ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
উৎপত্তি ভুটান, ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশসহ ৫ দেশ
দ্রুত বিচারে নতুন মাইলফলক
ভারত আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করে পুশইন করছে
‘সফল ঈদযাত্রা ম্যানেজের’ দাবি মন্ত্রীর অথচ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৩৮, আহত ১৩৪০
চট্রগ্রামে ফেসবুকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অপরাধে বিয়ের আসর থেকে গ্রেফতার ২ ছাত্রলীগ নেতা
ফারুকী: সরকারে ঢোকার ঝুঁকি নিয়েছিলাম, কিন্তু ভয়াবহ কাফফারা দিতে হচ্ছে
ভারতে আটক থাকা ৯১ মৎস্যজীবীকে দেশে ফিরিয়ে আনল সরকার
হাসিনাকে টিকিয়ে রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মজুমদার
শেখ হাসিনার পতনের কয়েক দিন আগেও ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে তাকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখার আশ্বাস দিয়েছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশনের (বিএবি) সাবেক সভাপতি ও নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার। তাছাড়া বিভিন্ন সময়ে শেখ হাসিনার প্রশংসা করে তাকে নানা বিতর্কিত বক্তব্য দিতেও দেখা গেছে।
তীব্র গণআন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এরপর থেকেই সাবেক সরকারের ঘনিষ্ঠ অনেককেই গ্রেফতার করছে পুলিশ। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হলেন নজরুল ইসলাম মজুমদার।
মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) দিবাগত রাতে রাজধানীর গুলশান থেকে তাকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল।
পুলিশ জানায়, এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ও নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারে বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগে
মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। ২০০৮ সালের জানুয়ারি থেকে একটানা ১৭ বছর বেসরকারি ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) চেয়ারম্যান ছিলেন নজরুল ইসলাম মজুমদার। বিভিন্ন ব্যাংক থেকে শেখ হাসিনাকে অনুদান পাইয়ে দেওয়ার কাজ তিনি করতেন। শেখ হাসিনার পতনের কয়েক দিন আগেও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন, যেকোনো মূল্যে তারা শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখবেন। জুলাইয়ের মাঝামাঝি শুরু হওয়া ছাত্র আন্দোলনের এক পর্যায়ে কারফিউ জারি করে সরকার। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি বাগে আনতে পারছিল না সরকার। কারফিউ দীর্ঘায়িত হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষতি হতে থাকলে অনেক ব্যবসায়ীই মুখ খুলতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে কারফিউ চলাকালেই গত ২৩ জুলাই ব্যবসায়ীদের নিয়ে বিশেষ বৈঠক ডাকেন
শেখ হাসিনা। উদ্দেশ্য ছিল ব্যবসায়ীদের শান্ত করা এবং চলমান পরিস্থিতিতে সরকারের প্রতি তাদের সমর্থন আদায় করা। ওই দিন সরকার তথা শেখ হাসিনার প্রতি জোরাল সমর্থন জানিয়ে যেসব ব্যবসায়ী বক্তব্য দেন, তার মধ্যে অন্যতম হলেন নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান। বাংলাদেশ অ্যাসোশিয়েশন অব ব্যাংক তথা বিএবির তৎকালীন চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, ‘যা কিছু ঘটে গেছে, অত্যন্ত লজ্জাকর। গত কয়েক দিনের তাণ্ডব—এমন অগ্নিসন্ত্রাস চিন্তাই করা যায় না। এটা ছিল সুসংগঠিত সন্ত্রাস।’ তিনি হাসিনাকে আশ্বস্ত করে বলেন, ‘আমরা আপনার সঙ্গে আগেও ছিলাম, এখনো আছি এবং ভবিষতেও থাকব।’ তবে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার পতনের পর বিএবি ও এক্সিম ব্যাংকের নেতৃত্ব হারান এই ব্যবসায়ী নেতা। সেই সঙ্গে
আত্মগোপনে চলে যান তিনি।
মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। ২০০৮ সালের জানুয়ারি থেকে একটানা ১৭ বছর বেসরকারি ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) চেয়ারম্যান ছিলেন নজরুল ইসলাম মজুমদার। বিভিন্ন ব্যাংক থেকে শেখ হাসিনাকে অনুদান পাইয়ে দেওয়ার কাজ তিনি করতেন। শেখ হাসিনার পতনের কয়েক দিন আগেও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন, যেকোনো মূল্যে তারা শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখবেন। জুলাইয়ের মাঝামাঝি শুরু হওয়া ছাত্র আন্দোলনের এক পর্যায়ে কারফিউ জারি করে সরকার। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি বাগে আনতে পারছিল না সরকার। কারফিউ দীর্ঘায়িত হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষতি হতে থাকলে অনেক ব্যবসায়ীই মুখ খুলতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে কারফিউ চলাকালেই গত ২৩ জুলাই ব্যবসায়ীদের নিয়ে বিশেষ বৈঠক ডাকেন
শেখ হাসিনা। উদ্দেশ্য ছিল ব্যবসায়ীদের শান্ত করা এবং চলমান পরিস্থিতিতে সরকারের প্রতি তাদের সমর্থন আদায় করা। ওই দিন সরকার তথা শেখ হাসিনার প্রতি জোরাল সমর্থন জানিয়ে যেসব ব্যবসায়ী বক্তব্য দেন, তার মধ্যে অন্যতম হলেন নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান। বাংলাদেশ অ্যাসোশিয়েশন অব ব্যাংক তথা বিএবির তৎকালীন চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, ‘যা কিছু ঘটে গেছে, অত্যন্ত লজ্জাকর। গত কয়েক দিনের তাণ্ডব—এমন অগ্নিসন্ত্রাস চিন্তাই করা যায় না। এটা ছিল সুসংগঠিত সন্ত্রাস।’ তিনি হাসিনাকে আশ্বস্ত করে বলেন, ‘আমরা আপনার সঙ্গে আগেও ছিলাম, এখনো আছি এবং ভবিষতেও থাকব।’ তবে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার পতনের পর বিএবি ও এক্সিম ব্যাংকের নেতৃত্ব হারান এই ব্যবসায়ী নেতা। সেই সঙ্গে
আত্মগোপনে চলে যান তিনি।



