ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের
ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে?
বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে?
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের
ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৯
আফগানিস্তান-পাকিস্তানের ওপর নজর রাখছেন জাতিসংঘ মহাসচিব
জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় চলমান সংঘর্ষের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তার মুখপাত্র স্টেফান দুজারিকের মাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি উভয় দেশকে আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক আইনের প্রতি কঠোরভাবে শ্রদ্ধাশীল থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে গুতেরেস বলেন, সীমান্তে সংঘর্ষের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা এখন সবচেয়ে জরুরি। তিনি উভয় পক্ষকে অবিলম্বে উত্তেজনা হ্রাস করে সংলাপের পথে ফিরে আসার আহ্বান জানান।
সাম্প্রতিক সময়ে আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তে ড্রোন হামলা, গোলাগুলি ও অন্যান্য সংঘর্ষের ঘটনা বেড়েছে। এসব ঘটনায় বেসামরিক নাগরিকসহ উভয় পক্ষের সেনা সদস্য নিহত ও আহত হয়েছেন। কিন্তু বৃহস্পতিবারের (২৬ ফেব্রুয়ারি) পাল্টাপাল্টি হামলা সব মাত্রা ছাড়িয়ে
গেছে। জাতিসংঘ মহাসচিবের এই বিবৃতি এই সংঘাতকে নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রচেষ্টাকে আরও জোরদার করার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এদিকে, আফগানিস্তানের তালেবান কর্তৃপক্ষ ও পাকিস্তান সরকার উভয়ই একে অপরকে সীমান্ত অস্থিরতার জন্য দায়ী করছে। জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যদি সংঘাত আরও বাড়তে থাকে তাহলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও মানবিক সংকট আরও গভীর হতে পারে।
গেছে। জাতিসংঘ মহাসচিবের এই বিবৃতি এই সংঘাতকে নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রচেষ্টাকে আরও জোরদার করার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এদিকে, আফগানিস্তানের তালেবান কর্তৃপক্ষ ও পাকিস্তান সরকার উভয়ই একে অপরকে সীমান্ত অস্থিরতার জন্য দায়ী করছে। জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যদি সংঘাত আরও বাড়তে থাকে তাহলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও মানবিক সংকট আরও গভীর হতে পারে।



