ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নৌযান-জেটি না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে মাঝ নদীতে লঞ্চে উঠছে যাত্রীরা
সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
ফেনীতে চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি কর্মীর রেস্টুরেন্ট ভাঙচুর ও অর্থ লুটপাট যুবদলকর্মীদের
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১২ কিমিজুড়ে থেমে থেমে যানজট
আইজিপির বাসায় চুরির খবর গুজব: পুলিশ সদর দপ্তর
মাইক্রোবাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে চালকসহ নিহত ৩
চাল চুরির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর ছাত্রদল নেতার হামলা!
ওসিকে পেটানোর হুমকি দেওয়া সন্ত্রাসী সাজ্জাদ গ্রেফতার
চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ও একাধিক হত্যা মামলার আসামী সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শনিবার ঢাকার বসুন্ধরা সিটি থেকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি টিম তাকে গ্রেফতার করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিএমপির ডিসি (উত্তর জোন) আমিরুল ইসলাম।
সংশ্লিষ্টরা জানান, তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সিএমপি নিশ্চিত সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদ ঢাকায় অবস্থান করছে। এরপরই সিএমপির একটি টিম ঢাকায় তাকে অনুসরণ করতে থাকে। শনিবার বিকেলে বসুন্ধরা সিটিতে শপিং করার সময় সিএমপি ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি টিম যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশের তথ্যানুসারে, ছোট সাজ্জাদ দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী প্রকৃতির ছোট সাজ্জাদ বিদেশে পলাতক ‘শিবির ক্যাডার’ হিসেবে পরিচিত আরেক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর
অনুসারী। তার বাড়ি হাটহাজারী উপজেলায়। তার বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, চাঁদাবাজির ১০টি মামলা আছে। ২০২৪ সালের ১৭ জুলাই চান্দগাঁও থানা-পুলিশ অস্ত্রসহ ছোট সাজ্জাদকে গ্রেফতার করে। পরের মাসে তিনি জামিনে বেরিয়ে আসেন। একই বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সাজ্জাদের বেপরোয়া হয়ে উঠে। গত বছরের ২৯ আগস্ট নগরের বায়েজিদ বোস্তামি থানার অক্সিজেন কুয়াইশ সড়কে প্রকাশ্যে গুলি করে মাসুদ কায়সার (৩২) ও মোহাম্মদ আনিস (৩৮) নামে দুজনকে হত্যা করা হয়। গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর নগরীর বায়েজিদ বোস্তামি থানার কালারপোল এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনে চাঁদা না পেয়ে গুলি করেন সাজ্জাদ। ওই ঘটনার একটি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এরপর ৪ ডিসেম্বর নগরীর অক্সিজেন
এলাকায় সাজ্জাদকে পুলিশ ধরতে গেলে গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে যান তিনি। সর্বশেষ গত ২৭ জানুয়ারি ডাকাতির প্রস্ততির সময় তার ছয় সহযোগীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গত ২৮ জানুয়ারি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে বায়েজিদ বোস্তামি থানার ওসিকে হুমকি দেয় সাজ্জাদ। ফেসবুক লাইভে বলে, ‘ওসি আরিফ দেশের যেখানেই থাকুক না কেন, তাকে আমি ধরে ন্যাংটা করে পেটাব। ওসি আরিফ থানায় দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আমার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সে আমার সন্তানকে হত্যা করেছে। আমার স্ত্রীকে আটক করে জেলে নিয়ে গেছে। তাকে আমি ছাড়ব না। পুলিশ না হলে তাকে অনেক আগেই মারধর করতাম। পুলিশের প্রতি শ্রদ্ধা করি বলেই চুপ
করে আছি।’ এ ঘটনায় ওসি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। সিএমপির ডিসি ( উত্তর) আমিরুল ইসলাম জানান, ছোট সাজ্জাদকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আমরা কাজ করছি। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
অনুসারী। তার বাড়ি হাটহাজারী উপজেলায়। তার বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, চাঁদাবাজির ১০টি মামলা আছে। ২০২৪ সালের ১৭ জুলাই চান্দগাঁও থানা-পুলিশ অস্ত্রসহ ছোট সাজ্জাদকে গ্রেফতার করে। পরের মাসে তিনি জামিনে বেরিয়ে আসেন। একই বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সাজ্জাদের বেপরোয়া হয়ে উঠে। গত বছরের ২৯ আগস্ট নগরের বায়েজিদ বোস্তামি থানার অক্সিজেন কুয়াইশ সড়কে প্রকাশ্যে গুলি করে মাসুদ কায়সার (৩২) ও মোহাম্মদ আনিস (৩৮) নামে দুজনকে হত্যা করা হয়। গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর নগরীর বায়েজিদ বোস্তামি থানার কালারপোল এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনে চাঁদা না পেয়ে গুলি করেন সাজ্জাদ। ওই ঘটনার একটি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এরপর ৪ ডিসেম্বর নগরীর অক্সিজেন
এলাকায় সাজ্জাদকে পুলিশ ধরতে গেলে গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে যান তিনি। সর্বশেষ গত ২৭ জানুয়ারি ডাকাতির প্রস্ততির সময় তার ছয় সহযোগীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গত ২৮ জানুয়ারি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে বায়েজিদ বোস্তামি থানার ওসিকে হুমকি দেয় সাজ্জাদ। ফেসবুক লাইভে বলে, ‘ওসি আরিফ দেশের যেখানেই থাকুক না কেন, তাকে আমি ধরে ন্যাংটা করে পেটাব। ওসি আরিফ থানায় দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আমার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সে আমার সন্তানকে হত্যা করেছে। আমার স্ত্রীকে আটক করে জেলে নিয়ে গেছে। তাকে আমি ছাড়ব না। পুলিশ না হলে তাকে অনেক আগেই মারধর করতাম। পুলিশের প্রতি শ্রদ্ধা করি বলেই চুপ
করে আছি।’ এ ঘটনায় ওসি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। সিএমপির ডিসি ( উত্তর) আমিরুল ইসলাম জানান, ছোট সাজ্জাদকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আমরা কাজ করছি। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।



