ছাত্রদল সভাপতির বক্তব্যের পর যে নির্দেশনা দিল ছাত্রশিবির – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

ছাত্রদল সভাপতির বক্তব্যের পর যে নির্দেশনা দিল ছাত্রশিবির

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ |
ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হাতে বিভিন্ন সময় নির্যাতন শিকার ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফের স্বাভাবিকভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করার চেষ্টা করছে। তবে বিষয়টি অন্যান্য ছাত্র সংগঠন ভালোভাবে নিচ্ছে না এমন অভিযোগ করে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এক অনুষ্ঠানে ছাত্রশিবিরকে গোপন ও নিষিদ্ধ দাবি করে তিনি বলেন, বিগত সাড়ে ১৫ বছর ছাত্রদল প্রতিটি ক্যাম্পাসে কমিটি দিয়ে আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। আমরা পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ করার মাধ্যমে প্রকাশ্যে দিবালোকে আমাদের কর্যক্রম পরিচালনা করছি। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে একটি গোপন ও নিষিদ্ধ সংগঠন রয়েছে; তারা সাড়ে ১৫ বছর ছাত্রলীগের পতাকাতলে থেকে এবং তাদের আশ্রয়ে থেকে তারা

একজনও প্রকাশ্যে আসার সাহস পায়নি। এ সময় তিনি ছাত্রশিবিরকে উদ্দেশ্য করে আরও বলেন, আপনার এমন কোনে ষড়যন্ত্র করবেন না আবার ১৯৭১ সালের ন্যায় আপনাদের আবার বড় ধরনের বিচারের মুখোমুখি হয়ে হয়। এভাবে এই গোপন সংগঠনের তৎপরতার মাধ্যমে ইতিমধ্যে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদেরকে বয়কট করেছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছেন তাদেরকে। ছাত্রদল সভাপতির এমন বক্তব্যের পর বিভিন্ন মাধ্যমে শুরু হয় আলোচনা ও সমালোচনা এবার বিষয়টি নিয়ে নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছেন ইসলামী ছাত্রশিবির। রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) এক বার্তায় নেতাকর্মীদের জানায়, ‘সম্প্রতি ছাত্রদল সভাপতির একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই লেখালেখি করছেন। আমরা আমাদের সকল দায়িত্বশীল ও জনশক্তি ভাইদের প্রতি কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া না দেখানোর আহ্বান

জানাচ্ছি। ব্যক্তি ও দলীয় বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে আমরা জাতীয় ঐক্যকে প্রাধান্য দিতে চাই। ছাত্র-জনতার বিপ্লবের অন্যতম স্পিরিট হলো জাতীয় ঐক্য ও ফ্যাসিবাদের নির্মূল। তাই আমাদের সবাইকে উদারতা ও দায়িত্বশীল আচরণ অব্যাহত রাখতে হবে। মহান আল্লাহ আমাদেরকে ধৈর্য ও প্রজ্ঞার মাধ্যমে কাজ করার তাওফিক দান করুন।’

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
সাইবার সুরক্ষা আইনে কন্টেন্ট অপসারণসহ যেসব বড় পরিবর্তন আসছে আ.লীগ ও ছাত্রলীগের দুই নেতা গ্রেফতার কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী বয়স, লিগ ও তারকার হিসাব-নিকাশে বিশ্বকাপের চিত্র যেমন তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয় “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট টেলিটক ও নগদ ‘কিনতে’ চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন! অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩ হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর… বাজেট: যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে