ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জামালপুর জেলে বন্দি আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: কারা হেফাজতে মৃত্যুর সংখ্যা ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ইঙ্গিত দিচ্ছে
যশোরে বিএনপির সন্ত্রাসী হামলা গুরুতর আহত ফুল চাষি নেতা আব্দুর রহিম
মানুষের হাতে আহত হনুমান প্রথমে থানায়, পরে চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে হাজির!
কুষ্টিয়ায় ‘পীর’ শামীম হত্যার ঘটনায় মামলা
সাবেক আইনমন্ত্রী ও প্রবীণ আইনজীবী শফিক আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা
শরীয়তপুর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন একতরফা নির্বাচনে ১৫ পদের সব কটিতেই জয়ী বিএনপিপন্থীরা
কুষ্টিয়ায় পীর হত্যায় নিন্দা, জড়িতদের বিচারের দাবি ‘মাকাম’-এর
৩ আসামিকে মারধর ও জুতাপেটা, হাসপাতালে ভর্তি
সিলেটের শাহপরানে বিল্লাল আহমদ মুন্সী (৩০) নামে এক যুবদল কর্মী খুনের ঘটনায় আটক তিন আসামিকে আদালতে তোলার সময় হামলা, মারধর ও জুতাপেটা করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় শাহপরান থানা পুলিশ তাদের প্রিজন্স ভ্যান থেকে আদালতে তোলার সময় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশ তাদের উদ্ধার করে ভেতরে নিয়ে যায়। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন।
গ্রেপ্তার তিনজন হলেন হিউম্যান হলার চালক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হাজি রুনু মিয়া মঈন ও তার দুই ছেলে কাজী জাকির আহমদ, কাজী রাসেল
আহমদ। আদালত সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে আসামিদের আদালতে আনা হলে ক্ষুব্ধ জনতা পুলিশি পাহারায় কিল, ঘুষি, লাথি ও জুতা খুলে মারতে থাকেন। হত্যা মামলার প্রধান আসামি রুনু মিয়া মঈনকে টার্গেট করে লাঞ্ছিত করা হয়। এরপর পুলিশ তাদের সেফ কাস্টডিতে নিয়ে যায়। পরে পুলিশ চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় শাহপরান থানার ওসি মো. মনির হোসেন বলেন, যুবদল কর্মী খুনের ঘটনায় আটক তিন আসামিকে আদালতে তোলার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা তাদের ওপর হামলা, মারধর ও জুতাপেটা করেছে। পুলিশ উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায়। তিনি বলেন, গুরতর আহত অবস্থায় একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাকি দুজনকে চিকিৎসা শেষে সিলেট কেন্দ্রীয়
কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে ২৫ নভেম্বর রাতে মহানগরীর শাহপরান থানাধীন বাহুবল এলাকায় সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্ব নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত হন বিল্লাল। তিনি ওই এলাকার জহুরুল ইসলামের ছেলে। পেশায় রঙমিস্ত্রি বিল্লাল খুনের পরদিন নিহতের ভাই মোস্তফা বাদী হয়ে থানায় রনু মিয়া মঈনকে প্রধান অভিযুক্ত করে একটি হত্যা মামলা করেন। বিল্লাল নগরের ৩৪ নং ওয়ার্ড যুবদলের কর্মী ছিলেন বলে জানা যায়।
আহমদ। আদালত সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে আসামিদের আদালতে আনা হলে ক্ষুব্ধ জনতা পুলিশি পাহারায় কিল, ঘুষি, লাথি ও জুতা খুলে মারতে থাকেন। হত্যা মামলার প্রধান আসামি রুনু মিয়া মঈনকে টার্গেট করে লাঞ্ছিত করা হয়। এরপর পুলিশ তাদের সেফ কাস্টডিতে নিয়ে যায়। পরে পুলিশ চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় শাহপরান থানার ওসি মো. মনির হোসেন বলেন, যুবদল কর্মী খুনের ঘটনায় আটক তিন আসামিকে আদালতে তোলার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা তাদের ওপর হামলা, মারধর ও জুতাপেটা করেছে। পুলিশ উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায়। তিনি বলেন, গুরতর আহত অবস্থায় একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাকি দুজনকে চিকিৎসা শেষে সিলেট কেন্দ্রীয়
কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে ২৫ নভেম্বর রাতে মহানগরীর শাহপরান থানাধীন বাহুবল এলাকায় সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্ব নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত হন বিল্লাল। তিনি ওই এলাকার জহুরুল ইসলামের ছেলে। পেশায় রঙমিস্ত্রি বিল্লাল খুনের পরদিন নিহতের ভাই মোস্তফা বাদী হয়ে থানায় রনু মিয়া মঈনকে প্রধান অভিযুক্ত করে একটি হত্যা মামলা করেন। বিল্লাল নগরের ৩৪ নং ওয়ার্ড যুবদলের কর্মী ছিলেন বলে জানা যায়।



