ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ৮
“কসম কেটে বলছি, খুব নার্ভাস হয়ে গেছি, দুর্বল হয়ে পড়েছি”, বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও সাত শিশুর, মোট মৃত্যু ৬২০
শিশু মৃত্যুর ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে ইউনূস-নুরজাহানের বিচারের দাবিতে জনবিক্ষোভ
ঢাকা দক্ষিণের ৬০ শতাংশ বাড়িতে ডেঙ্গুর লার্ভা
ঢাকা দক্ষিণের ২৭টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুর চরম ঝুঁকিতে
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি
অন্তঃসত্ত্বাদের ঈদযাত্রায় সতর্কতা
ঈদের ছুটিতে সবাই চায় নগরজীবন থেকে মুক্ত হয়ে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরতে। এমনকি অনেক অন্তঃসত্ত্বা ঈদে প্রিয়জনের সান্নিধ্য পেতে বাড়ির উদ্দেশে যাত্রা করেন। তবে এই যাত্রা যদি দীর্ঘমেয়াদি ও সময়সাপেক্ষ হয়, তাহলে সেটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই যেসব অন্তঃসত্ত্বা ঈদযাত্রার চিন্তা করছেন, তাদের কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি।
যাত্রা করার উপযুক্ত সময়: গর্ভাবস্থায় চার থেকে সাত মাস পর্যন্ত যাত্রা করা সাধারণত নিরাপদ। গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাস অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাই গর্ভধারণের প্রথম তিন মাস যে কোনো ধরনের দূরের বা কাছের যাত্রা না করাই শ্রেয়। একইভাবে গর্ভাবস্থায় সপ্তম মাসের মধ্যে দূরের যাত্রায় না যাওয়া শ্রেয়। এ সময়টাতে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে।
যে কোনো সময় প্রসব ব্যথা উঠতে পারে অথবা অন্যান্য জটিলতা দেখা দিতে পারে। দূরের যাত্রায় করণীয়: দূরের যাত্রার ক্ষেত্রে চেষ্টা করতে হবে অন্তঃসত্ত্বারা যেন সর্বোচ্চ আরামদায়কভাবে ভ্রমণ করতে পারেন। যানবাহনের ক্ষেত্রে বাসের তুলনায় ট্রেন অপেক্ষাকৃত নিরাপদ। যাত্রার সময় যদি দীর্ঘ হয়, তাহলে অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য শোয়ার ব্যবস্থা করতে পারলে ভালো হয়। যাত্রাপথে অন্তঃসত্ত্বারা যেন পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশুদ্ধ পানি পান করতে পারেন, সে ব্যবস্থাও রাখতে হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের শুকনা খাবার এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ ফলমূল খাওয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে। একটানা ছয় থেকে সাত ঘণ্টার জার্নি এড়িয়ে চলা ভালো। যাত্রা দীর্ঘ সময়ের হলে পুরো সময় বসে না থেকে সুযোগ পেলে মাঝেমধ্যে হাঁটাহাঁটি করা যেতে পারে।
চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ও ওষুধ সবসময় সঙ্গে রাখতে হবে। পর্যাপ্ত বিশ্রামের ব্যবস্থা থাকতে হবে। বাচ্চার নাড়াচাড়া যেন পর্যাপ্ত হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। যে কোনো ধরনের বাইরের খোলা খাবার পরিহার করতে হবে। যাত্রাপথে ঘরের তৈরি খাবার সবসময় সঙ্গে রাখতে হবে। গাড়িতে ভ্রমণের ক্ষেত্রে অবশ্যই সিটবেল্ট সঠিকভাবে বাঁধতে হবে। তবে সিটবেল্ট যেন পেটের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি না করে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হব। অতিরিক্ত ঝাঁকুনি লাগতে পারে, এমন যানবাহনে ভ্রমণ করা উচিত নয়। ভ্রমণের সময় একাধিকবার বাথরুম ব্যবহারের প্রয়োজন হতে পারে, বিষয়টি মাথায় রেখে যানবাহন নির্বাচন করতে হবে। ভ্রমণের সময় আরামদায়ক পোশাক পরতে হবে। সর্বোপরি, মা এবং শিশু যেন সুস্থ থাকে, সে বিষয়ে
পরিবারের সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে এবং সহযোগিতা করতে হবে। ডা. সানিয়া সুলতানা গাইনি বিশেষজ্ঞ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চেম্বার: আলোক হেলথকেয়ার, মিরপুর
যে কোনো সময় প্রসব ব্যথা উঠতে পারে অথবা অন্যান্য জটিলতা দেখা দিতে পারে। দূরের যাত্রায় করণীয়: দূরের যাত্রার ক্ষেত্রে চেষ্টা করতে হবে অন্তঃসত্ত্বারা যেন সর্বোচ্চ আরামদায়কভাবে ভ্রমণ করতে পারেন। যানবাহনের ক্ষেত্রে বাসের তুলনায় ট্রেন অপেক্ষাকৃত নিরাপদ। যাত্রার সময় যদি দীর্ঘ হয়, তাহলে অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য শোয়ার ব্যবস্থা করতে পারলে ভালো হয়। যাত্রাপথে অন্তঃসত্ত্বারা যেন পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশুদ্ধ পানি পান করতে পারেন, সে ব্যবস্থাও রাখতে হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের শুকনা খাবার এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ ফলমূল খাওয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে। একটানা ছয় থেকে সাত ঘণ্টার জার্নি এড়িয়ে চলা ভালো। যাত্রা দীর্ঘ সময়ের হলে পুরো সময় বসে না থেকে সুযোগ পেলে মাঝেমধ্যে হাঁটাহাঁটি করা যেতে পারে।
চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ও ওষুধ সবসময় সঙ্গে রাখতে হবে। পর্যাপ্ত বিশ্রামের ব্যবস্থা থাকতে হবে। বাচ্চার নাড়াচাড়া যেন পর্যাপ্ত হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। যে কোনো ধরনের বাইরের খোলা খাবার পরিহার করতে হবে। যাত্রাপথে ঘরের তৈরি খাবার সবসময় সঙ্গে রাখতে হবে। গাড়িতে ভ্রমণের ক্ষেত্রে অবশ্যই সিটবেল্ট সঠিকভাবে বাঁধতে হবে। তবে সিটবেল্ট যেন পেটের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি না করে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হব। অতিরিক্ত ঝাঁকুনি লাগতে পারে, এমন যানবাহনে ভ্রমণ করা উচিত নয়। ভ্রমণের সময় একাধিকবার বাথরুম ব্যবহারের প্রয়োজন হতে পারে, বিষয়টি মাথায় রেখে যানবাহন নির্বাচন করতে হবে। ভ্রমণের সময় আরামদায়ক পোশাক পরতে হবে। সর্বোপরি, মা এবং শিশু যেন সুস্থ থাকে, সে বিষয়ে
পরিবারের সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে এবং সহযোগিতা করতে হবে। ডা. সানিয়া সুলতানা গাইনি বিশেষজ্ঞ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চেম্বার: আলোক হেলথকেয়ার, মিরপুর



