ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেখ হাসিনার চিন্তা এত শক্তিশালী যে শত্রুরাও তা হুবহু নকল করে
‘১৫ বছর কী স্বার্থে কেন চুপ ছিলেন?’—ইকবাল করিম ভূঁইয়াকে খোলা চিঠিতে প্রশ্ন
ভোট ব্যাংক দখলে জামায়াতের ভয়ংকর নীলনকশা: ৯ আসনে সাড়ে ৪ লাখ ‘বহিরাগত’ ভোটার অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ
‘জুলাই সনদের আড়ালে এলজিবিটি ও পশ্চিমা এজেন্ডা?’—না ভোটের ডাক দিয়ে আসিফ মাহতাবের সতর্কবার্তা
‘নির্যাতিত’ যুবলীগ কর্মী রিয়াদের আর্তনাদ: ‘আগামী প্রজন্ম ও দেশকে বাঁচাতে পাতানো নির্বাচন বর্জন করুন’
ণভোট, এপস্টিন, ডিপি ওয়ার্ল্ড, সোমালিল্যান্ড ও গণহত্যা*
‘অবৈধ’ নির্বাচন বর্জন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ভোটের ডাক গোলাম রাব্বানীর
‘আওয়ামী লীগ সরকারের ভুল হয়েছে, তবে একপাক্ষিক ক্ষমা কেন চাইবে’: বিবিসিকে সজীব ওয়াজেদ জয়
জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং তাঁর তৎকালীন আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্বীকার করেছেন যে, আন্দোলন দমনে আওয়ামী লীগ সরকারের ভুল ছিল। তবে একইসাথে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ৫ আগস্টের পর পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হত্যার বিচার না করে উল্টো ইনডেমনিটি দেওয়া হলে, আওয়ামী লীগ কেন একপাক্ষিক ক্ষমা চাইবে।
সাক্ষাৎকারে সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ প্রশ্ন করেন, জুলাই অভ্যুত্থানে হত্যা ও মৃত্যুর ঘটনায় আওয়ামী লীগ অনুতপ্ত কিনা এবং তারা ক্ষমা চাইবে কিনা। এর জবাবে জয় বলেন, ‘‘ক্ষমা চাইলে কি তারা সবকিছু ছেড়ে দিবে? সেটা তো
না। আওয়ামী লীগ সরকারের ভুল হয়েছে, সেটা আমরা সবসময় বলে এসেছি। শুরুর দিকে আন্দোলনের ভুল হয়েছে, পরেও ভুল হয়েছে।’’ সজীব ওয়াজেদ জয় দাবি করেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনা কেবল একপাক্ষিক ছিল না। তিনি বলেন, ‘‘হত্যা তো শুধু ছাত্র এবং সাধারণ জনতার হয়নি; পুলিশের হত্যা হয়েছে, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী হত্যা হয়েছে।’’ তিনি উল্লেখ করেন যে, ৫ আগস্টের আগেই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব হত্যাকাণ্ডের তদন্তে একটি জুডিশিয়াল কমিশন গঠন করেছিলেন। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সমালোচনা করে জয় বলেন, ৫ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের জন্য বর্তমান ইউনুস সরকার ইনডেমনিটি (দায়মুক্তি) দিয়েছে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘‘আপনি এক হাতে বলছেন আওয়ামী লীগের ক্ষমা চাইতে
হবে, অন্য হাতে বলছেন যারা পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী হত্যা করেছে, তাদের সব খুন মাফ। সেটা কিভাবে হয়?’’ সবশেষে তিনি মন্তব্য করেন, যদি একপক্ষের বিচারের পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়, তবে এই পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের ক্ষমা চাওয়ার কোনো যৌক্তিকতা তিনি দেখেন না।
না। আওয়ামী লীগ সরকারের ভুল হয়েছে, সেটা আমরা সবসময় বলে এসেছি। শুরুর দিকে আন্দোলনের ভুল হয়েছে, পরেও ভুল হয়েছে।’’ সজীব ওয়াজেদ জয় দাবি করেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনা কেবল একপাক্ষিক ছিল না। তিনি বলেন, ‘‘হত্যা তো শুধু ছাত্র এবং সাধারণ জনতার হয়নি; পুলিশের হত্যা হয়েছে, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী হত্যা হয়েছে।’’ তিনি উল্লেখ করেন যে, ৫ আগস্টের আগেই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব হত্যাকাণ্ডের তদন্তে একটি জুডিশিয়াল কমিশন গঠন করেছিলেন। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সমালোচনা করে জয় বলেন, ৫ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের জন্য বর্তমান ইউনুস সরকার ইনডেমনিটি (দায়মুক্তি) দিয়েছে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘‘আপনি এক হাতে বলছেন আওয়ামী লীগের ক্ষমা চাইতে
হবে, অন্য হাতে বলছেন যারা পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী হত্যা করেছে, তাদের সব খুন মাফ। সেটা কিভাবে হয়?’’ সবশেষে তিনি মন্তব্য করেন, যদি একপক্ষের বিচারের পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়, তবে এই পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের ক্ষমা চাওয়ার কোনো যৌক্তিকতা তিনি দেখেন না।



