ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশজুড়ে চলছে ‘জামায়াতি মুক্তকরণ’: তারেক সরকারের পদক্ষেপে ইউনূসতন্ত্রের জামায়াতিকরণের অবসান?
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অভিযোগ, শাস্তি চেয়ে বিক্ষোভ
বিএনপি ক্ষমতা নিলেই দেশে শুরু হয় ধর্ষণের মহোৎসব
মব, মিথ্যা মামলা আর কারাগারে মৃত্যু; এটাই কি বিএনপির “নতুন রাজনীতি”?
ভূমি দস্যুদের হাতেই প্রশাসন! দখলদারকে প্রশাসক বানিয়ে বিএনপি দেখাল তাদের আসল চেহারা
বিএনপির বাংলাদেশ: রাতে গুলি, সকালে তদন্ত, বিকেলে ভুলে যাওয়া
একমাসের ব্যবধানে মাদকসহ আটকের পর এবার চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদলের আহ্বায়ক
ছাত্রলীগ কর্মীর বাড়িতে গিয়ে হুমকি: জনতার রোষে পড়া শিবির নেতাকে পুলিশের উদ্ধার
পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের কামারপাড়া এলাকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাগ্বিতণ্ডার জেরে ছাত্রলীগ কর্মী আব্দুর রউফের বাড়ির সামনে গিয়ে অবস্থান নেওয়ার পর স্থানীয় লোকজনের তোপের মুখে পড়েন জেলা ছাত্রশিবির নেতা ফজলে রাব্বী।
পরে পুলিশ তাঁকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। উভয় পক্ষই মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।
ফজলে রাব্বী পঞ্চগড় জেলা ছাত্রশিবিরের ছাত্র অধিকার সম্পাদক এবং পূর্বে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা সমন্বয়ক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফেসবুকে পোস্ট ও মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ফজলে রাব্বী ও আব্দুর রউফের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
স্থানীয়দের দাবি, মেসেঞ্জারে হুমকির বার্তা
পাওয়ার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে ফজলে রাব্বী কামারপাড়ায় আব্দুর রউফের বাড়ির সামনে গিয়ে লাইভে বক্তব্য দেন। তিনি সেখানে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করেন এবং হুমকির অভিযোগ তোলেন। এ সময় এলাকায় লোকজন জড়ো হতে থাকেন। তিনি সেখানে গিয়ে উত্তেজনাকর বক্তব্য দিয়েছেন। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে স্থানীয় কয়েকজন তাঁকে পাশের একটি বাড়িতে সরিয়ে নেন। পরে খবর পেয়ে পঞ্চগড় সদর থানা–পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।সর্বশেষ সংবাদ ফজলে রাব্বী দাবি করেন, তাঁকে মেসেঞ্জারে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি প্রতিবাদ জানাতে গেলে স্থানীয় লোকজন ও বিএনপির নেতাকর্মীরা জড়ো হন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় তিনি মামলা করার
প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অন্যদিকে আব্দুর রউফ বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরস্পরকে হেয় করে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। তাঁর ভাষ্য, ফজলে রাব্বী বাড়ির সামনে এসে উত্তেজনাকর বক্তব্য দেন। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানান। আশরাফুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), পঞ্চগড় সদর থানা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ফজলে রাব্বীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে তাঁকে জেলা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–র স্থানীয় আমিরের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এক পক্ষ থেকে এজাহার দাখিলের উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো মামলা রেকর্ড হয়নি। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পাওয়ার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে ফজলে রাব্বী কামারপাড়ায় আব্দুর রউফের বাড়ির সামনে গিয়ে লাইভে বক্তব্য দেন। তিনি সেখানে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করেন এবং হুমকির অভিযোগ তোলেন। এ সময় এলাকায় লোকজন জড়ো হতে থাকেন। তিনি সেখানে গিয়ে উত্তেজনাকর বক্তব্য দিয়েছেন। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে স্থানীয় কয়েকজন তাঁকে পাশের একটি বাড়িতে সরিয়ে নেন। পরে খবর পেয়ে পঞ্চগড় সদর থানা–পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।সর্বশেষ সংবাদ ফজলে রাব্বী দাবি করেন, তাঁকে মেসেঞ্জারে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি প্রতিবাদ জানাতে গেলে স্থানীয় লোকজন ও বিএনপির নেতাকর্মীরা জড়ো হন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় তিনি মামলা করার
প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অন্যদিকে আব্দুর রউফ বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরস্পরকে হেয় করে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। তাঁর ভাষ্য, ফজলে রাব্বী বাড়ির সামনে এসে উত্তেজনাকর বক্তব্য দেন। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানান। আশরাফুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), পঞ্চগড় সদর থানা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ফজলে রাব্বীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে তাঁকে জেলা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–র স্থানীয় আমিরের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এক পক্ষ থেকে এজাহার দাখিলের উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো মামলা রেকর্ড হয়নি। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।



