ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভোট কেন্দ্র নাকি চোরের মেলা? বোঝা বড্ড দায়; একের পর এক সিল মারতে থাকা ভোটচোর ক্যামেরা দেখেই দিলেন চম্পট!
সমঝোতা না হওয়ায় ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তথ্য ফাঁস করলেন নাহিদ
যার পদত্যাগ একদিন দাবি করেছিল বিএনপি, আজ তাকেই মন্ত্রিসভায় বসানো হয়েছে।
গণমাধ্যমে অস্থিতিশীলতা ও নিয়ন্ত্রণ: চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ‘সিন্ডিকেট’ তৈরির অভিযোগ
ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের দানবের হাতেই পতন হবে’—মব ও ইউনূস সরকার নিয়ে গোলাম মাওলা রনি
তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় খলিলুর রহমান ‘ডিপ স্টেটের’ চাপে, আলী রিয়াজ ও জামায়াতের কঠোর সমালোচনায় অ্যাডভোকেট মহসিন রশীদ
গাদ্দাফির সেই ভবিষ্যৎবাণী, লিবিয়ার স্বর্ণযুগ এবং এক করুণ ট্র্যাজেডি: ইতিহাসের পাতায় একটি রক্তাক্ত অধ্যায়
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিলুপ্তির একদিন পরই সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম চাকরি পেয়ে গেছেন
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিলুপ্তির একদিন পরই সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম চাকরি পেয়ে গেছেন। চাকরি পেয়ে গেছেন তৎকালীন উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার। তাদের চাকরি পাওয়ার তথ্য প্রায় সবগুলো গণমাধ্যমে এসেছে।
সংবাদ দেখে অনেকের মনে হচ্ছে সরকারি দায়িত্ব শেষে একদিনও বেকার থাকেননি এই দুজন। তাদেরকে চাকরি খুঁজতে হয়নি, বরং চাকরি তাদেরকে খুঁজে নিয়েছে। চাকরির তথ্য ও গণমাধ্যমের শিরোনাম যেন বলছিল তেমন কথাই।
শফিকুল আলমের বক্তব্যে জানা গেছে তার নতুন কর্মক্ষেত্রের নাম। ইংরেজি দৈনিক ‘ওয়াদা’ তাদের নতুন ঠিকানা। ডেইলি ওয়াদা এই নাম এই প্রথম শুনলাম আমি, অনেকেই হয়তো শুনেছেন প্রথম। বস্তুত এই নামে বাজারে কোন মিডিয়ার অস্তিত্ব এখন পর্যন্ত নেই।
অনেকের কাছ থেকে জানলাম এমজিএইচ গ্রুপের মালিকানায় নাকি এই পত্রিকা বেরুবে। বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখলাম এর প্রধান কার্যালয় সিঙ্গাপুর। গ্লোবাল সিইও আনিস আহমেদ গোর্কি, তিনি বাংলাদেশি। তাদের বিবিধ ব্যবসা আছে বাংলাদেশে। ব্যবসা থাকাটা দোষের কিছু নয়। বাংলাদেশের মিডিয়ার মালিকানা কোন ব্যবসায়ীর এটাও নতুন নয়। তবে বিপত্তি অন্য জায়গায়। এমজিএইচ গ্রুপের সিইও আনিস আহমেদ গোর্কি বিলুপ্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে দুর্নীতির মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। তার বিরুদ্ধে দায়ের দুর্নীতির মামলা প্রত্যাহার করে নিয়েছিল ইউনূসের ইন্তেরিম। শফিকুল-আজাদ নতুন যে পত্রিকার নাম তাদের কর্মক্ষেত্র হিসেবে বলছেন, এটা সেই ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন। ওই মামলা প্রত্যাহারের সঙ্গে তৎকালীন সরকারের লেনদেন কি এখানে ছিল—এ প্রশ্নটা
তাই স্বাভাবিকভাবেই করছি। ইংরেজি দৈনিক নিউ এইজ পত্রিকার ১৬ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল: “এমজিএইচ গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আনিস আহমেদ গোর্কির বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মামলা মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর ২০২৪) সরকার প্রত্যাহার করে নিয়েছে। ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আশ-শামস জগলুল হোসেন মামলা প্রত্যাহারের এই আদেশ প্রদান করেন। ১৩৬ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আনিস আহমেদের বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করেছিল। দুদক জানিয়েছে, তদন্ত চলাকালীন অভিযুক্ত ব্যক্তি তার সম্পদের মধ্যে ১১৮.৮০ কোটি টাকার গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। দুদক আরও উল্লেখ করেছে যে, এই মামলাটি
চালিয়ে যাওয়ার মতো পর্যাপ্ত কোনো তথ্য-প্রমাণ আনিস আহমেদের বিরুদ্ধে পাওয়া যায়নি।” আনিস আহমেদ গোর্কির বিরুদ্ধে মামলার যে তথ্য সেটা বিভিন্ন সময়ের গণমাধ্যমে পাওয়া যায়। “এমজিএইচ গ্রুপের সিইও আনিস আহমেদের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট অনুমোদন” শিরোনামে বাংলা ট্রিবিউনে অনলাইনে ২৫ মার্চ ২০২৪ তারিখে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়: “অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এমজিএইচ গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আনিস আহমেদ গোর্কির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (২৫ মার্চ) বিকালে কমিশনের এক বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদক সচিব খোরশেদা ইয়াসমিন। দুদক সচিব জানান, ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর ১৩৬ কোটি ২ লাখ ৭৭ হাজার ৪০০ টাকার জ্ঞাত আয়
বহির্ভূত সম্পদের অভিযোগ এনে মামলাটি দায়ের করেছিলেন দুদকের উপ-পরিচালক সৈয়দ নজরুল ইসলাম। দীর্ঘ তদন্ত শেষে তিনি কমিশনের নিকট প্রতিবেদন দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে কমিশন চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছেন। অভিযোগপত্রে বলা হয়, এমজিএইচ গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আনিস আহমেদ গোর্কির বিরুদ্ধে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যক্তি স্বার্থে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য অসাধু উপায়ে অর্জিত ১৩৬ কোটি ২ লাখ ৭৭ হাজার ৪০০ টাকা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও নিজ ভোগ দখলে রেখেছেন। এ সম্পদ হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তর করায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়। তদন্তে এ টাকার বিপরীতে এমজিএইচ গ্রুপের অধীন বিভিন্ন কোম্পানি থেকে আয়, সি ফ্রেইট
বিজনেস ও আউটসোর্সিং সফটওয়্যার সাবস্ক্রিপশন ফি থেকে মোট ১১৮ কোটি ৮০ লাখ ৬ হাজার ৬২১ টাকার গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া যায়। বাকি ১৭ কোটি ২২ লাখ ৭০ হাজার ৭৭৯ টাকার বৈধ কোনও উৎস পাওয়া যায়নি। আনিস আহমেদ অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যক্তি স্বার্থে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য অসাধু উপায়ে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও নিজ ভোগ দখলে রাখায় দুদক আইন ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেওয়া হয়।” আনিস আহমেদ গোর্কির বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার দুর্নীতির মামলা প্রত্যাহার করেছিল মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার (বিলুপ্ত)। এই মামলা প্রত্যাহার প্রক্রিয়া কি বিধিসম্মত ছিল, এই মামলা প্রত্যাহারের সঙ্গে কি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার
কার্যালয় জড়িত ছিল—প্রশ্নগুলো করা এখন সংগত, কারণ সরকারের বিলুপ্তির সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তারা যখন সেই ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠা করতে বসছেন! এমজিএইচ গ্রুপ শফিকুল-আজাদের ‘ডেইলি ওয়াদা’ পত্রিকার মালিক হোক বা না হোক, আনিস আহমেদ গোর্কির দুর্নীতির মামলা প্রত্যাহারে কোন দুর্নীতি হয়েছিল কিনা, এবং দুর্নীতি হলে অধুনাবিলুপ্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কে কে জড়িত—এসব বের হওয়া জরুরি।
অনেকের কাছ থেকে জানলাম এমজিএইচ গ্রুপের মালিকানায় নাকি এই পত্রিকা বেরুবে। বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখলাম এর প্রধান কার্যালয় সিঙ্গাপুর। গ্লোবাল সিইও আনিস আহমেদ গোর্কি, তিনি বাংলাদেশি। তাদের বিবিধ ব্যবসা আছে বাংলাদেশে। ব্যবসা থাকাটা দোষের কিছু নয়। বাংলাদেশের মিডিয়ার মালিকানা কোন ব্যবসায়ীর এটাও নতুন নয়। তবে বিপত্তি অন্য জায়গায়। এমজিএইচ গ্রুপের সিইও আনিস আহমেদ গোর্কি বিলুপ্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে দুর্নীতির মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। তার বিরুদ্ধে দায়ের দুর্নীতির মামলা প্রত্যাহার করে নিয়েছিল ইউনূসের ইন্তেরিম। শফিকুল-আজাদ নতুন যে পত্রিকার নাম তাদের কর্মক্ষেত্র হিসেবে বলছেন, এটা সেই ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন। ওই মামলা প্রত্যাহারের সঙ্গে তৎকালীন সরকারের লেনদেন কি এখানে ছিল—এ প্রশ্নটা
তাই স্বাভাবিকভাবেই করছি। ইংরেজি দৈনিক নিউ এইজ পত্রিকার ১৬ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল: “এমজিএইচ গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আনিস আহমেদ গোর্কির বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মামলা মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর ২০২৪) সরকার প্রত্যাহার করে নিয়েছে। ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আশ-শামস জগলুল হোসেন মামলা প্রত্যাহারের এই আদেশ প্রদান করেন। ১৩৬ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আনিস আহমেদের বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করেছিল। দুদক জানিয়েছে, তদন্ত চলাকালীন অভিযুক্ত ব্যক্তি তার সম্পদের মধ্যে ১১৮.৮০ কোটি টাকার গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। দুদক আরও উল্লেখ করেছে যে, এই মামলাটি
চালিয়ে যাওয়ার মতো পর্যাপ্ত কোনো তথ্য-প্রমাণ আনিস আহমেদের বিরুদ্ধে পাওয়া যায়নি।” আনিস আহমেদ গোর্কির বিরুদ্ধে মামলার যে তথ্য সেটা বিভিন্ন সময়ের গণমাধ্যমে পাওয়া যায়। “এমজিএইচ গ্রুপের সিইও আনিস আহমেদের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট অনুমোদন” শিরোনামে বাংলা ট্রিবিউনে অনলাইনে ২৫ মার্চ ২০২৪ তারিখে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়: “অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এমজিএইচ গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আনিস আহমেদ গোর্কির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (২৫ মার্চ) বিকালে কমিশনের এক বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদক সচিব খোরশেদা ইয়াসমিন। দুদক সচিব জানান, ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর ১৩৬ কোটি ২ লাখ ৭৭ হাজার ৪০০ টাকার জ্ঞাত আয়
বহির্ভূত সম্পদের অভিযোগ এনে মামলাটি দায়ের করেছিলেন দুদকের উপ-পরিচালক সৈয়দ নজরুল ইসলাম। দীর্ঘ তদন্ত শেষে তিনি কমিশনের নিকট প্রতিবেদন দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে কমিশন চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছেন। অভিযোগপত্রে বলা হয়, এমজিএইচ গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আনিস আহমেদ গোর্কির বিরুদ্ধে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যক্তি স্বার্থে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য অসাধু উপায়ে অর্জিত ১৩৬ কোটি ২ লাখ ৭৭ হাজার ৪০০ টাকা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও নিজ ভোগ দখলে রেখেছেন। এ সম্পদ হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তর করায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়। তদন্তে এ টাকার বিপরীতে এমজিএইচ গ্রুপের অধীন বিভিন্ন কোম্পানি থেকে আয়, সি ফ্রেইট
বিজনেস ও আউটসোর্সিং সফটওয়্যার সাবস্ক্রিপশন ফি থেকে মোট ১১৮ কোটি ৮০ লাখ ৬ হাজার ৬২১ টাকার গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া যায়। বাকি ১৭ কোটি ২২ লাখ ৭০ হাজার ৭৭৯ টাকার বৈধ কোনও উৎস পাওয়া যায়নি। আনিস আহমেদ অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যক্তি স্বার্থে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য অসাধু উপায়ে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও নিজ ভোগ দখলে রাখায় দুদক আইন ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেওয়া হয়।” আনিস আহমেদ গোর্কির বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার দুর্নীতির মামলা প্রত্যাহার করেছিল মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার (বিলুপ্ত)। এই মামলা প্রত্যাহার প্রক্রিয়া কি বিধিসম্মত ছিল, এই মামলা প্রত্যাহারের সঙ্গে কি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার
কার্যালয় জড়িত ছিল—প্রশ্নগুলো করা এখন সংগত, কারণ সরকারের বিলুপ্তির সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তারা যখন সেই ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠা করতে বসছেন! এমজিএইচ গ্রুপ শফিকুল-আজাদের ‘ডেইলি ওয়াদা’ পত্রিকার মালিক হোক বা না হোক, আনিস আহমেদ গোর্কির দুর্নীতির মামলা প্রত্যাহারে কোন দুর্নীতি হয়েছিল কিনা, এবং দুর্নীতি হলে অধুনাবিলুপ্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কে কে জড়িত—এসব বের হওয়া জরুরি।



