ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী
চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন
নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি
এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন
নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী
জাহাজ কেনার বাকি ২ মাস ঋণ চুক্তিতে ব্যর্থ সরকার
ক্ষমতা ছাড়ার আগে ব্যাপক লুটপাট, ৬ মাসে সরকারের ঋণ ৬০ হাজার কোটি
গোপন বৈঠক: আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ ও হাসিনার অবস্থান নিয়ে ভারত-বাংলাদেশ-কাতার আলোচনা
কাতারের রাজধানী দোহায় এক অত্যন্ত গোপনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (এনএসএ) খলিলুর রহমান এবং ভারতের এক শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা। গত ২৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত এই দীর্ঘ বৈঠকে মধ্যস্থতা করেন কাতারের সাবেক গোয়েন্দা প্রধান এবং বর্তমান আমিরি দিওয়ানের প্রধান আবদুল্লাহ বিন মোহাম্মদ বিন মোবারক আল-খুলাইফি।
নর্থইস্ট নিউজের বরাতে জানা গেছে, বৈঠকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ভবিষ্যৎ এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকের প্রধান আলোচ্য বিষয়:
সূত্র অনুযায়ী, দোহায় অজ্ঞাত স্থানে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে একাধিক স্পর্শকাতর বিষয় উঠে আসে। এর মধ্যে প্রধান ছিল—
১. আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ: বাংলাদেশে আগামীতে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে,
তাতে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ এবং দলটির রাজনৈতিক ভাগ্য। ২. শেখ হাসিনার অবস্থান: সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতের দিল্লিতে অজ্ঞাত স্থানে অবস্থান করছেন। তিনি সেখানেই থাকবেন নাকি অন্য কোনো দেশে স্থানান্তরিত হবেন, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ৩. অন্তর্বর্তী সরকার: ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদকাল নিয়ে পর্যালোচনা। ৪. রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: কক্সবাজার থেকে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বুচিদং ও মংডুতে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা। মার্কিন কর্মকর্তাদের উপস্থিতি: এই বৈঠকে দোহাভিত্তিক ২-৩ জন মার্কিন কর্মকর্তাও উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, ২০২৫ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের এনএসএ হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে খলিলুর রহমান মার্কিন কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছেন এবং এর আগেও তিনি তিনবার দোহায় তাদের সঙ্গে
বৈঠক করেছেন। ২৫ নভেম্বর ভারতীয় কর্মকর্তা দিল্লি ফিরে গেলেও, খলিলুর রহমান মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আরও আলোচনার জন্য দোহায় অবস্থান করেন এবং ডিনার মিটিংয়ে অংশ নেন। খুলাইফির ভূমিকা ও তাৎপর্য: বৈঠকে আবদুল্লাহ বিন মোহাম্মদ আল-খুলাইফির উপস্থিতি ভারত ও বাংলাদেশের নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি ২০২৪ সালের নভেম্বর পর্যন্ত কাতারের স্টেট সিকিউরিটি এজেন্সির প্রধান ছিলেন এবং বর্তমানে কাতারের আমিরের প্রশাসনিক দপ্তর ‘আমিরি দিওয়ান’-এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যে গোয়েন্দা সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য সিআইএ তাকে মর্যাদাপূর্ণ ‘জর্জ টেনেট মেডেল’ প্রদান করেছিল। কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভের সাইডলাইনে ভারতের এনএসএ অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠকের মাত্র ছয় দিন পর, ২৫ নভেম্বর ভোরে কাতার এয়ারওয়েজের একটি
ফ্লাইটে (QR-639) দোহা পৌঁছান খলিলুর রহমান। একই দিনে ভারতের ওই শীর্ষ কর্মকর্তাও দোহায় পৌঁছান। আগামী ৬ ও ৭ ডিসেম্বর দোহা ফোরামের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সেই সফরের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করে খলিলুর রহমান আজ ঢাকায় ফিরেছেন। উল্লেখ্য, ভারত এবং ভুটান উভয় দেশই বাংলাদেশে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের ওপর জোর দিয়ে আসছে, যা এই বৈঠকের অন্যতম এজেন্ডা ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তাতে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ এবং দলটির রাজনৈতিক ভাগ্য। ২. শেখ হাসিনার অবস্থান: সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতের দিল্লিতে অজ্ঞাত স্থানে অবস্থান করছেন। তিনি সেখানেই থাকবেন নাকি অন্য কোনো দেশে স্থানান্তরিত হবেন, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ৩. অন্তর্বর্তী সরকার: ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদকাল নিয়ে পর্যালোচনা। ৪. রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: কক্সবাজার থেকে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বুচিদং ও মংডুতে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা। মার্কিন কর্মকর্তাদের উপস্থিতি: এই বৈঠকে দোহাভিত্তিক ২-৩ জন মার্কিন কর্মকর্তাও উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, ২০২৫ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের এনএসএ হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে খলিলুর রহমান মার্কিন কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছেন এবং এর আগেও তিনি তিনবার দোহায় তাদের সঙ্গে
বৈঠক করেছেন। ২৫ নভেম্বর ভারতীয় কর্মকর্তা দিল্লি ফিরে গেলেও, খলিলুর রহমান মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আরও আলোচনার জন্য দোহায় অবস্থান করেন এবং ডিনার মিটিংয়ে অংশ নেন। খুলাইফির ভূমিকা ও তাৎপর্য: বৈঠকে আবদুল্লাহ বিন মোহাম্মদ আল-খুলাইফির উপস্থিতি ভারত ও বাংলাদেশের নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি ২০২৪ সালের নভেম্বর পর্যন্ত কাতারের স্টেট সিকিউরিটি এজেন্সির প্রধান ছিলেন এবং বর্তমানে কাতারের আমিরের প্রশাসনিক দপ্তর ‘আমিরি দিওয়ান’-এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যে গোয়েন্দা সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য সিআইএ তাকে মর্যাদাপূর্ণ ‘জর্জ টেনেট মেডেল’ প্রদান করেছিল। কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভের সাইডলাইনে ভারতের এনএসএ অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠকের মাত্র ছয় দিন পর, ২৫ নভেম্বর ভোরে কাতার এয়ারওয়েজের একটি
ফ্লাইটে (QR-639) দোহা পৌঁছান খলিলুর রহমান। একই দিনে ভারতের ওই শীর্ষ কর্মকর্তাও দোহায় পৌঁছান। আগামী ৬ ও ৭ ডিসেম্বর দোহা ফোরামের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সেই সফরের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করে খলিলুর রহমান আজ ঢাকায় ফিরেছেন। উল্লেখ্য, ভারত এবং ভুটান উভয় দেশই বাংলাদেশে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের ওপর জোর দিয়ে আসছে, যা এই বৈঠকের অন্যতম এজেন্ডা ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।



