ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রকে হরমুজ অবরোধ তুলে নিতে চাপ দিচ্ছে সৌদি
দক্ষিণ লেবাননে বহু ইসরায়েলি সেনা হতাহত
পত্রিকাটি ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ ও ‘ভুয়া খবর’ পরিবেশনকারী: ট্রাম্প
নেতানিয়াহুর ভয়ে পোস্ট ডিলিট করলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী!
অর্থোডক্স ইস্টার উপলক্ষে রাশিয়া–ইউক্রেনের সাময়িক যুদ্ধবিরতি
ইরান ইস্যুতে চীনকে হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প
উপযুক্ত সময়ে ইরানকে ‘খতম’ করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
ইরাকে মার্কিনী নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানে হামলার শঙ্কা
ইরাকে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি করেছে বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস। ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রতিষ্ঠান এবং মার্কিন নাগরিকদের লক্ষ্য করে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে দূতাবাস।
এক বিবৃতিতে দূতাবাস জানায়, “আমরা ইরাকে অবস্থানরত সকল মার্কিন নাগরিককে বিদেশিদের ঘন ঘন যাতায়াত করা স্থান এবং বড় জমায়েত এড়িয়ে চলার আহ্বান জানাচ্ছি।”
এই সতর্কতা এমন এক সময়ে এলো যখন ইরাকি কিছু নাগরিক এবং রাজনৈতিক কর্মীরা আজ সন্ধ্যায় বাগদাদের গ্রিন জোনে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন। উল্লেখ্য, গ্রিন জোনে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন বিদেশি দূতাবাস ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারী দপ্তর অবস্থিত। বিক্ষোভকারীদের দাবি, বাগদাদ থেকে মার্কিন দূতাবাস বন্ধ করে তাদের কূটনৈতিক কর্মীদের দেশত্যাগ
নিশ্চিত করতে হবে। এদিকে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়েই নিরাপত্তা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই উত্তেজনার প্রভাব ইরাকের মতো দেশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, বাগদাদের নিরাপত্তা বাহিনী গ্রিন জোনের চারপাশে নজরদারি বৃদ্ধি করেছে এবং বিক্ষোভ মোকাবিলায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মার্কিন দূতাবাসের বিবৃতিতে মার্কিন নাগরিকদের সব ধরনের ভ্রমণ সতর্কতা মেনে চলা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নিশ্চিত করতে হবে। এদিকে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়েই নিরাপত্তা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই উত্তেজনার প্রভাব ইরাকের মতো দেশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, বাগদাদের নিরাপত্তা বাহিনী গ্রিন জোনের চারপাশে নজরদারি বৃদ্ধি করেছে এবং বিক্ষোভ মোকাবিলায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মার্কিন দূতাবাসের বিবৃতিতে মার্কিন নাগরিকদের সব ধরনের ভ্রমণ সতর্কতা মেনে চলা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।



