ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তনুর পোশাকে মিলল আরেকজনের রক্ত
মিরপুরে শাহ আলী মাজারে জঙ্গি হামলা: সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জামায়াতের তিন নেতাকর্মী গ্রেপ্তার
সুলতানুল আউলিয়া শাহ আলী বোগদাদী (রহ.) মাজারে হামলার প্রতিবাদে সারাদেশে সুন্নিপন্থীদের বিক্ষোভ মিছিল
হামে শিশু মৃত্যু ও মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির প্রতিবাদে উত্তাল রাজপথ: ইউনূস-নূরজাহানের বিচারসহ ১০ দফা দাবি
ট্রাকসহ রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্ক্র্যাপ মালামাল লুট করা এনসিপির ২ শীর্ষ নেতা গ্রেপ্তার
দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে উদ্ধার মা–মেয়ের লাশ
রাজধানীতে বিকালেই রাতের অন্ধকার
‘একাত্তরের পাক-হানাদার ও আল-শামস বাহিনীর কায়দায়’ মধ্যরাতে মহেশখালীতে রাখাইন পাড়া থেকে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার’
কক্সবাজারের মহেশখালীতে গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে মংলা'জ রাখাইন নামের রাখাইন সম্প্রদায়ের এক ছাত্রকে গ্রেফতার করেছে। সে বান্দরবান সরকারি কলেজে এইচ.এস.সি'তে অধ্যয়নরত এবং মহেশখালী পৌরসভার ০৮ নাম্বার ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি। ১৫/১৬ বছর বয়সী এই কিশোর শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তারের ধরণ নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহল তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এই অভিযানকে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, তাদের দোসর স্থানীয় আল-শামস ও আল-বদর বাহিনীর নির্মম অভিযানের সাথে তুলনা করা হচ্ছে।
‘একাত্তরের কায়দায়’ অভিযানের অভিযোগ:
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ ডিসেম্বর মধ্যরাতে মহেশখালী পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডে মংলা'জ রাখাইনের গ্রামের বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। কলেজ ছুটিতে সে পরিবারের
সাথে দেখা করতে বান্দরবান থেকে মহেশখালী এসেছিল। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, রাতের অন্ধকারের মধ্যেই বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় একটি অংশের দাবি, স্বাধীন দেশে একজন কলেজপড়ুয়া কিশোর ছাত্রকে গ্রেপ্তারের এই প্রক্রিয়া ভীতিকর। তারা অভিযোগ করে বলেন, "১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাক-মিলিটারি স্থানীয় আল-শামস ও আল-বদরদের সহযোগীতায় ঠিক এভাবেই রাতের আঁধারে রাখাইন পল্লীতে হানা দিত। সে সময় বাড়ি থেকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে গিয়ে গণহত্যা বা নির্যাতন চালানো হতো। কিশোর মংলা'জকে গ্রেপ্তারের দৃশ্য সেই ভয়াবহ স্মৃতি মনে করিয়ে দিচ্ছে।" এই গ্রেপ্তারের ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মংলা'জ রাখাইনের শুভানুধ্যায়ীদের অভিযোগ, তিনি একাধারে উপজাতি এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের
সন্তান। ভিডিও এবং পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গ্রেপ্তারের সময় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। কিশোর বয়সের একজন রাজনৈতিক কর্মীকে এভাবে ‘মিলিটারি কায়দায়’ তুলে নেওয়ার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।
সাথে দেখা করতে বান্দরবান থেকে মহেশখালী এসেছিল। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, রাতের অন্ধকারের মধ্যেই বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় একটি অংশের দাবি, স্বাধীন দেশে একজন কলেজপড়ুয়া কিশোর ছাত্রকে গ্রেপ্তারের এই প্রক্রিয়া ভীতিকর। তারা অভিযোগ করে বলেন, "১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাক-মিলিটারি স্থানীয় আল-শামস ও আল-বদরদের সহযোগীতায় ঠিক এভাবেই রাতের আঁধারে রাখাইন পল্লীতে হানা দিত। সে সময় বাড়ি থেকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে গিয়ে গণহত্যা বা নির্যাতন চালানো হতো। কিশোর মংলা'জকে গ্রেপ্তারের দৃশ্য সেই ভয়াবহ স্মৃতি মনে করিয়ে দিচ্ছে।" এই গ্রেপ্তারের ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মংলা'জ রাখাইনের শুভানুধ্যায়ীদের অভিযোগ, তিনি একাধারে উপজাতি এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের
সন্তান। ভিডিও এবং পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গ্রেপ্তারের সময় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। কিশোর বয়সের একজন রাজনৈতিক কর্মীকে এভাবে ‘মিলিটারি কায়দায়’ তুলে নেওয়ার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।



