ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
খামেনির ‘রক্তের বদলা’ নেওয়ার শপথ ইরানের
ভারতের আদালতে ১৬টি নথি জমা দিয়েও নাগরিকত্ব প্রমাণে ব্যর্থ মুসলিম ব্যক্তি
ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলের ‘প্রজনন গণহত্যা’, ১৮৮ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে উঠে এল যে ভয়াবহ তথ্য
নোটিশ ছাড়াই ভারতে ভাঙা হলো তিন মসজিদ ও মাজার
পশ্চিম তীরে ১০০ স্থানে বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা করছে দখলদার ইসরাইল
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের চেষ্টা ট্রাম্পের, যে রায় দিল মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট
পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত
ইরানে মার্কিন হামলার পর বাড়ল তেলের দাম
জ্বালানি পরিবহনে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ইরানের বন্দর আব্বাসের একটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলা চালানোর পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তাদের বাহিনী ইরানের চারটি ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করেছে, যেগুলো হরমুজ প্রণালির আশেপাশে হুমকি সৃষ্টি করছিল।
এই ঘটনার পর বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯৭ দশমিক ৮৩ ডলার হয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের (ইউএস ক্রুড) দাম ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯২ দশমিক ২২ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলার মধ্যেই হামলার এই ঘটনা ঘটল। তিন মাস ধরে চলা এই সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ
হয়ে গেছে, যা বিশ্বজুড়ে জ্বালানির খরচ বাড়িয়ে দিয়েছে। সাধারণত বিশ্বের মোট তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে বিমান হামলা চালানোর পরপরই তেহরান এই নৌপথ ব্যবহারকারী জাহাজগুলোতে হামলার হুমকি দেয়। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত শুরুর পর থেকে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম ওঠানামা করছে, যেখানে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম একপর্যায়ে বেড়ে ব্যারেল প্রতি প্রায় ১২০ ডলারে পৌঁছে। যুদ্ধ শুরুর আগে এর দাম ছিল ৭০ ডলারের কাছাকাছি। হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার জন্য শিগগিরই একটি চুক্তি হতে পারে—এমন আশার ওপর ভিত্তি করে চলতি সপ্তাহে তেলের দাম অনেকটাই কমে আসে। তবে গত তিনদিনের
মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র, যার প্রভাব পড়েছ তেলের দামে। ওয়াশিংটনের অবশ্য দাবি করেছ, আত্মরক্ষার্থে তারা হামলা চালাচ্ছে।
হয়ে গেছে, যা বিশ্বজুড়ে জ্বালানির খরচ বাড়িয়ে দিয়েছে। সাধারণত বিশ্বের মোট তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে বিমান হামলা চালানোর পরপরই তেহরান এই নৌপথ ব্যবহারকারী জাহাজগুলোতে হামলার হুমকি দেয়। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত শুরুর পর থেকে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম ওঠানামা করছে, যেখানে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম একপর্যায়ে বেড়ে ব্যারেল প্রতি প্রায় ১২০ ডলারে পৌঁছে। যুদ্ধ শুরুর আগে এর দাম ছিল ৭০ ডলারের কাছাকাছি। হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার জন্য শিগগিরই একটি চুক্তি হতে পারে—এমন আশার ওপর ভিত্তি করে চলতি সপ্তাহে তেলের দাম অনেকটাই কমে আসে। তবে গত তিনদিনের
মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র, যার প্রভাব পড়েছ তেলের দামে। ওয়াশিংটনের অবশ্য দাবি করেছ, আত্মরক্ষার্থে তারা হামলা চালাচ্ছে।



