ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাও মনে করছেন মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি দেশের কৃষি ও প্রাণি সম্পদের জন্য ক্ষতিকর
বেশি দামে এলএনজি কেনা ও মার্কিন চুক্তি: সরকারের ভুল নাকি ইচ্ছাকৃত সিদ্ধান্ত!
আওয়ামী লীগ আমলে খননকৃত শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের ৫ম কূপ উদ্বোধন, যুক্ত হচ্ছে দৈনিক ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস
কুর্মিটোলা এভিয়েশন ডিপো থেকে বিমানের ৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল গায়েব!
স্পিকার–ডেপুটি স্পিকারের পদত্যাগ নিয়ে সংবিধানিক প্রশ্ন: সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক
বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার?
কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার!
ছয়বার জামিন পেয়েও মেলেনি মুক্তি, কারাগারে আ.লীগ নেতার মৃত্যু
উচ্চ আদালত থেকে ছয়বার জামিন পাওয়ার পরও কারামুক্ত হতে পারেননি গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কলেজশিক্ষক শামীকুল ইসলাম সরকার ওরফে লিপন (৫৫)। প্রতিবারই জামিনে বেরিয়ে আসার সময় জেলগেট থেকে তাঁকে পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সর্বশেষ গত ৫ ফেব্রুয়ারি জামিন পেলেও একই কায়দাজেলগেট থেকে গ্রেপ্তারের পর একটি মামলায় কারাগারে পাঠানো হয় তাঁকে। সেখানে বন্দী থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে আজ রোববার ভোরে তিনি মারা গেছেন।
রোবাবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ভোররাতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি পলাশবাড়ী মহিলা ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ ছিলেন। তাঁর বাড়ি পলাশবাড়ী পৌরসভার বৈরি হরিণমারী গ্রামে।
এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য,
২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকার মগবাজার
থেকে গ্রেপ্তার হন শামীকুল। পরিবারের অভিযোগ, উচ্চ আদালত থেকে ছয়বার জামিন হলেও প্রতিবার জেলগেট থেকে পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সর্বশেষ ৫ ফেব্রুয়ারি জামিন পাওয়ার পর তাঁকে গাইবান্ধা সদর থানার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আজ রোববার ভোরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। পারিবারিক ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকার মগবাজার এলাকা থেকে শামীকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। এরপর পলাশবাড়ী থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি প্রায় দেড় বছর ধরে গাইবান্ধা জেলা কারাগারে বন্দী ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘ এই বন্দী জীবনে শামীকুল ইসলাম উচ্চ আদালত থেকে ছয়বার জামিন পান। কিন্তু প্রতিবারই জামিনের
কাগজ কারাগারে পৌঁছানোর পর মুক্তির আগমুহূর্তে জেলগেট থেকে পুলিশ তাঁকে অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখায়। সর্বশেষ গত ৫ ফেব্রুয়ারি তিনি জামিনে মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও জেলগেট থেকে তাঁকে পুনরায় গ্রেপ্তার করে গাইবান্ধা সদর থানার জিআর ১৭৬/২৫ মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়। গাইবান্ধা জেলা কারাগারের জেল সুপার আতিকুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘শামীকুল ইসলাম দীর্ঘ দিন ধরে একটি মামলায় হাজতি হিসেবে কারাগারে ছিলেন। এর আগেও তিনি অসুস্থ হয়ে কারাগার থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।’ কারা সূত্র জানায়, রোববার মধ্যরাতে কারাগারে শামীকুল হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। কারা কর্তৃপক্ষ তাঁকে প্রথমে চিকিৎসার জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করায়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার
জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। শামীকুল ইসলাম সরকার দীর্ঘদিন পলাশবাড়ী উপজেলার রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ১৯৯৬ সালে তিনি উপজেলা যুবলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ২০১৬ সালে সাধারণ সম্পাদক হন। ২০১৮ সাল থেকে মৃত্যুর আগপর্যন্ত তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে পলাশবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ করা হয়েছে।
থেকে গ্রেপ্তার হন শামীকুল। পরিবারের অভিযোগ, উচ্চ আদালত থেকে ছয়বার জামিন হলেও প্রতিবার জেলগেট থেকে পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সর্বশেষ ৫ ফেব্রুয়ারি জামিন পাওয়ার পর তাঁকে গাইবান্ধা সদর থানার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আজ রোববার ভোরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। পারিবারিক ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকার মগবাজার এলাকা থেকে শামীকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। এরপর পলাশবাড়ী থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি প্রায় দেড় বছর ধরে গাইবান্ধা জেলা কারাগারে বন্দী ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘ এই বন্দী জীবনে শামীকুল ইসলাম উচ্চ আদালত থেকে ছয়বার জামিন পান। কিন্তু প্রতিবারই জামিনের
কাগজ কারাগারে পৌঁছানোর পর মুক্তির আগমুহূর্তে জেলগেট থেকে পুলিশ তাঁকে অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখায়। সর্বশেষ গত ৫ ফেব্রুয়ারি তিনি জামিনে মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও জেলগেট থেকে তাঁকে পুনরায় গ্রেপ্তার করে গাইবান্ধা সদর থানার জিআর ১৭৬/২৫ মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়। গাইবান্ধা জেলা কারাগারের জেল সুপার আতিকুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘শামীকুল ইসলাম দীর্ঘ দিন ধরে একটি মামলায় হাজতি হিসেবে কারাগারে ছিলেন। এর আগেও তিনি অসুস্থ হয়ে কারাগার থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।’ কারা সূত্র জানায়, রোববার মধ্যরাতে কারাগারে শামীকুল হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। কারা কর্তৃপক্ষ তাঁকে প্রথমে চিকিৎসার জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করায়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার
জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। শামীকুল ইসলাম সরকার দীর্ঘদিন পলাশবাড়ী উপজেলার রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ১৯৯৬ সালে তিনি উপজেলা যুবলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ২০১৬ সালে সাধারণ সম্পাদক হন। ২০১৮ সাল থেকে মৃত্যুর আগপর্যন্ত তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে পলাশবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ করা হয়েছে।



