ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
ফেনীতে চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি কর্মীর রেস্টুরেন্ট ভাঙচুর ও অর্থ লুটপাট যুবদলকর্মীদের
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১২ কিমিজুড়ে থেমে থেমে যানজট
আইজিপির বাসায় চুরির খবর গুজব: পুলিশ সদর দপ্তর
মাইক্রোবাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে চালকসহ নিহত ৩
চাল চুরির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর ছাত্রদল নেতার হামলা!
সাতক্ষীরায় মন্দিরে চুরি: স্বর্ণালংকার ও দানবাক্সের টাকা লুট, আতঙ্কে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়
চট্টগ্রামে ভেঙে দুই ভাগ হয়ে গেল সেতু
চট্টগ্রাম নগরের ব্যস্ততম বায়েজিদ বোস্তামী সড়কে স্টারশিপ গলির মুখে একটি সেতু দুই ভাগ হয়ে গেছে। এতে সেতুর নগরের ২ নম্বর গেট থেকে অক্সিজেনমুখী অংশে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। একপাশ দিয়ে যান চলাচল করায় সড়কটিতে যানজট তৈরি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সকাল ৬টার দিকে সেতুটি ভেঙে যায়।
জানা গেছে, নগরের অক্সিজেনের স্টারশিপ গলি এলাকায় শীতল ঝরনার খালের ওপর এ সেতুর অবস্থান। সেতুটি দিয়ে নগরের ২ নম্বর গেট থেকে অক্সিজেন যাতায়াত করেন লোকজন। নগরের অন্যতম প্রধান ও ব্যস্ততম সড়ক বায়েজিদ বোস্তামী সড়কের ওপর অবস্থিত। নগরের ২ নম্বর গেট থেকে অক্সিজেনমুখী সড়কের ওপর থাকা সেতুর অংশ ভেঙে যায়।
নগরের বায়েজিদ বোস্তামী সড়কের অক্সিজেন অংশটি গুরুত্বপূর্ণ। এ
এলাকায় পোশাক কারখানাসহ বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণ গাড়ি চলাচল করে এ সড়ক দিয়ে। সেতুটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের দুই প্রকৌশলী জানান, জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় শীতল ঝরনা খাল প্রশস্ত করা হয়। এর পর থেকে খালে পানিপ্রবাহ বেড়ে যায়। খাল প্রশস্ত হলেও ইটের তৈরি সেতু আগের মতো ছিল। এতে পানিপ্রবাহের কারণে ধীরে ধীরে সেতুর দুই পাশ থেকে মাটি সরে যেতে থাকে। দেয়ালও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আজ ভোরে ভারী বর্ষণ শুরু হলে পানির চাপে সেতুটি দুই ভাগ হয়ে গেছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান বলেন, শীতল ঝরনা খালের ওপর সেতুটি নির্মিত হয় ১৯৮০ সালের দিকে। ওই
সময়ের নকশায় করা সেতুটি অনেক দিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় শীতল ঝরনা খাল প্রশস্ত করার পর আরও বেশি ঝুঁকি তৈরি হয়। কেননা, ওই সময় খালের প্রশস্ততা বেড়ে গিয়েছিল। তিনি আরও বলেন, সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সেতু সংস্কারের জন্য পাঁচ কোটি টাকার প্রাক্কলন করা হয়েছে। দরপত্র বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। দ্রুত সংস্কারের কাজ শুরু করা হবে। এদিকে ব্যস্ততম সড়কের ওপর সেতু ভেঙে যাওয়ায় সড়কে গাড়ির জট সৃষ্টি হয়েছে। এখন এক পাশ দিয়ে গাড়ি চলাচল করছে। বায়েজিদ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সামশুল আলম বলেন, ভোরে কোনো এক সময়ে স্টারশিপ ব্রিজ নামক স্থানের সড়ক দেবে গেছে। এর
ফলে ওই সড়ক দিয়ে অক্সিজেনগামী যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে পুলিশের একটি টিম কাজ করছে। এদিকে সকাল সাড়ে ১১টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন আসেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এ সময়ের সাংবাদিকদের তিনি বলেন, জলাবদ্ধতার কাজ করায় এ কালভার্টের নিচের মাটি সরে গেছে। ফলে অতিবৃষ্টিতে সৃষ্ট পানির ঢলে ভেঙে যায় কালভার্টের প্রায় ২০ ফুট অংশ। আমরা সাধারণভাবে এ কালভার্টের কাজ ধরতাম। এখন ৬০ ফিটের কাজ ধরতে হবে।
এলাকায় পোশাক কারখানাসহ বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণ গাড়ি চলাচল করে এ সড়ক দিয়ে। সেতুটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের দুই প্রকৌশলী জানান, জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় শীতল ঝরনা খাল প্রশস্ত করা হয়। এর পর থেকে খালে পানিপ্রবাহ বেড়ে যায়। খাল প্রশস্ত হলেও ইটের তৈরি সেতু আগের মতো ছিল। এতে পানিপ্রবাহের কারণে ধীরে ধীরে সেতুর দুই পাশ থেকে মাটি সরে যেতে থাকে। দেয়ালও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আজ ভোরে ভারী বর্ষণ শুরু হলে পানির চাপে সেতুটি দুই ভাগ হয়ে গেছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান বলেন, শীতল ঝরনা খালের ওপর সেতুটি নির্মিত হয় ১৯৮০ সালের দিকে। ওই
সময়ের নকশায় করা সেতুটি অনেক দিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় শীতল ঝরনা খাল প্রশস্ত করার পর আরও বেশি ঝুঁকি তৈরি হয়। কেননা, ওই সময় খালের প্রশস্ততা বেড়ে গিয়েছিল। তিনি আরও বলেন, সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সেতু সংস্কারের জন্য পাঁচ কোটি টাকার প্রাক্কলন করা হয়েছে। দরপত্র বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। দ্রুত সংস্কারের কাজ শুরু করা হবে। এদিকে ব্যস্ততম সড়কের ওপর সেতু ভেঙে যাওয়ায় সড়কে গাড়ির জট সৃষ্টি হয়েছে। এখন এক পাশ দিয়ে গাড়ি চলাচল করছে। বায়েজিদ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সামশুল আলম বলেন, ভোরে কোনো এক সময়ে স্টারশিপ ব্রিজ নামক স্থানের সড়ক দেবে গেছে। এর
ফলে ওই সড়ক দিয়ে অক্সিজেনগামী যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে পুলিশের একটি টিম কাজ করছে। এদিকে সকাল সাড়ে ১১টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন আসেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এ সময়ের সাংবাদিকদের তিনি বলেন, জলাবদ্ধতার কাজ করায় এ কালভার্টের নিচের মাটি সরে গেছে। ফলে অতিবৃষ্টিতে সৃষ্ট পানির ঢলে ভেঙে যায় কালভার্টের প্রায় ২০ ফুট অংশ। আমরা সাধারণভাবে এ কালভার্টের কাজ ধরতাম। এখন ৬০ ফিটের কাজ ধরতে হবে।



