ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আমদানিকারকদের বড় সুখবর দিল কুয়েত সরকার
গত ২৪ ঘণ্টায় লেবাননের ৪০ যোদ্ধা নিহত
সৌদি আরবে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
আমিরাতে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে বাংলাদেশির মৃত্যু
চার বছরে জ্বালানির সর্বোচ্চ দাম আ্যমেরিকায়,জেনে নিন কত
৪ নভোচারী নিয়ে চাঁদের পথে নাসা, চলছে শেষ প্রস্তুতি
ন্যাটোকে ‘কাগজের বাঘ’ সম্বোধন ট্রাম্পের, অ্যামেরিকার সরে আসার ইঙ্গিত
চীনের নাকের ডগায় প্রথম দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন জাপানের
চীনের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে প্রথমবারের মতো দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে জাপান। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন এবং বলেছেন, এটি জাপানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কুমামোতো এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে, যা কিউশু দ্বীপের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত এবং চীনের মূল ভূখণ্ডের তুলনামূলক কাছাকাছি।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পূর্ব চীন সাগরে চীনের নৌ তৎপরতা বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে জাপান তার সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
মোতায়েন করা টাইপ-১২ ভূমি থেকে জাহাজে নিক্ষেপযোগ্য নির্দেশিত ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা প্রায় এক হাজার কিলোমিটার, যা চীনের মূল ভূখণ্ডের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছাতে সক্ষম। কুমামোতো থেকে চীনের সাংহাই শহরের দূরত্ব প্রায় নয়শ কিলোমিটার হওয়ায় এই ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি ওই অঞ্চলকে
লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে পারে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী কোইজুমি বলেন, এই ধরনের দূরপাল্লার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জাপানকে সম্ভাব্য শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করতে সাহায্য করবে এবং একই সঙ্গে সেনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। তিনি এটিকে জাপানের প্রতিরোধ ও প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। এছাড়া জাপান শিজুওকা অঞ্চলে একটি উচ্চগতির গ্লাইডিং প্রজেক্টাইলও মোতায়েন করেছে, যা দূরবর্তী দ্বীপগুলোকে রক্ষা করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে জাপানের সামরিক নীতি মূলত আত্মরক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন, রাশিয়া এবং উত্তর কোরিয়ার সামরিক কার্যক্রম বৃদ্ধি পাওয়ায় টোকিও ধীরে ধীরে তার প্রতিরক্ষা নীতি আরও শক্তিশালী করছে। ২০২২ সালে দেশটি পাল্টা আঘাত হানতে সক্ষম এমন ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের পরিকল্পনাও
অনুমোদন করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির হুমকি মোকাবিলায় শুধুমাত্র প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করা কঠিন হয়ে পড়ছে, যার ফলে জাপানকে নতুন কৌশল গ্রহণ করতে হচ্ছে। এদিকে এই পদক্ষেপের সমালোচকরাও রয়েছেন, যারা মনে করছেন এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের ফলে অঞ্চলটি সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে। স্থানীয় কিছু বাসিন্দাও আগাম ঘোষণা ছাড়া ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাইওয়ান ইস্যুকে কেন্দ্র করে জাপান ও চীনের সম্পর্ক সাম্প্রতিক সময়ে আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। চীন তাইওয়ানকে নিজের অংশ হিসেবে দাবি করে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের কথাও জানিয়েছে, অন্যদিকে জাপান ইঙ্গিত দিয়েছে যে এ ধরনের পরিস্থিতিতে তারা হস্তক্ষেপ করতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা
পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং ভবিষ্যতে উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে পারে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী কোইজুমি বলেন, এই ধরনের দূরপাল্লার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জাপানকে সম্ভাব্য শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করতে সাহায্য করবে এবং একই সঙ্গে সেনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। তিনি এটিকে জাপানের প্রতিরোধ ও প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। এছাড়া জাপান শিজুওকা অঞ্চলে একটি উচ্চগতির গ্লাইডিং প্রজেক্টাইলও মোতায়েন করেছে, যা দূরবর্তী দ্বীপগুলোকে রক্ষা করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে জাপানের সামরিক নীতি মূলত আত্মরক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন, রাশিয়া এবং উত্তর কোরিয়ার সামরিক কার্যক্রম বৃদ্ধি পাওয়ায় টোকিও ধীরে ধীরে তার প্রতিরক্ষা নীতি আরও শক্তিশালী করছে। ২০২২ সালে দেশটি পাল্টা আঘাত হানতে সক্ষম এমন ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের পরিকল্পনাও
অনুমোদন করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির হুমকি মোকাবিলায় শুধুমাত্র প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করা কঠিন হয়ে পড়ছে, যার ফলে জাপানকে নতুন কৌশল গ্রহণ করতে হচ্ছে। এদিকে এই পদক্ষেপের সমালোচকরাও রয়েছেন, যারা মনে করছেন এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের ফলে অঞ্চলটি সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে। স্থানীয় কিছু বাসিন্দাও আগাম ঘোষণা ছাড়া ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাইওয়ান ইস্যুকে কেন্দ্র করে জাপান ও চীনের সম্পর্ক সাম্প্রতিক সময়ে আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। চীন তাইওয়ানকে নিজের অংশ হিসেবে দাবি করে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের কথাও জানিয়েছে, অন্যদিকে জাপান ইঙ্গিত দিয়েছে যে এ ধরনের পরিস্থিতিতে তারা হস্তক্ষেপ করতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা
পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং ভবিষ্যতে উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।



