ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৭৯ জনের বিশাল লটবহর নিয়ে ইউনূসের আজারবাইজান সফরে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থব্যয়
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প সম্পর্কে অসত্য তথ্য দিচ্ছেন
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: বিচার চাইতে গিয়ে উল্টো প্রাণ বাঁচাতে পালাচ্ছেন নিহত উক্যছাইং-এর পিতা
২৪-২৫ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দের ৪৫ হাজার কোটি টাকা থেকে ইউনূস-নুরজাহান জুটির ব্যয় মাত্র ১৭%
একটি সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল, কবে থেকে মিলছে ঈদের ছুটি
অস্ট্রেলিয়ায় উগ্রবাদে জড়িত সন্দেহে বুলবুলপুত্রের বিরুদ্ধে তদন্ত: ইহুদি-খ্রিস্টান বিদ্বেষ প্রসারে আজহারির সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগ
‘হ্যাঁ’ ভোট প্রচারে ১৪২ কোটি টাকার অবৈধ ব্যয়: ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে আইনি নোটিশ
এক ডলারে ফেরত আসে ২৫ ডলার
একটি শিশুকে টিকা দিতে খরচ হয় মাত্র এক মার্কিন ডলার। কিন্তু এর বিনিময়ে সমাজ ফিরে পায় ২৫ ডলারের সমমূল্যের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সুফল। টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) এখন শুধু একটি স্বাস্থ্য প্রকল্প নয়, এটি বাংলাদেশের অন্যতম সফল বিনিয়োগ। বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বিশ্ব টিকাদান সপ্তাহÑ২০২৫ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিশেষজ্ঞরা এসব তথ্য জানান।
ইউনিসেফ বাংলাদেশ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে এবং ইপিআই-এর সহযোগিতায় আয়োজিত সভায় সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাসহ দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান বলেন, ‘আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর যে টিকার ঘাটতি দেখা দিয়েছিল, তা সফলভাবে মোকাবিলা করেছি। বাজেটে পর্যাপ্ত
বরাদ্দ রাখা হয়েছে, ইউনিসেফ আমাদের পাশে রয়েছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা ইপিআই কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে পারব।’ স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান সভায় বলেন, ‘১৯৮৫ সালে ইপিআই কভারেজ ছিল ২ শতাংশের নিচে, এখন তা দাঁড়িয়েছে ৮৩ দশমিক ৯ শতাংশে। এটি আমাদের টেকসই স্বাস্থ্য উন্নয়নের এক বড় অর্জন।’ ইউনিসেফের হেলথ ম্যানেজার ডা. রিয়াদ মাহমুদ বলেন, ‘ইপিআই একটি ‘হাই রিটার্ন’ প্রোগ্রাম। শুধু অর্থনৈতিক দিক দিয়েই নয়, সামাজিক ও স্বাস্থ্যগত দিক থেকেও এর প্রভাব ব্যাপক। ভ্যাক্সইপিআই, ই-ট্রাকার, জিআইএসভিত্তিক মাইক্রোপ্ল্যানিং এবং ই-ভিএলএমআইএসের মতো উদ্ভাবনগুলো টিকাদান ব্যবস্থাপনায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর, অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. শেখ ছাইদুল হক, যুগ্ম
সচিব ডা. শিব্বির আহমেদ ওসমানী, ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খানসহ সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভা সঞ্চালনা করেন ইউনিসেফ বাংলাদেশ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের পলিসি অ্যাডভাইজার এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম।
বরাদ্দ রাখা হয়েছে, ইউনিসেফ আমাদের পাশে রয়েছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা ইপিআই কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে পারব।’ স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান সভায় বলেন, ‘১৯৮৫ সালে ইপিআই কভারেজ ছিল ২ শতাংশের নিচে, এখন তা দাঁড়িয়েছে ৮৩ দশমিক ৯ শতাংশে। এটি আমাদের টেকসই স্বাস্থ্য উন্নয়নের এক বড় অর্জন।’ ইউনিসেফের হেলথ ম্যানেজার ডা. রিয়াদ মাহমুদ বলেন, ‘ইপিআই একটি ‘হাই রিটার্ন’ প্রোগ্রাম। শুধু অর্থনৈতিক দিক দিয়েই নয়, সামাজিক ও স্বাস্থ্যগত দিক থেকেও এর প্রভাব ব্যাপক। ভ্যাক্সইপিআই, ই-ট্রাকার, জিআইএসভিত্তিক মাইক্রোপ্ল্যানিং এবং ই-ভিএলএমআইএসের মতো উদ্ভাবনগুলো টিকাদান ব্যবস্থাপনায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর, অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. শেখ ছাইদুল হক, যুগ্ম
সচিব ডা. শিব্বির আহমেদ ওসমানী, ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খানসহ সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভা সঞ্চালনা করেন ইউনিসেফ বাংলাদেশ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের পলিসি অ্যাডভাইজার এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম।



