গ্রামীণ ব্যাংক ভবনের ১১ হাজার বর্গফুট জায়গা মাত্র ৮৩ টাকা মাসিক ভাড়ায় ব্যবহারের অভিযোগ ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২ ডিসেম্বর, ২০২৫
     ৫:০৩ পূর্বাহ্ণ

আরও খবর

ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী

চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন

নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি

এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন

নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী

জাহাজ কেনার বাকি ২ মাস ঋণ চুক্তিতে ব্যর্থ সরকার

ক্ষমতা ছাড়ার আগে ব্যাপক লুটপাট, ৬ মাসে সরকারের ঋণ ৬০ হাজার কোটি

গ্রামীণ ব্যাংক ভবনের ১১ হাজার বর্গফুট জায়গা মাত্র ৮৩ টাকা মাসিক ভাড়ায় ব্যবহারের অভিযোগ ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২ ডিসেম্বর, ২০২৫ | ৫:০৩ 58 ভিউ
গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার এবং নামমাত্র মূল্যে ব্যাংক ভবনের বিশাল অংশ নিজের ব্যক্তিগত ট্রাস্টের কাজে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমিনুল হক পলাশ নামের এক ব্যক্তির শেয়ার করা একটি দলিল ও তথ্যের ভিত্তিতে এই চাঞ্চল্যকর বিষয়টি সামনে এসেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, ড. ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি পদে থাকাকালীন স্বেচ্ছাচারীভাবে ব্যাংকটিকে নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছেন। এর স্বপক্ষে ২০০৮ সালের ৩রা আগস্ট স্বাক্ষরিত একটি লিজ দলিলের তথ্য তুলে ধরা হয়। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০০৮ সালে নোবেল লরিয়েট ট্রাস্ট ও ইউনূস সেন্টারের মধ্যে একটি লিজ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। দলিল অনুযায়ী, মিরপুর-২

এ অবস্থিত গ্রামীণ ব্যাংক ভবনের ১৬ তলার প্রায় ১১,০০০ (এগারো হাজার) বর্গফুট ফ্লোর স্পেস ভাড়া দেওয়া হয়। বিস্ময়কর বিষয় হলো, এই বিশাল জায়গার বাৎসরিক ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছিল মাত্র ১,০০০ (এক হাজার) টাকা। অর্থাৎ, মাসিক ভাড়া দাঁড়ায় মাত্র ৮৩ টাকা ৩৩ পয়সা। বর্তমান বাজারদরের প্রেক্ষিতে ১১ হাজার বর্গফুট জায়গার এমন নামমাত্র ভাড়া শায়েস্তা খাঁ-র আমলকেও হার মানায় বলে মন্তব্য করা হয়েছে। প্রতিবেদনে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে ‘ক্রিমিনাল মাইন্ড’ বা অপরাধী মনমানসিকতার অভিযোগ এনে বলা হয়, তিনি আইনি জটিলতা এড়াতে এবং নিজের স্বার্থ হাসিল করতে অভিনব পন্থা অবলম্বন করেছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী: ১. ড. ইউনূস প্রথমে তবারক হোসেন নামক এক ব্যক্তিকে দিয়ে ‘নোবেল লরিয়েট ট্রাস্ট’

নামের একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করান। ২. গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রথমে ব্যাংক ভবনের ১৬ তলা ওই ট্রাস্টের নামে লিজ দেন। ৩. পরবর্তীতে ‘নোবেল লরিয়েট ট্রাস্ট’-এর চেয়ারম্যান তবারক হোসেনের কাছ থেকে নামমাত্র মূল্যে সেই জায়গাটি ‘ইউনূস সেন্টার’-এর নামে ভাড়া নেন ড. ইউনূস নিজেই। সমালোচকরা বলছেন, এটি মূলত ড. ইউনূসের নিজের কাছেই নিজের ভাড়া দেওয়ার একটি কৌশল ছিল, যেখানে তবারক হোসেন এবং নোবেল লরিয়েট ট্রাস্টকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। দলিলে ড. ইউনূস এবং তবারক হোসেন উভয়ের স্বাক্ষর থাকার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওই পোস্টে ড. ইউনূসের বর্তমান ভূমিকা নিয়েও কঠোর সমালোচনা করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, যে ব্যক্তি ব্যাংকের

এমডি থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানের সম্পদ কুক্ষিগত করেছেন, তিনি বর্তমানে দেশের শাসনভার গ্রহণ করার ১৬ মাস পরেও যে দেশটিকে নিজের নামে লিখে নেননি, তাতে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন লেখক। এই দলিল ও অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইউনুস সেন্টার বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি অনলাইনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে? কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই, ৫ পুলিশ হাসপাতালে জাহাজ কেনার বাকি ২ মাস ঋণ চুক্তিতে ব্যর্থ সরকার ২০২৫ সালে সড়কে মৃত্যু ১০০৮ শিশুর বায়ুদূষণে শীর্ষে দিল্লি, ঢাকার খবর কী সরকারি সিদ্ধান্তে নিজের মতামতের গুরুত্ব নেই মনে করে ৭৩% মানুষ আজ যেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া রাজধানীতে আজ কোথায় কী