ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘খালেদা জিয়া ১ টাকা রেখে পুরো বেতন এতিমখানায় দান করে দিতেন’, জানালেন প্রেস সচিব
আগস্টেই রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎ যুক্ত হবে জাতীয় গ্রিডে, জানালেন মন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী: দায়িত্বে পেয়েও পরিকল্পনার অনেক কিছুই বাস্তবায়ন করতে পারেননি আসিফ নজরুল
বাংলাদেশে আইনজীবীদের ওপর নিপীড়ন ও গণতান্ত্রিক অধিকারে হস্তক্ষেপ, বিশ্বের ১৬টি আইনজীবী সংস্থার নিন্দা-উদ্বেগ
নড়াইলে জুলাই যোদ্ধাদের হত্যায় পুরস্কার ঘোষণা, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের দাবি ‘সাজানো’ নাটক
“আজকের এই ককটেল বিষ্ফোরণ, বোমা বিস্ফোরণ প্রশাসনের সহযোগিতায় হয়েছে”- নাহিদ ইসলাম
বছরে ৫ হাজার কোটি টাকার গ্যাস চুরি
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বর্জনের ডাক আওয়ামী লীগের
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন বর্জনের জন্য দলীয় নেতাকর্মী ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। দলটি আসন্ন এই নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ ও ‘জাতির সঙ্গে তামাশা’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
আজ রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানায় দলটি।
বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ অভিযোগ করেছে, বিশাল জনগোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে জনগণের অর্থায়নে নির্বাচন নামক যে ‘নাটক’ মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে, তা নিছক ধোঁকা ও প্রতারণা। প্রতারণাপূর্ণ এই নির্বাচনকে দলটি ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় কোষাগারের অর্থ অপচয় করে, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিজেদের মতো ব্যবহার করে এবং জনগণের ওপর দমন-পীড়ন চালিয়ে এই নির্বাচন আয়োজন করা হচ্ছে। একে ‘একপেশে ও
সমঝোতার নির্বাচন’ উল্লেখ করে দলটি দাবি করেছে, এই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের মতামত প্রতিফলিত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ইতিমধ্যে বিভিন্ন পরিসরে এই নির্বাচন প্রত্যাখ্যাত হয়েছে দাবি করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রবাসীরা ও কারাবন্দীরা প্রায় সবাই ভোট দান থেকে বিরত থেকেছেন। ভোটাধিকার হরণ করে আয়োজিত এই নির্বাচন বাংলাদেশকে গভীর সংকটে নিয়ে যাবে বলে মনে করে আওয়ামী লীগ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘একজন দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে আমরা কেউই এই নির্বাচনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে দেশকে খাদের কিনারায় ঠেলে দিতে পারি না। এই নির্বাচনে আপনার ভোট প্রদান আগামীর সংকটের জন্য দায়ী। অন্তত ভোট বর্জন করে নিজেকে সে দায় থেকে মুক্ত রাখুন।’ দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও দেশপ্রেমিক নাগরিকদের প্রতি
আহ্বান জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘আপনারা এই শঠতা ও কপটতাপূর্ণ একপেশে নির্বাচনে ভোট বর্জনের মাধ্যমে গণতন্ত্র হত্যা ও জনগণের অর্থে পরিচালিত এই প্রহসনের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ ও দৃঢ় প্রতিবাদ জানান। আপনার আজকের এই প্রতিবাদই আগামীর বাংলাদেশকে পথ দেখাবে, সংকট থেকে মুক্ত করবে।’
সমঝোতার নির্বাচন’ উল্লেখ করে দলটি দাবি করেছে, এই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের মতামত প্রতিফলিত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ইতিমধ্যে বিভিন্ন পরিসরে এই নির্বাচন প্রত্যাখ্যাত হয়েছে দাবি করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রবাসীরা ও কারাবন্দীরা প্রায় সবাই ভোট দান থেকে বিরত থেকেছেন। ভোটাধিকার হরণ করে আয়োজিত এই নির্বাচন বাংলাদেশকে গভীর সংকটে নিয়ে যাবে বলে মনে করে আওয়ামী লীগ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘একজন দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে আমরা কেউই এই নির্বাচনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে দেশকে খাদের কিনারায় ঠেলে দিতে পারি না। এই নির্বাচনে আপনার ভোট প্রদান আগামীর সংকটের জন্য দায়ী। অন্তত ভোট বর্জন করে নিজেকে সে দায় থেকে মুক্ত রাখুন।’ দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও দেশপ্রেমিক নাগরিকদের প্রতি
আহ্বান জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘আপনারা এই শঠতা ও কপটতাপূর্ণ একপেশে নির্বাচনে ভোট বর্জনের মাধ্যমে গণতন্ত্র হত্যা ও জনগণের অর্থে পরিচালিত এই প্রহসনের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ ও দৃঢ় প্রতিবাদ জানান। আপনার আজকের এই প্রতিবাদই আগামীর বাংলাদেশকে পথ দেখাবে, সংকট থেকে মুক্ত করবে।’



