ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কুড়িগ্রাম-১ এ ভোটার নেই, তবু ভোট ১০০% পূর্ণ
শপথ নিয়ে নতুন মেটিকুলাস ডিজাইন, সাংবিধানিক সঙ্কটের আশঙ্কা
সমঝোতা না হওয়ায় ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তথ্য ফাঁস করলেন নাহিদ
যুধিষ্ঠির কে? : উপদেষ্টা রেজওয়ানা বনাম আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ
ভোট নিয়ে ইউনূসের জালিয়াতি ফাঁস করে দিল টিআইবি
২.২৬ লক্ষ কোটি ঋণ নিয়ে শূন্য উন্নয়ন : বাংলাদেশকে পঙ্গু করে দিয়ে যাওয়া ইউনূসের কীর্তি
রংপুরে ড. ওয়াজেদ মিয়ার ৮৪তম জন্মবার্ষিকীতে যুবলীগের শ্রদ্ধা
অপরাধীদের বিচার ও বাকিদের সুযোগ—আওয়ামী লীগ নিয়ে ‘রিকনসিলিয়েশন’-এর প্রস্তাব বিএনপি নেতার
ক্ষমতার পালাবদলে আওয়ামী লীগের পতন হলেও দলটিকে দেশের অন্যতম বড় শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে তাদের ভবিষ্যৎ রাজনীতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা মো. রাশেদ খান। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগের মধ্যে যারা অপরাধী তাদের বিচার হওয়া উচিত, কিন্তু যারা কোনো অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, তাদের ‘রিকনসিলিয়েশন’ বা সমঝোতার মাধ্যমে রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন।
সম্প্রতি একুশে টেলিভিশনের টকশো ‘একুশের রাত’-এ অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খান আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আওয়ামী লীগের মতো একটি বড় দলকে যদি রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করে রাখা হয় এবং তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালাতে না দেওয়া হয়, তবে তারা ‘আন্ডারগ্রাউন্ড’ বা গোপন তৎপরতায় লিপ্ত
হতে পারে। তিনি বলেন, “সারা জীবন তো আপনি এভাবে রাখতে পারবেন না। অন্যথায় এই পুরো শক্তি যদি আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যায়, সেক্ষেত্রে দেশের জন্য ক্ষতি হবে। আওয়ামী লীগ একটি আন্ডারগ্রাউন্ড পার্টি হয়ে যাক, সেটি কেউ চায় না।” অনুষ্ঠানে তিনি ‘ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন’ গঠনের ওপর জোর দেন। রাশেদ খান স্পষ্ট করেন যে, তিনি ঢালাওভাবে সবার পুনর্বাসনের কথা বলছেন না। তার ভাষ্যমতে, “যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, যারা অন্যায় করেছে তাদের বিচার করেন। আর যারা অপরাধ করে নাই, তাদের রিকনসিলিয়েশনের মাধ্যমে রাজনীতি করার সুযোগ দেন।” সাম্প্রতিক নির্বাচনের প্রেক্ষাপট টেনে বিএনপি এই নেতা বলেন, আওয়ামী লীগ যদি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেত, তবে তারা জামায়াতে ইসলামীর
চেয়ে বেশি আসন পেত। তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের ব্যাপারে মানুষের যে নেতিবাচক ধারণা ছিল, নির্বাচনের পরে তা কিছুটা পরিবর্তিত হয়েছে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ধারণা করা হয়েছিল আওয়ামী লীগ নির্বাচন বানচালের জন্য জ্বালাও-পোড়াও করবে, কিন্তু তারা সেটি করেনি বা করার সুযোগ পায়নি। দেশের রাজনৈতিক শূন্যতা ও সংকট কাটাতে এই ‘রিকনসিলিয়েশন’ প্রক্রিয়া জরুরি বলে মনে করেন মো. রাশেদ খান। তিনি বলেন, বিএনপি ও আওয়ামী লীগ দেশের দুটি বড় দল এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার স্বার্থেই প্রতিটি দলের উচিত অন্য দলের নির্দোষ নেতাকর্মীদের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া।
হতে পারে। তিনি বলেন, “সারা জীবন তো আপনি এভাবে রাখতে পারবেন না। অন্যথায় এই পুরো শক্তি যদি আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যায়, সেক্ষেত্রে দেশের জন্য ক্ষতি হবে। আওয়ামী লীগ একটি আন্ডারগ্রাউন্ড পার্টি হয়ে যাক, সেটি কেউ চায় না।” অনুষ্ঠানে তিনি ‘ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন’ গঠনের ওপর জোর দেন। রাশেদ খান স্পষ্ট করেন যে, তিনি ঢালাওভাবে সবার পুনর্বাসনের কথা বলছেন না। তার ভাষ্যমতে, “যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, যারা অন্যায় করেছে তাদের বিচার করেন। আর যারা অপরাধ করে নাই, তাদের রিকনসিলিয়েশনের মাধ্যমে রাজনীতি করার সুযোগ দেন।” সাম্প্রতিক নির্বাচনের প্রেক্ষাপট টেনে বিএনপি এই নেতা বলেন, আওয়ামী লীগ যদি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেত, তবে তারা জামায়াতে ইসলামীর
চেয়ে বেশি আসন পেত। তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের ব্যাপারে মানুষের যে নেতিবাচক ধারণা ছিল, নির্বাচনের পরে তা কিছুটা পরিবর্তিত হয়েছে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ধারণা করা হয়েছিল আওয়ামী লীগ নির্বাচন বানচালের জন্য জ্বালাও-পোড়াও করবে, কিন্তু তারা সেটি করেনি বা করার সুযোগ পায়নি। দেশের রাজনৈতিক শূন্যতা ও সংকট কাটাতে এই ‘রিকনসিলিয়েশন’ প্রক্রিয়া জরুরি বলে মনে করেন মো. রাশেদ খান। তিনি বলেন, বিএনপি ও আওয়ামী লীগ দেশের দুটি বড় দল এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার স্বার্থেই প্রতিটি দলের উচিত অন্য দলের নির্দোষ নেতাকর্মীদের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া।



