ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শপথ নিয়ে নতুন মেটিকুলাস ডিজাইন, সাংবিধানিক সঙ্কটের আশঙ্কা
সমঝোতা না হওয়ায় ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তথ্য ফাঁস করলেন নাহিদ
যুধিষ্ঠির কে? : উপদেষ্টা রেজওয়ানা বনাম আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ
ভোট নিয়ে ইউনূসের জালিয়াতি ফাঁস করে দিল টিআইবি
২.২৬ লক্ষ কোটি ঋণ নিয়ে শূন্য উন্নয়ন : বাংলাদেশকে পঙ্গু করে দিয়ে যাওয়া ইউনূসের কীর্তি
রংপুরে ড. ওয়াজেদ মিয়ার ৮৪তম জন্মবার্ষিকীতে যুবলীগের শ্রদ্ধা
‘বাটোয়ারার নির্বাচন মেনে নিয়ে বিরোধিতার নাটক বন্ধ করেন’: মাহফুজ আলম
কুড়িগ্রাম-১ এ ভোটার নেই, তবু ভোট ১০০% পূর্ণ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) নিয়ে ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে। কুড়িগ্রাম-১ আসনের একটি কেন্দ্র (নং ১৭১)-এ মোট ভোটার ২,১৭২ জন হলেও কাস্ট ভোটও ২,১৭২—অর্থাৎ শতভাগ টার্নআউট। কিন্তু স্থানীয় সূত্র ও সামাজিক মাধ্যমে দাবি, কেন্দ্র ফাঁকা ছিল, ভোটার উপস্থিতি ছিল না। এটিকে “ভোটারবিহীন নির্বাচনের সবচেয়ে স্পষ্ট প্রমাণ” বলে অভিহিত করা হচ্ছে।
অভিযোগের মূল কথা
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই নির্বাচনকে “সাজানো প্রহসন” ও “ভোটারবিহীন ফার্স” বলে অভিহিত করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, পোলিং স্টেশনে ভোটার না থাকলেও গণনায় অস্বাভাবিক সংখ্যা দেখানো হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ: সকাল ১১টা পর্যন্ত টার্নআউট ১৪.৯৬% (প্রায় ১৯ মিলিয়ন ভোট)। দুপুর ১২টা পর্যন্ত হঠাৎ ৩২.৮৮%-এ উঠে যাওয়া—এক ঘণ্টায় প্রায় ২৩ মিলিয়ন
ভোট, যা অসম্ভব দ্রুত গতি (প্রতি মিনিটে ৩৮১,০০০ ভোট)। এ ধরনের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি “পরিকল্পিত জালিয়াতি” বলে অভিযোগ। কুড়িগ্রাম-১ (ভূরুঙ্গামারী ও নাগেশ্বরী উপজেলা)-এ মোট ভোটার প্রায় ৫.৬৪ লাখ, কেন্দ্র ২৩১। এখানে কিছু কেন্দ্রে ১০০% টার্নআউটের খবর এসেছে, যেখানে ভোটার উপস্থিতি ছিল না। অন্য আসনেও (চট্টগ্রাম-৩, গাইবান্ধা-৪) একই অভিযোগ। অন্যান্য গুরুতর অভিযোগ অনেক কেন্দ্রে ভোটার না থাকলেও ব্যালট বাক্স ভর্তি। প্রাক-সিল মারা ব্যালট, ভুয়া ভোট, ভোট কেনা, ভীতি প্রদর্শন। বিরোধী প্রার্থীর এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বিতাড়িত করা। প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ—নির্বাচন কমিশনের পরিবর্তে প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করেছে। সামগ্রিক টার্নআউট কম ছিল বলে দাবি, কিন্তু অফিসিয়াল ফিগারে ৫৯.৪৪% দেখানো হয়েছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ৪০% আসনে অনিয়মের কথা উল্লেখ করেছে। জামায়াত-ই-ইসলামীসহ
কয়েকটি দল ভোট গণনায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছে। নির্বাচনের ফলাফল ও প্রেক্ষাপট নির্বাচনে বিএনপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে (২০৯+ আসন), জামায়াত ৬৮, এনসিপি ৬। কুড়িগ্রাম-১-এ জামায়াতের মো. আনোয়ারুল ইসলাম জয়ী। কিন্তু বিরোধীরা (বিশেষ করে আওয়ামী লীগ) দাবি করছে, এই ফলাফল জনগণের অংশগ্রহণের পরিবর্তে “প্রশাসনিক নির্দেশে” তৈরি। মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে এই নির্বাচন “বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন”। এই নির্বাচন জনগণের বয়কটকে আড়াল করতে “সাজানো ফিকশন” বলে অভিযোগ। নির্বাচন কমিশন এই প্রহসনের দায় এড়াতে পারে না। বাংলাদেশের মানুষ এই প্রহসন প্রত্যাখ্যান করেছে—সত্যিকারের অংশগ্রহণমূলক, নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি উঠেছে। গণতন্ত্রের জন্য এটি লজ্জাজনক অধ্যায়।
ভোট, যা অসম্ভব দ্রুত গতি (প্রতি মিনিটে ৩৮১,০০০ ভোট)। এ ধরনের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি “পরিকল্পিত জালিয়াতি” বলে অভিযোগ। কুড়িগ্রাম-১ (ভূরুঙ্গামারী ও নাগেশ্বরী উপজেলা)-এ মোট ভোটার প্রায় ৫.৬৪ লাখ, কেন্দ্র ২৩১। এখানে কিছু কেন্দ্রে ১০০% টার্নআউটের খবর এসেছে, যেখানে ভোটার উপস্থিতি ছিল না। অন্য আসনেও (চট্টগ্রাম-৩, গাইবান্ধা-৪) একই অভিযোগ। অন্যান্য গুরুতর অভিযোগ অনেক কেন্দ্রে ভোটার না থাকলেও ব্যালট বাক্স ভর্তি। প্রাক-সিল মারা ব্যালট, ভুয়া ভোট, ভোট কেনা, ভীতি প্রদর্শন। বিরোধী প্রার্থীর এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বিতাড়িত করা। প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ—নির্বাচন কমিশনের পরিবর্তে প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করেছে। সামগ্রিক টার্নআউট কম ছিল বলে দাবি, কিন্তু অফিসিয়াল ফিগারে ৫৯.৪৪% দেখানো হয়েছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ৪০% আসনে অনিয়মের কথা উল্লেখ করেছে। জামায়াত-ই-ইসলামীসহ
কয়েকটি দল ভোট গণনায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছে। নির্বাচনের ফলাফল ও প্রেক্ষাপট নির্বাচনে বিএনপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে (২০৯+ আসন), জামায়াত ৬৮, এনসিপি ৬। কুড়িগ্রাম-১-এ জামায়াতের মো. আনোয়ারুল ইসলাম জয়ী। কিন্তু বিরোধীরা (বিশেষ করে আওয়ামী লীগ) দাবি করছে, এই ফলাফল জনগণের অংশগ্রহণের পরিবর্তে “প্রশাসনিক নির্দেশে” তৈরি। মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে এই নির্বাচন “বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন”। এই নির্বাচন জনগণের বয়কটকে আড়াল করতে “সাজানো ফিকশন” বলে অভিযোগ। নির্বাচন কমিশন এই প্রহসনের দায় এড়াতে পারে না। বাংলাদেশের মানুষ এই প্রহসন প্রত্যাখ্যান করেছে—সত্যিকারের অংশগ্রহণমূলক, নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি উঠেছে। গণতন্ত্রের জন্য এটি লজ্জাজনক অধ্যায়।



