ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে আইন সংশোধনের প্রস্তাব
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মৃত্যু বেড়ে ৮
সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল যাচ্ছে কাঁচপুরে
অর্থপাচার মামলায় এনু-রুপনের ১০ বছর কারাদণ্ড, ৬৪ কোটি টাকা জরিমানা
‘নাই বাওয়া, হামার কিচ্ছু নাই, ঘর-বাড়ি সব হারাচি’
‘খালেদা জিয়া ১ টাকা রেখে পুরো বেতন এতিমখানায় দান করে দিতেন’, জানালেন প্রেস সচিব
আগস্টেই রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎ যুক্ত হবে জাতীয় গ্রিডে, জানালেন মন্ত্রী
অদক্ষতা, দ্বিচারিতা আর দায়হীনতায় বিপর্যস্ত বাংলাদেশ
অন্তর্বর্তী সরকার এসেছিল “স্থিতিশীলতা” দিতে। বাস্তবে তারা দিয়েছে অস্থিরতা, অনিশ্চয়তা আর ভয়। ক্ষমতায় বসার পর থেকেই এই সরকার একটার পর একটা সিদ্ধান্তে প্রমাণ করেছে—তারা রাষ্ট্র চালাতে আসেনি, এসেছে সময় কাটাতে; জবাবদিহি নিতে নয়, দায় এড়াতে।
রাষ্ট্রযন্ত্র যেখানে দৃঢ় নেতৃত্ব চায়, সেখানে অন্তর্বর্তী সরকার দিয়েছে নীরবতা। যেখানে আইনের শাসন দরকার, সেখানে তারা দিয়েছে নির্বাচনী হিসাব। ফলাফল—রাজপথে মব, মাঠে ভয়, প্রশাসনে পক্ষপাত, আর জনগণের মনে গভীর অনাস্থা।
নিরাপত্তা নেই, কিন্তু আশ্বাসের অভাব নেই
এই সরকারের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা—নিরাপত্তা। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর মব অ্যাটাক, গণহারে মামলা, সামাজিক বয়কট—সবই ঘটছে প্রকাশ্যে। অথচ সরকারের প্রতিক্রিয়া? কয়েকটি বিবৃতি, কিছু দায়সারা আশ্বাস। রাষ্ট্র যদি কেবল প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে চলে, তবে
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কেন? বাগেরহাটে ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী ও নবজাতকের করুণ মৃত্যু কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়—এটি অন্তর্বর্তী সরকারের নিরাপত্তা ব্যর্থতার রক্তাক্ত প্রতীক। রাষ্ট্র যখন নাগরিককে রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়, তখন সরকার আর সরকার থাকে না—তা হয়ে ওঠে দর্শক। নিরপেক্ষতার মুখোশ, ভেতরে পক্ষপাত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান দাবি—“আমরা নিরপেক্ষ।” বাস্তবতা বলছে উল্টো। একদিকে বিরোধী রাজনীতির সহিংসতাকে নীরবে সহ্য করা, অন্যদিকে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক পরিচয়ের মানুষদের টার্গেট করা—এটি নিরপেক্ষতা নয়, এটি নির্বাচনী পক্ষপাত। প্রশাসনের নিচের স্তর থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ের সিদ্ধান্তগুলো স্পষ্ট করে দিচ্ছে—রাষ্ট্রের ক্ষমতা ব্যবহার হচ্ছে নির্বাচনের অঙ্ক মেলাতে, নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নয়। আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশ, ঘরে সরকার হেগে বসে বাংলাদেশ নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন হচ্ছে—ধর্মীয় সংখ্যালঘু, মব ভায়োলেন্স, মানবাধিকার।
প্রশ্ন উঠছে, এই সুযোগটা কে তৈরি করে দিল? উত্তর সহজ—অন্তর্বর্তী সরকারের অদক্ষতা। রাষ্ট্র যদি ভেতরে শক্ত হতো, বাইরে দুর্বল দেখাত না। কিন্তু যখন সরকার নিজেই আইন প্রয়োগে দ্বিধাগ্রস্ত, তখন আন্তর্জাতিক মহল সুযোগ নেয়। অন্তর্বর্তী সরকার সেই সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে—নিজেদের ব্যর্থতা দিয়ে। নির্বাচন না নাটক? নির্বাচন আয়োজন করা অন্তর্বর্তী সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কিন্তু এখন পর্যন্ত যা দেখা যাচ্ছে, তা নির্বাচন কম, নাটক বেশি। মাঠে সমতা নেই, নিরাপত্তা নেই, আস্থাও নেই। এই অবস্থায় নির্বাচন মানে গণতন্ত্র নয়—এটি সংকটের বৈধতা দেওয়া। রাষ্ট্র চালানো মানে সময় পার করা নয়। রাষ্ট্র চালানো মানে কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া—যা অন্তর্বর্তী সরকার নিতে ভয় পাচ্ছে। সার্বিক বার্তা অন্তর্বর্তী সরকার ইতিহাসে সুযোগ পেয়েছিল একটি দায়িত্বশীল
অধ্যায় রচনার। তারা বেছে নিয়েছে ব্যর্থতার পথ। আজ বাংলাদেশ একদিকে আন্তর্জাতিক চাপ, অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতায় ঘেরা—আর মাঝখানে দাঁড়িয়ে একটি সরকার, যে না পারে শাসন করতে, না পারে দায় নিতে। রাষ্ট্র কখনো অন্তর্বর্তী হয় না—শুধু সরকার হয়। আর যে সরকার রাষ্ট্রকে ঝুলিয়ে রাখে, ইতিহাস তাকে ক্ষমা করে না।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কেন? বাগেরহাটে ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী ও নবজাতকের করুণ মৃত্যু কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়—এটি অন্তর্বর্তী সরকারের নিরাপত্তা ব্যর্থতার রক্তাক্ত প্রতীক। রাষ্ট্র যখন নাগরিককে রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়, তখন সরকার আর সরকার থাকে না—তা হয়ে ওঠে দর্শক। নিরপেক্ষতার মুখোশ, ভেতরে পক্ষপাত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান দাবি—“আমরা নিরপেক্ষ।” বাস্তবতা বলছে উল্টো। একদিকে বিরোধী রাজনীতির সহিংসতাকে নীরবে সহ্য করা, অন্যদিকে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক পরিচয়ের মানুষদের টার্গেট করা—এটি নিরপেক্ষতা নয়, এটি নির্বাচনী পক্ষপাত। প্রশাসনের নিচের স্তর থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ের সিদ্ধান্তগুলো স্পষ্ট করে দিচ্ছে—রাষ্ট্রের ক্ষমতা ব্যবহার হচ্ছে নির্বাচনের অঙ্ক মেলাতে, নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নয়। আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশ, ঘরে সরকার হেগে বসে বাংলাদেশ নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন হচ্ছে—ধর্মীয় সংখ্যালঘু, মব ভায়োলেন্স, মানবাধিকার।
প্রশ্ন উঠছে, এই সুযোগটা কে তৈরি করে দিল? উত্তর সহজ—অন্তর্বর্তী সরকারের অদক্ষতা। রাষ্ট্র যদি ভেতরে শক্ত হতো, বাইরে দুর্বল দেখাত না। কিন্তু যখন সরকার নিজেই আইন প্রয়োগে দ্বিধাগ্রস্ত, তখন আন্তর্জাতিক মহল সুযোগ নেয়। অন্তর্বর্তী সরকার সেই সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে—নিজেদের ব্যর্থতা দিয়ে। নির্বাচন না নাটক? নির্বাচন আয়োজন করা অন্তর্বর্তী সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কিন্তু এখন পর্যন্ত যা দেখা যাচ্ছে, তা নির্বাচন কম, নাটক বেশি। মাঠে সমতা নেই, নিরাপত্তা নেই, আস্থাও নেই। এই অবস্থায় নির্বাচন মানে গণতন্ত্র নয়—এটি সংকটের বৈধতা দেওয়া। রাষ্ট্র চালানো মানে সময় পার করা নয়। রাষ্ট্র চালানো মানে কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া—যা অন্তর্বর্তী সরকার নিতে ভয় পাচ্ছে। সার্বিক বার্তা অন্তর্বর্তী সরকার ইতিহাসে সুযোগ পেয়েছিল একটি দায়িত্বশীল
অধ্যায় রচনার। তারা বেছে নিয়েছে ব্যর্থতার পথ। আজ বাংলাদেশ একদিকে আন্তর্জাতিক চাপ, অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতায় ঘেরা—আর মাঝখানে দাঁড়িয়ে একটি সরকার, যে না পারে শাসন করতে, না পারে দায় নিতে। রাষ্ট্র কখনো অন্তর্বর্তী হয় না—শুধু সরকার হয়। আর যে সরকার রাষ্ট্রকে ঝুলিয়ে রাখে, ইতিহাস তাকে ক্ষমা করে না।



