অদক্ষতা, দ্বিচারিতা আর দায়হীনতায় বিপর্যস্ত বাংলাদেশ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬

অদক্ষতা, দ্বিচারিতা আর দায়হীনতায় বিপর্যস্ত বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ |
অন্তর্বর্তী সরকার এসেছিল “স্থিতিশীলতা” দিতে। বাস্তবে তারা দিয়েছে অস্থিরতা, অনিশ্চয়তা আর ভয়। ক্ষমতায় বসার পর থেকেই এই সরকার একটার পর একটা সিদ্ধান্তে প্রমাণ করেছে—তারা রাষ্ট্র চালাতে আসেনি, এসেছে সময় কাটাতে; জবাবদিহি নিতে নয়, দায় এড়াতে। রাষ্ট্রযন্ত্র যেখানে দৃঢ় নেতৃত্ব চায়, সেখানে অন্তর্বর্তী সরকার দিয়েছে নীরবতা। যেখানে আইনের শাসন দরকার, সেখানে তারা দিয়েছে নির্বাচনী হিসাব। ফলাফল—রাজপথে মব, মাঠে ভয়, প্রশাসনে পক্ষপাত, আর জনগণের মনে গভীর অনাস্থা। নিরাপত্তা নেই, কিন্তু আশ্বাসের অভাব নেই এই সরকারের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা—নিরাপত্তা। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর মব অ্যাটাক, গণহারে মামলা, সামাজিক বয়কট—সবই ঘটছে প্রকাশ্যে। অথচ সরকারের প্রতিক্রিয়া? কয়েকটি বিবৃতি, কিছু দায়সারা আশ্বাস। রাষ্ট্র যদি কেবল প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে চলে, তবে

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কেন? বাগেরহাটে ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী ও নবজাতকের করুণ মৃত্যু কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়—এটি অন্তর্বর্তী সরকারের নিরাপত্তা ব্যর্থতার রক্তাক্ত প্রতীক। রাষ্ট্র যখন নাগরিককে রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়, তখন সরকার আর সরকার থাকে না—তা হয়ে ওঠে দর্শক। নিরপেক্ষতার মুখোশ, ভেতরে পক্ষপাত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান দাবি—“আমরা নিরপেক্ষ।” বাস্তবতা বলছে উল্টো। একদিকে বিরোধী রাজনীতির সহিংসতাকে নীরবে সহ্য করা, অন্যদিকে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক পরিচয়ের মানুষদের টার্গেট করা—এটি নিরপেক্ষতা নয়, এটি নির্বাচনী পক্ষপাত। প্রশাসনের নিচের স্তর থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ের সিদ্ধান্তগুলো স্পষ্ট করে দিচ্ছে—রাষ্ট্রের ক্ষমতা ব্যবহার হচ্ছে নির্বাচনের অঙ্ক মেলাতে, নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নয়। আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশ, ঘরে সরকার হেগে বসে বাংলাদেশ নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন হচ্ছে—ধর্মীয় সংখ্যালঘু, মব ভায়োলেন্স, মানবাধিকার।

প্রশ্ন উঠছে, এই সুযোগটা কে তৈরি করে দিল? উত্তর সহজ—অন্তর্বর্তী সরকারের অদক্ষতা। রাষ্ট্র যদি ভেতরে শক্ত হতো, বাইরে দুর্বল দেখাত না। কিন্তু যখন সরকার নিজেই আইন প্রয়োগে দ্বিধাগ্রস্ত, তখন আন্তর্জাতিক মহল সুযোগ নেয়। অন্তর্বর্তী সরকার সেই সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে—নিজেদের ব্যর্থতা দিয়ে। নির্বাচন না নাটক? নির্বাচন আয়োজন করা অন্তর্বর্তী সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কিন্তু এখন পর্যন্ত যা দেখা যাচ্ছে, তা নির্বাচন কম, নাটক বেশি। মাঠে সমতা নেই, নিরাপত্তা নেই, আস্থাও নেই। এই অবস্থায় নির্বাচন মানে গণতন্ত্র নয়—এটি সংকটের বৈধতা দেওয়া। রাষ্ট্র চালানো মানে সময় পার করা নয়। রাষ্ট্র চালানো মানে কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া—যা অন্তর্বর্তী সরকার নিতে ভয় পাচ্ছে। সার্বিক বার্তা অন্তর্বর্তী সরকার ইতিহাসে সুযোগ পেয়েছিল একটি দায়িত্বশীল

অধ্যায় রচনার। তারা বেছে নিয়েছে ব্যর্থতার পথ। আজ বাংলাদেশ একদিকে আন্তর্জাতিক চাপ, অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতায় ঘেরা—আর মাঝখানে দাঁড়িয়ে একটি সরকার, যে না পারে শাসন করতে, না পারে দায় নিতে। রাষ্ট্র কখনো অন্তর্বর্তী হয় না—শুধু সরকার হয়। আর যে সরকার রাষ্ট্রকে ঝুলিয়ে রাখে, ইতিহাস তাকে ক্ষমা করে না।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
মাঝে মাঝে এমনটা হতেই পারে— হারের পর মিরাজ হরমুজ প্রণালি খোলার ঘোষণায় কমল তেলের দাম হামের প্রকোপ কমাতে দেশব্যাপী সরকারের টিকাদানের পদক্ষেপ ১০ দিন হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকবে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের কাছে থাকা সব ইউরেনিয়াম পাবে যুক্তরাষ্ট্র, দাবি ট্রাম্পের ‘জনপ্রিয়তায়’ আতিফ আসলামকেও ছাড়িয়ে যাওয়া কে এই তালহা আনজুম রাশেদ প্রধান লিমিট ক্রস করে বক্তব্য দিচ্ছে: রাশেদ খাঁন ‘শেখ হাসিনাকে ফেরতের বিষয়টি বিবেচনা করছে ভারত’ পঁচিশে সমুদ্রপথে ৯০০ রোহিঙ্গার প্রাণহানি প্রবাসীদের মাতাতে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রীতম-জেফার-পূজা-তমা 17 April: Mujibnagar Day — A Defining Moment in Bangladesh’s Liberation Struggle ১৭ই এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা অর্জনের এক স্মৃতি বিজড়িত দিন জাতীয় দলের অধিনায়কদের জন্য বিসিবির প্রিভিলেজ কার্ড আওয়ামী লীগ নেতাদের মুক্তিতে প্রথম আলোর জোরালো অবস্থান দিনে ৭-১০ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং, শহরের চেয়ে গ্রামে সংকট তীব্রতর ১৭ এপ্রিল-বাংলাদেশের নূতন সূর্যোদয় বরিশাল নগরের প্রাণকেন্দ্রে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তাকে জুলাই-আগস্টে ঢাকায় হত্যাকাণ্ড বাড়ানোর নির্দেশ দেয় কে? জামায়াত জোট জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধানের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ; পিএস জনি আটক সশস্ত্র হামলায় ইউপিডিএফ নেতা ধর্মসিং চাকমা নিহত, ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ ২ বোন