ইউনুসের অপশাসনে দেশ, আইনের শাসনের বদলে মববাজির রাজত্ব – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬

আরও খবর

বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার?

কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার!

অপারেশন ক্লিনহার্ট ২.০: মব সন্ত্রাস থামবে, নাকি কেবল স্লোগানেই সীমাবদ্ধ থাকবে?

স্বাধীনতার মাসে যুদ্ধাপরাধীদের নামে শোক প্রস্তাব, সংসদ কলুষিত করল বিএনপি-জামায়াত

“রাজনীতি ভদ্রলোকদের খেলা, স্কাউন্ড্রেলদের নয়” – মাহবুব কামাল

‘পিঠের চামড়া থাকবে না’: ফাঁস হওয়া ফোনালাপে টাঙ্গাইলের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারকে বিএনপি নেতার চরম হুমকি

স্বাধীনতার বজ্রঘোষণায় পাকিস্তানিদের গণহত্যা ভেদ করেই জেগে ওঠে বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ

ইউনুসের অপশাসনে দেশ, আইনের শাসনের বদলে মববাজির রাজত্ব

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ |
আজকের রাষ্ট্রবাস্তবতায় “অপশাসন” ও “মববাজি” আর আলাদা কোনো ধারণা নয়; বরং একে অপরের পরিপূরক হয়ে উঠেছে। ইউনুসের নেতৃত্বে যে শাসনচিত্র ক্রমে স্পষ্ট হচ্ছে, তা গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও নাগরিক নিরাপত্তা থেকে সরে গিয়ে জনতার নামে পরিচালিত বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে। যুক্তি ও আইনের পরিবর্তে এখানে ক্রমেই মুখ্য হয়ে উঠছে মবের রায়। রাষ্ট্র যখন তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তখন সেই শূন্যস্থান দখল করে মব। ইউনুসের অপশাসনে এই ব্যর্থতাই প্রকটভাবে দৃশ্যমান। প্রশাসনের নীরবতা, কখনো কখনো পক্ষপাতিত্ব মবকে কার্যত বৈধতা দিচ্ছে। ফলে সাধারণ নাগরিক আজ রাষ্ট্রের কাছে নিরাপত্তা খুঁজে পায় না সে আশ্রয় নেয় ক্ষমতাবান গোষ্ঠীর ছায়ায়। এটি কেবল

রাজনৈতিক সংকট নয়, বরং গভীর সামাজিক অবক্ষয়ের লক্ষণ। মববাজি কখনোই জনরায় নয় এটি সংঘবদ্ধ ভয়ের বহিঃপ্রকাশ। এই ভয়কে প্রশ্রয় দেওয়া মানে রাষ্ট্র নিজেই তার সাংবিধানিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানো। ইউনুসের শাসনামলে সেই সরে দাঁড়ানোর দৃশ্য বারবার দেখা যাচ্ছে যেখানে অন্যায় ঘটে প্রকাশ্যে, আর ন্যায়বিচার আড়ালে হারিয়ে যায়। এতে আইন শুধু বইয়ে বন্দি থাকে, বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যায় না। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় অপশাসন দীর্ঘস্থায়ী হয় না। মবের উপর দাঁড়িয়ে কোনো রাষ্ট্র স্থিতিশীল থাকতে পারে না। আজ যারা এই বিশৃঙ্খলাকে উৎসব মনে করছে, আগামীকাল তারাই এর প্রথম শিকার হবে। কারণ মবের কোনো বিবেক নেই, কোনো দায় নেই সে কেবল ধ্বংস করতে জানে। এই

অচলাবস্থা থেকে মুক্তির একমাত্র পথ হলো আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা, নৈতিক নেতৃত্বের উত্থান এবং মানবিক রাষ্ট্রচিন্তার বাস্তব প্রয়োগ। নইলে অপশাসন ও মববাজির এই যুগলবন্দি দেশকে আরও গভীর অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেবে যেখান থেকে ফিরে আসা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার? How Long Will People Remain Imprisoned Without Trial? কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার! বিএনপির চাঁদাবাজ সন্ত্রাসে আবারও রক্তাক্ত সংখ্যালঘু পরিবার—যশোরে চাঁদা না দেওয়ায় গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম! The International Crimes Tribunal Has Turned into a Machine for Illicit Money অপারেশন ক্লিনহার্ট ২.০: মব সন্ত্রাস থামবে, নাকি কেবল স্লোগানেই সীমাবদ্ধ থাকবে? স্বাধীনতার মাসে যুদ্ধাপরাধীদের নামে শোক প্রস্তাব, সংসদ কলুষিত করল বিএনপি-জামায়াত বিএনপি ও জামায়াত ভেতরে ভেতরে এক, মাঠে তারা কৃত্রিম দ্বন্দ্ব দেখাচ্ছে।” শামীম হায়দার পাটোয়ারী, মহাসচিব, জাতীয় পার্টি। “রাজনীতি ভদ্রলোকদের খেলা, স্কাউন্ড্রেলদের নয়” – মাহবুব কামাল ‘পিঠের চামড়া থাকবে না’: ফাঁস হওয়া ফোনালাপে টাঙ্গাইলের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারকে বিএনপি নেতার চরম হুমকি স্বাধীনতার বজ্রঘোষণায় পাকিস্তানিদের গণহত্যা ভেদ করেই জেগে ওঠে বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি জাতি: মুক্তিকামী জনতার একচ্ছত্র কমান্ড ও স্বাধীনতার পদধ্বনি রাজারবাগ ও পিলখানা—প্রথম প্রতিরোধের অগ্নিশিখা ও রক্তক্ষয়ী রাত শেখ হাসিনার আমলে ভারতের সঙ্গে তৈরি সেই পাইপলাইনই এখন বিএনপির ভরসা বাংলাদেশ, তুমি কোথায় যাচ্ছ?: ‘৭১ এর ঘাতক, ২০২৬ এর শহীদ! চুকনগর গণহত্যা ১৯৭১ঃ ৪ ঘন্টায় প্রায় ২০ হাজার মানুষকে হত্যা করে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ইরান যুদ্ধে অংশ নিতে রওনা দিয়েছে ২,৫০০ মার্কিন স্থলসেনা ইরাকে মার্কিন দূতাবাসে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মোজতবা খামেনিকে ধরিয়ে দিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা আরও কমলো স্বর্ণের দাম