ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার?
কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার!
অপারেশন ক্লিনহার্ট ২.০: মব সন্ত্রাস থামবে, নাকি কেবল স্লোগানেই সীমাবদ্ধ থাকবে?
স্বাধীনতার মাসে যুদ্ধাপরাধীদের নামে শোক প্রস্তাব, সংসদ কলুষিত করল বিএনপি-জামায়াত
“রাজনীতি ভদ্রলোকদের খেলা, স্কাউন্ড্রেলদের নয়” – মাহবুব কামাল
‘পিঠের চামড়া থাকবে না’: ফাঁস হওয়া ফোনালাপে টাঙ্গাইলের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারকে বিএনপি নেতার চরম হুমকি
স্বাধীনতার বজ্রঘোষণায় পাকিস্তানিদের গণহত্যা ভেদ করেই জেগে ওঠে বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ
ছেলের মুক্তির আগেই বাবার বিদায়: জানাজায় অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তির আকুতি
কারাগারে বন্দী ছেলের মুক্তির অপেক্ষায় প্রহর গুনছিলেন বাবা। আশা ছিল, জামিনে মুক্তি পেয়ে ছেলে ফিরবে, শেষ বয়সে ছেলের কাঁধে হাত রাখবেন। কিন্তু সেই আশা আর পূরণ হলো না। ছেলের দুশ্চিন্তা আর বুকভাঙা কষ্ট নিয়ে পৃথিবী থেকেই বিদায় নিলেন বাবা।
রাজনৈতিক মামলায় গত প্রায় ছয় মাস ধরে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে বন্দী একমাত্র পুত্র মো. আবু সামা (সামি)। তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ছেলের মুক্তির অপেক্ষায় দুশ্চিন্তায় দিন দিন অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তাঁর বাবা। অবশেষে আজ বুধবার সকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বাবার কফিন এখন সন্তানের অপেক্ষায়, যদি শেষবারের মতো বাবার মুখটা দেখার সুযোগ পান
সামি। পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মো. আবু সামা ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। পটপরিবর্তনের পর গত ২০২৫ সালের ২৩ আগস্ট একটি রাজনৈতিক মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কাশিমপুর কারাগারে বন্দী। পরিবারের দাবি, সামি ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও কোনো ধরনের সহিংসতা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। তাঁকে রাজনৈতিক কারণে হয়রানিমূলক মামলায় জড়ানো হয়েছে। একমাত্র ছেলেকে কারাগারে দেখার মানসিক যন্ত্রণা সইতে না পেরে তাঁর বাবা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। সামির আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি জানিয়েছেন, উচ্চ আদালত থেকে তিনি জামিন পেয়েছেন। কিন্তু আইনি প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা ও কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের কারণে এখনো
তাঁর মুক্তি মেলেনি। এর মধ্যেই ঘটল এই মর্মান্তিক ঘটনা। সামির স্বজনেরা জানান, বাবার খুব ইচ্ছা ছিল ছেলেকে একবার দেখার। কিন্তু সেই ইচ্ছা অপূর্ণ রেখেই তিনি চলে গেলেন। এখন পরিবারের একটাই আরজি—অন্তত বাবার জানাজায় যেন ছেলে অংশ নিতে পারেন। পরিবারের এক সদস্য আক্ষেপ করে বলেন, ‘ছেলে ছাত্রলীগ করত, এটাই কি তার অপরাধ? সে তো কোনো অপরাধী নয়। আইনি জটিলতায় মুক্তি আটকে আছে। কিন্তু এই মুহূর্তে মানবিক দিক বিবেচনা করা উচিত। আমরা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাই, দ্রুত মুক্তি বা প্যারোলে অনুমতি দিয়ে অন্তত বাবার জানাজায় সন্তানের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হোক।’ কাশিমপুর কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সাধারণত
এ ধরনের মানবিক পরিস্থিতিতে প্যারোলে মুক্তির বিধান রয়েছে। জেলা প্রশাসকের অনুমতিক্রমে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্দীকে পুলিশি পাহারায় জানাজায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। বাবার মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের এখন একটাই অপেক্ষা—প্রশাসনিক অনুমতি মিলবে তো? সামি কি পারবেন বাবার কবরে শেষ মাটিটুকু দিতে?
সামি। পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মো. আবু সামা ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। পটপরিবর্তনের পর গত ২০২৫ সালের ২৩ আগস্ট একটি রাজনৈতিক মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কাশিমপুর কারাগারে বন্দী। পরিবারের দাবি, সামি ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও কোনো ধরনের সহিংসতা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। তাঁকে রাজনৈতিক কারণে হয়রানিমূলক মামলায় জড়ানো হয়েছে। একমাত্র ছেলেকে কারাগারে দেখার মানসিক যন্ত্রণা সইতে না পেরে তাঁর বাবা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। সামির আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি জানিয়েছেন, উচ্চ আদালত থেকে তিনি জামিন পেয়েছেন। কিন্তু আইনি প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা ও কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের কারণে এখনো
তাঁর মুক্তি মেলেনি। এর মধ্যেই ঘটল এই মর্মান্তিক ঘটনা। সামির স্বজনেরা জানান, বাবার খুব ইচ্ছা ছিল ছেলেকে একবার দেখার। কিন্তু সেই ইচ্ছা অপূর্ণ রেখেই তিনি চলে গেলেন। এখন পরিবারের একটাই আরজি—অন্তত বাবার জানাজায় যেন ছেলে অংশ নিতে পারেন। পরিবারের এক সদস্য আক্ষেপ করে বলেন, ‘ছেলে ছাত্রলীগ করত, এটাই কি তার অপরাধ? সে তো কোনো অপরাধী নয়। আইনি জটিলতায় মুক্তি আটকে আছে। কিন্তু এই মুহূর্তে মানবিক দিক বিবেচনা করা উচিত। আমরা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাই, দ্রুত মুক্তি বা প্যারোলে অনুমতি দিয়ে অন্তত বাবার জানাজায় সন্তানের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হোক।’ কাশিমপুর কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সাধারণত
এ ধরনের মানবিক পরিস্থিতিতে প্যারোলে মুক্তির বিধান রয়েছে। জেলা প্রশাসকের অনুমতিক্রমে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্দীকে পুলিশি পাহারায় জানাজায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। বাবার মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের এখন একটাই অপেক্ষা—প্রশাসনিক অনুমতি মিলবে তো? সামি কি পারবেন বাবার কবরে শেষ মাটিটুকু দিতে?



