ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
খামেনির ‘রক্তের বদলা’ নেওয়ার শপথ ইরানের
ভারতের আদালতে ১৬টি নথি জমা দিয়েও নাগরিকত্ব প্রমাণে ব্যর্থ মুসলিম ব্যক্তি
ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলের ‘প্রজনন গণহত্যা’, ১৮৮ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে উঠে এল যে ভয়াবহ তথ্য
নোটিশ ছাড়াই ভারতে ভাঙা হলো তিন মসজিদ ও মাজার
পশ্চিম তীরে ১০০ স্থানে বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা করছে দখলদার ইসরাইল
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের চেষ্টা ট্রাম্পের, যে রায় দিল মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট
পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত
ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনের হামলায় নিহত ৪
রাশিয়ার দখলকৃত ও সংযুক্ত ঘোষিত ক্রিমিয়া উপদ্বীপে ইউক্রেনের হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। উপদ্বীপটি নিয়ন্ত্রণকারী রুশ প্রশাসন এ তথ্য জানিয়েছে।
একদিন আগে মস্কো ও কিয়েভ পরস্পরের শহরগুলোতে হামলা চালানোর পর বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
ক্রিমিয়ার রাশিয়া-নিযুক্ত প্রধান সের্গেই আকসিওনভ জানান, ইউক্রেনীয় বাহিনী উপদ্বীপের প্রশাসনিক কেন্দ্র সিমফেরোপোলের একটি অ-আবাসিক এলাকায় হামলা চালায়। এতে তিনজন নিহত এবং সাতজন আহত হন।
পরে টেলিগ্রামে দেওয়া আরেক বার্তায় আকসিওনভ বলেন, পূর্ব ক্রিমিয়ায় একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে ইউক্রেনের একটি ড্রোন আঘাত হানলে আরও একজন নিহত এবং তিনজন আহত হন।
এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি ইউক্রেন।
অন্যদিকে, ক্রিমিয়ার বন্দরনগরী সেভাস্তোপোলে রাশিয়া-নিযুক্ত গভর্নর জানান, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
২০টিরও বেশি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করেছে। তিনি হতাহতের কোনো তথ্য দেননি, তবে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষে কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন। রাশিয়া ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখল করে নিজেদের সঙ্গে যুক্ত করে নেয়। এর বহু বছর পর, ২০২২ সালে তারা ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করে। কিয়েভে গণবিক্ষোভের মুখে রাশিয়াপন্থি প্রেসিডেন্ট দেশ ছাড়ার পর ক্রিমিয়া দখলের ঘটনা ঘটে। রুশ পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় এই অঞ্চলটি সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি সংকট মোকাবিলার উদ্যোগ নিয়েছে। কারণ, ইউক্রেন রাশিয়ার তেল শিল্প-সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে, এমনকি রাশিয়ার অভ্যন্তরেও, হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে।
২০টিরও বেশি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করেছে। তিনি হতাহতের কোনো তথ্য দেননি, তবে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষে কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন। রাশিয়া ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখল করে নিজেদের সঙ্গে যুক্ত করে নেয়। এর বহু বছর পর, ২০২২ সালে তারা ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করে। কিয়েভে গণবিক্ষোভের মুখে রাশিয়াপন্থি প্রেসিডেন্ট দেশ ছাড়ার পর ক্রিমিয়া দখলের ঘটনা ঘটে। রুশ পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় এই অঞ্চলটি সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি সংকট মোকাবিলার উদ্যোগ নিয়েছে। কারণ, ইউক্রেন রাশিয়ার তেল শিল্প-সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে, এমনকি রাশিয়ার অভ্যন্তরেও, হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে।



