আ’লীগ ও শেখ হাসিনার হাতেই জব্দ ছিলো জামায়াত – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১২ এপ্রিল, ২০২৬

আ’লীগ ও শেখ হাসিনার হাতেই জব্দ ছিলো জামায়াত

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১২ এপ্রিল, ২০২৬ |
বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূর্য যখন উদিত হয়েছিল, তখন যারা এই মাটির বিরোধিতা করেছিল এবং যারা পরবর্তী সময়ে রাজনীতির মঞ্চে আবির্ভূত হয়ে একাত্তরের গৌরবকে কলঙ্কিত করেছে। সেই জামায়াত ইসলামীর আসল রূপ আজ জাতির সামনে উন্মোচিত। জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের বক্তব্যে এটি আবারও প্রমাণিত হলো যে, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনা ধারণকারী একমাত্র রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। রোববার ঢাকার কাকরাইলে জুলাই শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় জামায়াত আমির শফিকুর রহমান বিএনপির অস্তিত্ব নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, বিএনপি এখন গর্ব করে বলে একাত্তরও তাদের, নব্বইও তাদের; আর কারো কিছু

নাই। একাত্তরে তো বিএনপির জন্মই হয়নি; একাত্তর তাদের হয় কীভাবে। জামায়াত আমিরের এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়েছে যে, যারা আজ ক্ষমতার অংশীদার হওয়ার স্বপ্নে বিভোর এবং রাজাকারের সাথে হাত মিলিয়ে সংসদ গড়েছে, সেই বিএনপির কাছে একাত্তর কেবল একটি সস্তা রাজনৈতিক হাতিয়ার ছাড়া আর কিছুই নয়। অথচ শেখ হাসিনার শাসনামলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ছিল সুরক্ষিত এবং প্রতিটি শহীদের স্মৃতি ছিল অম্লান। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা যতদিন রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিলেন, এদেশ থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে দেওয়ার সব অপচেষ্টা তিনি শক্ত হাতে প্রতিহত করেছেন। ১৯৭১ সালে পরাজিত শক্তি এবং তাদের বংশধররা গত ৫ আগস্টের পর থেকে দেশের বুক থেকে মুক্তিযুদ্ধের সব স্মৃতি মুছে ফেলার যে হীন

চেষ্টা চালাচ্ছে, তার বিরুদ্ধে শেখ হাসিনাই ছিলেন একমাত্র ঢাল। তিনি কেবল প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নন, একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক হিসেবে ধর্মবাদ, উগ্রতা এবং মৌলবাদকে প্রশ্রয় দেননি। তাঁর শাসনামলে মানুষ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ হিসেবেই পরিচয় পেত। রাজাকারের বিচার সম্পন্ন করে তিনি জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করেছিলেন। যা আজ পরাজিত শক্তির আস্ফালনে আবারও হুমকির মুখে। বর্তমানে জামায়াতের মতো স্বঘোষিত রাজাকারদের সাথে নিয়ে বিএনপির যে রাজনীতি, তা শহীদদের রক্তের সাথে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল। জামায়াত আমির তাঁর বক্তব্যে নির্বাচন ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ এবং ড. ইউনূসের ভূমিকার সমালোচনা করলেও, মূলত এই অস্থিরতার সুযোগে দেশ এখন মৌলবাদের অভয়ারণ্যে পরিণত হতে চলেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এদেশকে আবারও সঠিক পথে ফেরাতে এবং মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে উদ্ভাসিত করতে হলে শেখ

হাসিনার বিকল্প নেই। তাঁর গতিশীল নেতৃত্বই পারে রাজাকার-মুক্ত এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ নিশ্চিত করতে। যারা একাত্তরের অস্তিত্ব মানে না এবং যারা রাজাকারের সাথে গাঁটছড়া বাঁধে, তাদের হাতে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কখনোই নিরাপদ হতে পারে না। যে ফিনিক্স পাখির মতো বারবার মৃত্যু দুয়ার থেকে ফিরে এসেছেন শেখ হাসিনা, আজ তাঁর অভাব প্রতিটি পদে পদে অনুভূত হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সুরক্ষা এবং বাংলাদেশকে বিশ্বদরবারে একটি আধুনিক ও প্রগতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে টিকিয়ে রাখতে হলে শেখ হাসিনার আদর্শের জয় অনিবার্য।#া বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূর্য যখন উদিত হয়েছিল, তখন যারা এই মাটির বিরোধিতা করেছিল এবং যারা পরবর্তী সময়ে রাজনীতির মঞ্চে আবির্ভূত হয়ে একাত্তরের গৌরবকে কলঙ্কিত করেছে। সেই জামায়াত ইসলামীর আসল রূপ

আজ জাতির সামনে উন্মোচিত। জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের বক্তব্যে এটি আবারও প্রমাণিত হলো যে, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনা ধারণকারী একমাত্র রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। রোববার ঢাকার কাকরাইলে জুলাই শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় জামায়াত আমির শফিকুর রহমান বিএনপির অস্তিত্ব নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, বিএনপি এখন গর্ব করে বলে একাত্তরও তাদের, নব্বইও তাদের; আর কারো কিছু নাই। একাত্তরে তো বিএনপির জন্মই হয়নি; একাত্তর তাদের হয় কীভাবে। জামায়াত আমিরের এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়েছে যে, যারা আজ ক্ষমতার অংশীদার হওয়ার স্বপ্নে বিভোর এবং রাজাকারের সাথে হাত

মিলিয়ে সংসদ গড়েছে, সেই বিএনপির কাছে একাত্তর কেবল একটি সস্তা রাজনৈতিক হাতিয়ার ছাড়া আর কিছুই নয়। অথচ শেখ হাসিনার শাসনামলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ছিল সুরক্ষিত এবং প্রতিটি শহীদের স্মৃতি ছিল অম্লান। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা যতদিন রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিলেন, এদেশ থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে দেওয়ার সব অপচেষ্টা তিনি শক্ত হাতে প্রতিহত করেছেন। ১৯৭১ সালে পরাজিত শক্তি এবং তাদের বংশধররা গত ৫ আগস্টের পর থেকে দেশের বুক থেকে মুক্তিযুদ্ধের সব স্মৃতি মুছে ফেলার যে হীন চেষ্টা চালাচ্ছে, তার বিরুদ্ধে শেখ হাসিনাই ছিলেন একমাত্র ঢাল। তিনি কেবল প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নন, একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক হিসেবে ধর্মবাদ, উগ্রতা এবং মৌলবাদকে প্রশ্রয় দেননি। তাঁর শাসনামলে মানুষ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ

হিসেবেই পরিচয় পেত। রাজাকারের বিচার সম্পন্ন করে তিনি জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করেছিলেন। যা আজ পরাজিত শক্তির আস্ফালনে আবারও হুমকির মুখে। বর্তমানে জামায়াতের মতো স্বঘোষিত রাজাকারদের সাথে নিয়ে বিএনপির যে রাজনীতি, তা শহীদদের রক্তের সাথে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল। জামায়াত আমির তাঁর বক্তব্যে নির্বাচন ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ এবং ড. ইউনূসের ভূমিকার সমালোচনা করলেও, মূলত এই অস্থিরতার সুযোগে দেশ এখন মৌলবাদের অভয়ারণ্যে পরিণত হতে চলেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এদেশকে আবারও সঠিক পথে ফেরাতে এবং মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে উদ্ভাসিত করতে হলে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। তাঁর গতিশীল নেতৃত্বই পারে রাজাকার-মুক্ত এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ নিশ্চিত করতে। যারা একাত্তরের অস্তিত্ব মানে না এবং যারা রাজাকারের সাথে গাঁটছড়া বাঁধে, তাদের হাতে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কখনোই নিরাপদ হতে পারে না। যে ফিনিক্স পাখির মতো বারবার মৃত্যু দুয়ার থেকে ফিরে এসেছেন শেখ হাসিনা, আজ তাঁর অভাব প্রতিটি পদে পদে অনুভূত হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সুরক্ষা এবং বাংলাদেশকে বিশ্বদরবারে একটি আধুনিক ও প্রগতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে টিকিয়ে রাখতে হলে শেখ হাসিনার আদর্শের জয় অনিবার্য।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের ম্যাচ অফিশিয়াল যারা পদোন্নতি পেলেন চাকরি হারানো সেই পুলিশ কর্মকর্তা উপযুক্ত সময়ে ইরানকে ‘খতম’ করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প শান্তি আলোচনা ভেস্তে গেলে ‘প্রত্যেক দেশই ক্ষতিগ্রস্ত’ হবে: শামা ওবায়েদ চাইলে এক দিনেই ইরানকে ধ্বংস করতে পারি: ট্রাম্প যুবলীগ নেতার সাজা কমাতে অনুরোধ চিফ প্রসিকিউটরের ছেঁড়া নোট বদলে না দিলে শাস্তি ইরান যুদ্ধে আর্থিক ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ করল ইসরাইল কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ১০ হাজার কিলোমিটার দৌড়ে বিশ্বরেকর্ড! বাংলাদেশি সিনেমার যেসব গানে কণ্ঠ দিয়েছিলেন আশা ভোসলে আ’লীগ ও শেখ হাসিনার হাতেই জব্দ ছিলো জামায়াত মার্কিন অর্থায়নে শেখ হাসিনার সরকারের পতন: নথিতে মিলল ৩২৫ মিলিয়ন ডলারের ভাগীদারদের হদিস কুষ্টিয়ায় পীর হত্যায় নিন্দা, জড়িতদের বিচারের দাবি ‘মাকাম’-এর অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়ে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি নির্দেশনা শেখ হাসিনার সরকার পতনে গোপন ভূমিকায় সেনাবাহিনী ও ডিজিএফআই-এর যেসকল কর্মকর্তা মব সংস্কৃতির জন্মদাতা ও পৃষ্ঠপোষক মবের বিরুদ্ধেই সোচ্চার! কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্ত সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী ‘এখন খুঁজলেও আর ভিক্ষুক পাওয়া যায় না’, জানালেন বিএনপির এমপি বাবুল ‘মুখে ঘুষির’ ধাক্কা সামলে আর্সেনালকে ঘুরে দাঁড়ানোর তাগিদ আর্তেতার