ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাম ও উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু
পৃথিবীর কোনো দেশ আমাদের মতো দ্রুত টিকা যোগাড় করতে পারেনি, দাবি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
হাম উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
“হাম হলে আয়ু বাড়ে”—স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বেপরোয়া মন্তব্যে ক্ষোভ, নেপথ্যে ইউনূস-নুরজাহানের টিকা ব্যর্থতা ধামাচাপার চেষ্টা?
হাম ও উপসর্গে আরও ১১ শিশুর প্রাণ গেল, মোট মৃত্যু ৪০৯
আরও ১২টি পরিবার হারালো তাদের শিশু সন্তান
মৃত্যু মিছিলে চট্টগ্রাম: হাম ও নিউমোনিয়ায় বিপর্যস্ত চমেক হাসপাতাল, ৪ মাসে মৃত্যু ২৮৫ শিশুর
একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৫১৪
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাজনিত রোগ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ৫১৪ জন। তবে এই সময়ের মধ্যে কারও মৃত্যু হয়নি।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে গতকাল শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত ঢাকা মহানগরের হাসপাতালগুলোতে ১৭৫, বরিশাল বিভাগে ১১৫ জন, ঢাকা বিভাগে ১১১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৯০ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৫ জন ও রাজশাহী বিভাগে ৮ জন ভর্তি হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত ১৮৮
জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৯৬ জন পুরুষ ও ৯২ জন নারী। এ ছাড়া এই বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৪৪ হাজার ৬৯২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান জানান, ডেঙ্গু এখন সারা বছরই হচ্ছে। বৃষ্টি শুরু হলে এটা বাড়ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিরোধক ওষুধ ব্যবহারের পাশাপাশি সব জায়গায় প্রচার চালাতে হবে। একইসঙ্গে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। কীটতত্ত্ববিদ ড. মনজুর চৌধুরী বলছেন, মশানিধনে শুধু জেল-জরিমানা আর জনসচেতনতা বাড়িয়ে কাজ হবে না। সঠিকভাবে জরিপ চালিয়ে দক্ষ জনবল দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রসঙ্গত, দেশে এক বছরে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল
২০২৩ সালে। ২০২৪ সালে ১ লাখ ১ হাজার ২১১ জন, ২০২২ সালে ৬২ হাজার ৩৮২ জন, ২০২১ সালে ২৮ হাজার ৪২৯ জন, ২০২০ সালে ১৪০৫ জন এবং ২০১৯ সালে ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল।
জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৯৬ জন পুরুষ ও ৯২ জন নারী। এ ছাড়া এই বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৪৪ হাজার ৬৯২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান জানান, ডেঙ্গু এখন সারা বছরই হচ্ছে। বৃষ্টি শুরু হলে এটা বাড়ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিরোধক ওষুধ ব্যবহারের পাশাপাশি সব জায়গায় প্রচার চালাতে হবে। একইসঙ্গে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। কীটতত্ত্ববিদ ড. মনজুর চৌধুরী বলছেন, মশানিধনে শুধু জেল-জরিমানা আর জনসচেতনতা বাড়িয়ে কাজ হবে না। সঠিকভাবে জরিপ চালিয়ে দক্ষ জনবল দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রসঙ্গত, দেশে এক বছরে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল
২০২৩ সালে। ২০২৪ সালে ১ লাখ ১ হাজার ২১১ জন, ২০২২ সালে ৬২ হাজার ৩৮২ জন, ২০২১ সালে ২৮ হাজার ৪২৯ জন, ২০২০ সালে ১৪০৫ জন এবং ২০১৯ সালে ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল।



