালানি সংকটে কিউবায় রুশ তেলবাহী ট্যাংকারের আগমন
ডোনাল্ড ট্রাম্প: চুক্তি হোক বা না হোক, খুব শিগগিরই ইরান ছেড়ে চলে যাবে যুক্তরাষ্ট্র
জাতিসংঘ: ফিলিস্তিনিদের জন্য করা ইসরায়েলের নতুন আইন বৈষম্যমূলক, যুদ্ধাপরাধের শামিল
ইসরায়েলের সংসদে পাস হওয়া নতুন মৃত্যুদণ্ড আইনকে কঠোরভাবে সমালোচনা করেছে জাতিসংঘ, এটিকে “নিষ্ঠুর ও বৈষম্যমূলক” আখ্যা দিয়ে সতর্ক করেছে যে এই আইন প্রয়োগ করা হলে তা আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন এমনকি যুদ্ধাপরাধ হিসেবেও গণ্য হতে পারে।
নতুন এই আইনের আওতায় অধিকৃত পশ্চিম তীরে সামরিক আদালতে সন্ত্রাসবাদ হিসেবে চিহ্নিত প্রাণঘাতী হামলার দায়ে দোষী সাব্যস্ত ফিলিস্তিনিদের জন্য মৃত্যুদণ্ডকে ডিফল্ট শাস্তি হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর ফলে একই অপরাধে ইসরায়েলি নাগরিক ও ফিলিস্তিনিদের জন্য আলাদা বিচারব্যবস্থা কার্যকর হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান ভলকার টুর্ক বলেন, এই আইন ইসরায়েলের আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতার সঙ্গে স্পষ্টভাবে অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং এটি দ্রুত বাতিল করার আহ্বান জানান।
তিনি সতর্ক করে বলেন,
দখলকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চলে এই আইন প্রয়োগ করা হলে তা যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তার মতে, মৃত্যুদণ্ড মানব মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, আর বৈষম্যমূলকভাবে এর প্রয়োগ আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন। জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টেফান দুজারিকও এই আইনের বিরোধিতা করে বলেন, বিশ্ব সংস্থা সব ধরনের মৃত্যুদণ্ডের বিরোধী এবং এই বিশেষ আইনটি বৈষম্যমূলক হওয়ায় আরও উদ্বেগজনক। তিনি ইসরায়েল সরকারকে আইনটি বাতিল ও বাস্তবায়ন না করার আহ্বান জানান। বর্তমান ব্যবস্থায় অধিকৃত অঞ্চলের ফিলিস্তিনিদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে সামরিক আদালতে বিচার করা হয়, যেখানে শাস্তির মাত্রা তুলনামূলকভাবে কঠোর। অন্যদিকে ইসরায়েলের বেসামরিক আদালতে একই ধরনের অপরাধে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড—দুটি বিকল্পই রাখা হয়েছে। জাতিসংঘ আরও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আরেকটি প্রস্তাবিত আইনের বিষয়ে, যেখানে
হামাসের অক্টোবর মাসের হামলার পর সংঘটিত অপরাধগুলোর বিচার করতে বিশেষ সামরিক আদালত গঠনের কথা বলা হয়েছে। এই আদালতের আওতায় ইসরায়েলি বাহিনীর কর্মকাণ্ড অন্তর্ভুক্ত করা হবে না, যা একপাক্ষিক বিচারব্যবস্থার আশঙ্কা তৈরি করছে। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজও এই আইনকে “বর্ণবৈষম্যের দিকে এক ধাপ” হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, একই অপরাধে ভিন্ন শাস্তি দেওয়ার এই ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এ বিষয়ে নীরব না থাকার আহ্বান জানান। বিশ্লেষকদের মতে, এই আইন কার্যকর হলে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন ইস্যুতে আন্তর্জাতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে এবং মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হবে।
দখলকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চলে এই আইন প্রয়োগ করা হলে তা যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তার মতে, মৃত্যুদণ্ড মানব মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, আর বৈষম্যমূলকভাবে এর প্রয়োগ আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন। জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টেফান দুজারিকও এই আইনের বিরোধিতা করে বলেন, বিশ্ব সংস্থা সব ধরনের মৃত্যুদণ্ডের বিরোধী এবং এই বিশেষ আইনটি বৈষম্যমূলক হওয়ায় আরও উদ্বেগজনক। তিনি ইসরায়েল সরকারকে আইনটি বাতিল ও বাস্তবায়ন না করার আহ্বান জানান। বর্তমান ব্যবস্থায় অধিকৃত অঞ্চলের ফিলিস্তিনিদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে সামরিক আদালতে বিচার করা হয়, যেখানে শাস্তির মাত্রা তুলনামূলকভাবে কঠোর। অন্যদিকে ইসরায়েলের বেসামরিক আদালতে একই ধরনের অপরাধে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড—দুটি বিকল্পই রাখা হয়েছে। জাতিসংঘ আরও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আরেকটি প্রস্তাবিত আইনের বিষয়ে, যেখানে
হামাসের অক্টোবর মাসের হামলার পর সংঘটিত অপরাধগুলোর বিচার করতে বিশেষ সামরিক আদালত গঠনের কথা বলা হয়েছে। এই আদালতের আওতায় ইসরায়েলি বাহিনীর কর্মকাণ্ড অন্তর্ভুক্ত করা হবে না, যা একপাক্ষিক বিচারব্যবস্থার আশঙ্কা তৈরি করছে। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজও এই আইনকে “বর্ণবৈষম্যের দিকে এক ধাপ” হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, একই অপরাধে ভিন্ন শাস্তি দেওয়ার এই ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এ বিষয়ে নীরব না থাকার আহ্বান জানান। বিশ্লেষকদের মতে, এই আইন কার্যকর হলে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন ইস্যুতে আন্তর্জাতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে এবং মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হবে।



