ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘শেখ হাসিনাকে ফেরতের বিষয়টি বিবেচনা করছে ভারত’
১৭ই এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা অর্জনের এক স্মৃতি বিজড়িত দিন
আওয়ামী লীগ নেতাদের মুক্তিতে প্রথম আলোর জোরালো অবস্থান
অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তাকে জুলাই-আগস্টে ঢাকায় হত্যাকাণ্ড বাড়ানোর নির্দেশ দেয় কে?
সেনা জেনারেলদের গভীর রাতের বৈঠকই শেখ হাসিনার সরকারের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়
ইউনূস আমলে এলএনজি ক্রয়ে দুর্নীতি ৮৫৫ মিলিয়ন ডলার; জুন পর্যন্ত এলএনজি-সার কিনতে দরকার অতিরিক্ত ২.৬১ বিলিয়ন ডলার
মুজিবনগর দিবসে কোনো কর্মসূচি রাখেনি বিএনপির সরকার;স্মৃতিসৌধে মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা
আওয়ামী লীগ মাঠে নেই, তাই নির্বাচন ‘প্রতিদ্বন্দ্বীতাহীন’: মেজর হাফিজ
আসন্ন নির্বাচনকে ‘প্রতিদ্বন্দ্বীতাহীন’ উল্লেখ করে বিএনপি নেতা ও মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, বর্তমান পুলিশ বাহিনী দিয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। একইসঙ্গে তিনি সংসদে উচ্চকক্ষ গঠনের ধারণাকে বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে ‘বিলাসিতা’ বলে অভিহিত করেছেন।
সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে দেশের সমসাময়িক রাজনীতি, নির্বাচন এবং রাষ্ট্রীয় সংস্কার নিয়ে কথা বলার সময় তিনি এসব মন্তব্য করেন।
নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে মেজর হাফিজ বলেন, এবারের নির্বাচনকে তার কাছে ‘প্রতিদ্বন্দ্বীতাহীন’ মনে হচ্ছে। তিনি বলেন, “আগে প্রার্থীরা সবাই সবাইকে চিনত, এখন আমি প্রার্থীকেই চিনি না। মাঠে আওয়ামী লীগ না থাকায় নতুন নতুন পার্টি ও ব্যক্তিত্ব গজিয়েছে, যারা মনে করছে এখানে একটা সুযোগ আছে।”
সংসদে
উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাবের কড়া সমালোচনা করেন এই প্রবীণ রাজনীতিবিদ। তিনি বলেন, “উচ্চকক্ষ বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য একটি বিলাসিতা এবং এর কোনো প্রয়োজন নেই। যারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে এমপি হওয়ার সক্ষমতা রাখে না, তারাই মূলত উচ্চকক্ষ চায়। এক লাখ ভোট পেলেই যেখানে এমপি হওয়া যায়, সেখানে এই দলের ৯০ শতাংশের পক্ষে সাধারণ নির্বাচনে অংশ নিয়ে এমপি হওয়া সম্ভব না।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের বর্তমান ৩০০ এমপিরই আন্তর্জাতিক মান নেই। এর মধ্যে আরও ১০০ জন ‘চাটনি’ দিয়ে দেশের কোনো কল্যাণ হবে বলে আমি মনে করি না।” বর্তমান পুলিশ বাহিনীকে ‘অকর্মণ্য’ আখ্যা দিয়ে মেজর হাফিজ বলেন, “দেড় বছর সময় পেলে আমি ৪০ হাজার লোকের
একটি সলিড পুলিশ বাহিনী তৈরি করে দিতাম। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভালো, অরাজনৈতিক ও নিরপেক্ষ ছেলে-মেয়েদের রিক্রুট করে ৬ মাসের ট্রেনিং দিলেই দক্ষ বাহিনী গড়ে তোলা সম্ভব।” তিনি বর্তমান পুলিশ সদস্যদের ‘শেখ হাসিনার পুলিশ’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, “এদের গুলিতে জনতা পুড়ে মরেছে। এদের দিয়ে নির্বাচনের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা হবে কি না, তা নিয়ে আমি সন্দিহান। বরং এদের বাড়ি পাঠিয়ে সেই অর্থ দিয়েই নতুনদের নিয়োগ দেওয়া উচিত।” নির্বাচনে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তৎপরতার কারণে সহিংসতার আশঙ্কা প্রকাশ করেন মেজর হাফিজ। গোপালগঞ্জের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, সেখানে প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ ভিন্ন। তবে এতকিছুর পরেও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বার্থে নির্বাচন প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন,
“জনগণ মনে করে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। তবে আমার ধারণা, নির্বাচন মোটামুটি সুষ্ঠু হবে এবং একটি দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে। ‘নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো’—এই নীতিতে নির্বাচনটি হওয়া দরকার। হয়তো পরবর্তী নির্বাচনে আমরা আরও ভালো গণতান্ত্রিক পরিবেশ পাব।”
উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাবের কড়া সমালোচনা করেন এই প্রবীণ রাজনীতিবিদ। তিনি বলেন, “উচ্চকক্ষ বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য একটি বিলাসিতা এবং এর কোনো প্রয়োজন নেই। যারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে এমপি হওয়ার সক্ষমতা রাখে না, তারাই মূলত উচ্চকক্ষ চায়। এক লাখ ভোট পেলেই যেখানে এমপি হওয়া যায়, সেখানে এই দলের ৯০ শতাংশের পক্ষে সাধারণ নির্বাচনে অংশ নিয়ে এমপি হওয়া সম্ভব না।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের বর্তমান ৩০০ এমপিরই আন্তর্জাতিক মান নেই। এর মধ্যে আরও ১০০ জন ‘চাটনি’ দিয়ে দেশের কোনো কল্যাণ হবে বলে আমি মনে করি না।” বর্তমান পুলিশ বাহিনীকে ‘অকর্মণ্য’ আখ্যা দিয়ে মেজর হাফিজ বলেন, “দেড় বছর সময় পেলে আমি ৪০ হাজার লোকের
একটি সলিড পুলিশ বাহিনী তৈরি করে দিতাম। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভালো, অরাজনৈতিক ও নিরপেক্ষ ছেলে-মেয়েদের রিক্রুট করে ৬ মাসের ট্রেনিং দিলেই দক্ষ বাহিনী গড়ে তোলা সম্ভব।” তিনি বর্তমান পুলিশ সদস্যদের ‘শেখ হাসিনার পুলিশ’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, “এদের গুলিতে জনতা পুড়ে মরেছে। এদের দিয়ে নির্বাচনের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা হবে কি না, তা নিয়ে আমি সন্দিহান। বরং এদের বাড়ি পাঠিয়ে সেই অর্থ দিয়েই নতুনদের নিয়োগ দেওয়া উচিত।” নির্বাচনে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তৎপরতার কারণে সহিংসতার আশঙ্কা প্রকাশ করেন মেজর হাফিজ। গোপালগঞ্জের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, সেখানে প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ ভিন্ন। তবে এতকিছুর পরেও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বার্থে নির্বাচন প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন,
“জনগণ মনে করে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। তবে আমার ধারণা, নির্বাচন মোটামুটি সুষ্ঠু হবে এবং একটি দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে। ‘নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো’—এই নীতিতে নির্বাচনটি হওয়া দরকার। হয়তো পরবর্তী নির্বাচনে আমরা আরও ভালো গণতান্ত্রিক পরিবেশ পাব।”



