ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশরত্ন শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ
তদন্তের আগেই দুই কৃষি কর্মকর্তাকে বদলি, ডিএই’র ডিজি লাঞ্ছিত
পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক, ঝুঁকিতে হাজারো আমানতকারীর অর্থ
জুলাই গেজেট স্ক্যাম: ছাদ থেকে পড়ে যাওয়া আখতারুজ্জামান নাঈমকে বানানো হয় জুলাই শহীদ
থানা পোড়ানো, পুলিশ হত্যাকারী সেই সমন্বয়ক মাহদী এখন মবের ভয়ে থানায় আশ্রয়ের সন্ধানে
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
সাইয়্যেদ আব্দুল্লাহ: ৫ আগস্ট র-এর গুজব ছড়িয়ে পুলিশ হত্যায় উস্কানিদাতা প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী নিযুক্ত
সাম্প্রতিক এক নিয়োগে বিতর্কের ঝড় উঠেছে। জুলাই-আগস্ট ২০২৪-এর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সময় রাজারবাগ পুলিশ লাইন ও সাভার এলাকায় পুলিশ সদস্যদের র ট্যাগ দিয়ে হামলার উষ্কানিদাত ও গণহত্যার ঘটনায় গুজব ছড়ানোর অভিযোগে অভিযুক্ত ইউটিউবার ও টিকটকার মো. সাইয়্যেদ বিন আব্দুল্লাহ (সাইয়্যেদ আব্দুল্লাহ) প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (যুব কর্মসংস্থান বিষয়ক) হিসেবে গ্রেড-২ পদমর্যাদায় নিয়োগ পেয়েছেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সন্ধ্যার পর সাইয়্যেদ আব্দুল্লাহ ফেসবুক লাইভ ও পোস্টের মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে গুজব ছড়িয়েছিলেন যে, “ঢাকায় অবস্থানরত সকল ‘র’ এজেন্ট রাজারবাগ পুলিশ লাইন ও সাভারে গিয়ে অবস্থান নিয়েছে এবং তারা সেখান থেকে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে ঢাকা দখল করবে; তাদের সঙ্গে যোগ দেবে সাভারে অবস্থানরত অপর একটি ‘র’ এজেন্টদের
রেজিমেন্ট”। এই পরিকল্পিত মিথ্যা গুজবের কারণে উত্তেজিত জনতা রাজারবাগ পুলিশ লাইন ও সাভার থানায় হামলা চালায়। সাভারে ব্যাপক সংখ্যক পুলিশ সদস্য নিহত হন। বেঁচে থাকা পুলিশ সদস্যরা সাভার ক্যান্টনমেন্টে আশ্রয় নিলে, সেখানেও উত্তেজিত জনতা জড়ো হয় ভারতীয় এজেন্ট খোঁজার জন্য এবং সারারাত সাভার সেনানিবাসের গেটের সামনে অবস্থান নেয় বেঁচে যাওয়া পুলিশ সদস্যদের হত্যা করার জন্য। এই দুই স্থানে সংঘটিত পুলিশ গণহত্যার কমান্ড রেসপন্সিবিলিটি সরাসরি সাইয়্যেদ আবদুল্লাহর ওপর বর্তায় বলে অনেকে মনে করেন। পরবর্তীতে তিনি নিজের ফেসবুক লাইভ মুছে ফেললেও, ফেসবুকে অসংখ্য পোস্ট, শেয়ার ও স্ক্রিনশট এখনো সেই ঘটনার প্রমাণ হিসেবে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সাইয়্যেদ আব্দুল্লাহ সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় ছিলেন এবং বিভিন্ন টকশো ও ভিডিওতে
রাজনৈতিক মন্তব্য করতেন। তার নিয়োগের খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকে এটিকে “৫ আগস্টের শহীদ পুলিশ সদস্যদের প্রতি অবমাননা” ও “ন্যায়বিচারের প্রতি চ্যালেঞ্জ” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। অন্যদিকে সমর্থকরা এটিকে জুলাই ২৪শে সফলতার সাথে প্রভাব বিস্তার করে আন্দোলনে মানুষকে সম্পৃক্ত করার পুরষ্কার হিসাবে দেখছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ঘটনাগুলো নিয়ে স্বাধীন তদন্তের দাবি দীর্ঘদিন ধরে উঠে আসছে। সাইয়্যেদ আব্দুল্লাহর নিয়োগ সেই দাবিকে নতুন করে উস্কে দিয়েছে। এই ঘটনা বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সোশ্যাল মিডিয়ার ভূমিকা, গুজবের বিপজ্জনকতা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
রেজিমেন্ট”। এই পরিকল্পিত মিথ্যা গুজবের কারণে উত্তেজিত জনতা রাজারবাগ পুলিশ লাইন ও সাভার থানায় হামলা চালায়। সাভারে ব্যাপক সংখ্যক পুলিশ সদস্য নিহত হন। বেঁচে থাকা পুলিশ সদস্যরা সাভার ক্যান্টনমেন্টে আশ্রয় নিলে, সেখানেও উত্তেজিত জনতা জড়ো হয় ভারতীয় এজেন্ট খোঁজার জন্য এবং সারারাত সাভার সেনানিবাসের গেটের সামনে অবস্থান নেয় বেঁচে যাওয়া পুলিশ সদস্যদের হত্যা করার জন্য। এই দুই স্থানে সংঘটিত পুলিশ গণহত্যার কমান্ড রেসপন্সিবিলিটি সরাসরি সাইয়্যেদ আবদুল্লাহর ওপর বর্তায় বলে অনেকে মনে করেন। পরবর্তীতে তিনি নিজের ফেসবুক লাইভ মুছে ফেললেও, ফেসবুকে অসংখ্য পোস্ট, শেয়ার ও স্ক্রিনশট এখনো সেই ঘটনার প্রমাণ হিসেবে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সাইয়্যেদ আব্দুল্লাহ সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় ছিলেন এবং বিভিন্ন টকশো ও ভিডিওতে
রাজনৈতিক মন্তব্য করতেন। তার নিয়োগের খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকে এটিকে “৫ আগস্টের শহীদ পুলিশ সদস্যদের প্রতি অবমাননা” ও “ন্যায়বিচারের প্রতি চ্যালেঞ্জ” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। অন্যদিকে সমর্থকরা এটিকে জুলাই ২৪শে সফলতার সাথে প্রভাব বিস্তার করে আন্দোলনে মানুষকে সম্পৃক্ত করার পুরষ্কার হিসাবে দেখছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ঘটনাগুলো নিয়ে স্বাধীন তদন্তের দাবি দীর্ঘদিন ধরে উঠে আসছে। সাইয়্যেদ আব্দুল্লাহর নিয়োগ সেই দাবিকে নতুন করে উস্কে দিয়েছে। এই ঘটনা বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সোশ্যাল মিডিয়ার ভূমিকা, গুজবের বিপজ্জনকতা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।



