ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘শেখ হাসিনাকে ফেরতের বিষয়টি বিবেচনা করছে ভারত’
১৭ই এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা অর্জনের এক স্মৃতি বিজড়িত দিন
আওয়ামী লীগ নেতাদের মুক্তিতে প্রথম আলোর জোরালো অবস্থান
অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তাকে জুলাই-আগস্টে ঢাকায় হত্যাকাণ্ড বাড়ানোর নির্দেশ দেয় কে?
সেনা জেনারেলদের গভীর রাতের বৈঠকই শেখ হাসিনার সরকারের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়
ইউনূস আমলে এলএনজি ক্রয়ে দুর্নীতি ৮৫৫ মিলিয়ন ডলার; জুন পর্যন্ত এলএনজি-সার কিনতে দরকার অতিরিক্ত ২.৬১ বিলিয়ন ডলার
মুজিবনগর দিবসে কোনো কর্মসূচি রাখেনি বিএনপির সরকার;স্মৃতিসৌধে মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা
অসুস্থতা ও ‘মিথ্যা’ মামলা: ১ বছরের বেশি কারাগারে শামসুন্নাহার হল ছাত্রলীগ সভাপতি, জামিন মিলছে না
পায়ের লিগামেন্ট ছেঁড়া, চলাচলে অক্ষমতা এবং সুনির্দিষ্ট মেডিকেল রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়ার পরও দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে কারাগারে দিন কাটাচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি খাদিজা আক্তার ঊর্মি। পরিবারের অভিযোগ, জুলাই আন্দোলনের অনেক আগেই তিনি আহত হয়ে শয্যাশায়ী ছিলেন, অথচ তাকে সহিংসতা ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আসামি করা হয়েছে।
শুধু জামিন না পাওয়া নয়, ঢাকার বাসিন্দা বা মামলার ঘটনাস্থল ঢাকায় হওয়া সত্ত্বেও তাকে পাঠানো হয়েছে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে। বরিশাল থেকে বয়োবৃদ্ধ বাবা-মায়ের পক্ষে সেখানে গিয়ে মেয়ের সঙ্গে দেখা করা এক প্রকার অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন ও আইনজীবীরা বলছেন, বিচার প্রক্রিয়া চলাকালীন অসুস্থ নারীকে এভাবে দূরবর্তী জেলে রাখা
এবং যথাযথ চিকিৎসা না দেওয়া মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে কোটা সংস্কার আন্দোলন যখন তুঙ্গে, তার বেশ কিছুদিন আগেই খাদিজা ঊর্মির বাঁ পায়ের লিগামেন্ট ছিঁড়ে যায়। এ সংক্রান্ত এমআরআই রিপোর্ট এবং চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। ঊর্মির আইনজীবীর দাবি, ‘যিনি নিজের পায়ে দাঁড়াতেই পারছিলেন না, তিনি কীভাবে রাজপথে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালাবেন? মামলার এজাহারে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের চেয়ে রাজনৈতিক পরিচয়কেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। আমরা বার বার আদালতকে তার শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়েছি, কিন্তু জামিন মিলছে না।’ সাধারণত ঢাকার মামলায় নারীদের কাশিমপুর মহিলা কারাগারে রাখা হয়। কিন্তু খাদিজা ঊর্মিকে রাখা হয়েছে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে। ঊর্মির গ্রামের বাড়ি বরিশালে। সেখান
থেকে কিশোরগঞ্জের দূরত্ব এবং যাতায়াত ব্যবস্থা তার পরিবারের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঊর্মির পরিবারের এক সদস্য বলেন, ‘এটা শুধু আটক রাখা নয়, এটা একটা মানসিক নির্যাতন। আমাদের বাড়ি বরিশাল, মেয়ে ঢাকায় পড়াশোনা করত। তাকে পাঠানো হলো কিশোরগঞ্জে। আমরা বয়স্ক মানুষ, চাইলেও গিয়ে দেখা করতে পারি না। মনে হচ্ছে, তাকে শাস্তি দেওয়ার জন্যই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।’ শুধু খাদিজা ঊর্মি নন, কারাগারে থাকা ছাত্রলীগের একাধিক নেতা-কর্মীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাদের সঙ্গে ‘অমানবিক’ আচরণের অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাত্রনেতার অভিভাবক জানান, ডিটেনশনের নামে বন্দিদের ২৪ ঘণ্টা একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখা হচ্ছে। জেলকোড অনুযায়ী ফোনে কথা বলার
সুযোগ থাকার কথা থাকলেও তাদের ক্ষেত্রে তা মানা হচ্ছে না। মাসের পর মাস পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ বন্ধ রাখা হয়েছে। মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, কোনো বন্দিকে দীর্ঘসময় যোগাযোগবিচ্ছিন্ন বা ‘আইসোলেশনে’ রাখা হলে তা মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের পরিপন্থী। ২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর রাজধানীর উত্তরা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) খাদিজা আক্তার ঊর্মিকে গ্রেফতার করে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে শাহবাগ থানায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাবন্দি। তৎকালীন সময়ে ছাত্রলীগের অনেক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধেই মামলা হয়েছে। তবে ঊর্মির ক্ষেত্রে ‘অসুস্থতা’ এবং ‘ঘটনাস্থলে অনুপস্থিতির প্রমাণ’ থাকার পরও দীর্ঘ কারাবাস নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তার সহপাঠী
ও আইনজীবীরা। এ বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, ‘উচ্চ মহলের নির্দেশ এবং নিরাপত্তার স্বার্থে অনেক সময় বন্দিদের বিভিন্ন কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ সঠিক নয়, জেল কোড অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’ তবে পরিবারের দাবি, জেলের ভেতর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পেয়ে ঊর্মির পায়ের অবস্থা দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে। তারা অবিলম্বে খাদিজা ঊর্মি সহ সকল রাজবন্দীর নিঃশর্ত মুক্তি এবং সুচিকিৎসার দাবি জানিয়েছেন।
এবং যথাযথ চিকিৎসা না দেওয়া মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে কোটা সংস্কার আন্দোলন যখন তুঙ্গে, তার বেশ কিছুদিন আগেই খাদিজা ঊর্মির বাঁ পায়ের লিগামেন্ট ছিঁড়ে যায়। এ সংক্রান্ত এমআরআই রিপোর্ট এবং চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। ঊর্মির আইনজীবীর দাবি, ‘যিনি নিজের পায়ে দাঁড়াতেই পারছিলেন না, তিনি কীভাবে রাজপথে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালাবেন? মামলার এজাহারে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের চেয়ে রাজনৈতিক পরিচয়কেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। আমরা বার বার আদালতকে তার শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়েছি, কিন্তু জামিন মিলছে না।’ সাধারণত ঢাকার মামলায় নারীদের কাশিমপুর মহিলা কারাগারে রাখা হয়। কিন্তু খাদিজা ঊর্মিকে রাখা হয়েছে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে। ঊর্মির গ্রামের বাড়ি বরিশালে। সেখান
থেকে কিশোরগঞ্জের দূরত্ব এবং যাতায়াত ব্যবস্থা তার পরিবারের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঊর্মির পরিবারের এক সদস্য বলেন, ‘এটা শুধু আটক রাখা নয়, এটা একটা মানসিক নির্যাতন। আমাদের বাড়ি বরিশাল, মেয়ে ঢাকায় পড়াশোনা করত। তাকে পাঠানো হলো কিশোরগঞ্জে। আমরা বয়স্ক মানুষ, চাইলেও গিয়ে দেখা করতে পারি না। মনে হচ্ছে, তাকে শাস্তি দেওয়ার জন্যই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।’ শুধু খাদিজা ঊর্মি নন, কারাগারে থাকা ছাত্রলীগের একাধিক নেতা-কর্মীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাদের সঙ্গে ‘অমানবিক’ আচরণের অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাত্রনেতার অভিভাবক জানান, ডিটেনশনের নামে বন্দিদের ২৪ ঘণ্টা একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখা হচ্ছে। জেলকোড অনুযায়ী ফোনে কথা বলার
সুযোগ থাকার কথা থাকলেও তাদের ক্ষেত্রে তা মানা হচ্ছে না। মাসের পর মাস পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ বন্ধ রাখা হয়েছে। মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, কোনো বন্দিকে দীর্ঘসময় যোগাযোগবিচ্ছিন্ন বা ‘আইসোলেশনে’ রাখা হলে তা মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের পরিপন্থী। ২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর রাজধানীর উত্তরা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) খাদিজা আক্তার ঊর্মিকে গ্রেফতার করে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে শাহবাগ থানায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাবন্দি। তৎকালীন সময়ে ছাত্রলীগের অনেক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধেই মামলা হয়েছে। তবে ঊর্মির ক্ষেত্রে ‘অসুস্থতা’ এবং ‘ঘটনাস্থলে অনুপস্থিতির প্রমাণ’ থাকার পরও দীর্ঘ কারাবাস নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তার সহপাঠী
ও আইনজীবীরা। এ বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, ‘উচ্চ মহলের নির্দেশ এবং নিরাপত্তার স্বার্থে অনেক সময় বন্দিদের বিভিন্ন কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ সঠিক নয়, জেল কোড অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’ তবে পরিবারের দাবি, জেলের ভেতর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পেয়ে ঊর্মির পায়ের অবস্থা দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে। তারা অবিলম্বে খাদিজা ঊর্মি সহ সকল রাজবন্দীর নিঃশর্ত মুক্তি এবং সুচিকিৎসার দাবি জানিয়েছেন।



