হাজারো অবৈধ বাংলাদেশির সামনে আশার আলো – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

হাজারো অবৈধ বাংলাদেশির সামনে আশার আলো

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ |
অবৈধ অভিবাসীদের জন্য ছয় বছর পর আবারও সাধারণ ক্ষমার সুযোগ দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার। রোববার ১ সেপ্টেম্বর থেকে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত দুই মাস এই নিয়ম কার্যকর থাকবে। এ সময়ের মধ্যে দেশটিতে বসবাসরত ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ, অনিয়মিত, কাগজপত্রবিহীন অবৈধ অভিবাসীরা আবেদন সাপেক্ষে বৈধ হতে পারবেন। জেল-জরিমানা ছাড়া দেশে ফিরতে পারবেন আগ্রহীরা। এ ছাড়া ভিজিট ভিসায় আমিরাতে গিয়ে অবৈধ হয়ে যাওয়া প্রবাসীরাও সাধারণ ক্ষমার আওতায় বৈধ হতে পারবেন। করোনা-পরবর্তী সময়ে ভিসা উন্মুক্ত করে দেওয়ায় ভিজিট ও অন্যান্য ভিসায় আরব আমিরাতে প্রবেশ করেন লক্ষাধিক বাংলাদেশি। অনেকে ভিসা পরিবর্তন করে কাজের সুযোগ পেলেও তাদের বেশির ভাগেরই ভিসার মেয়াদ ফুরিয়ে যায়। এতে দেশটিতে অবৈধ হয়ে

পড়েন কয়েক হাজার বাংলাদেশি। এখন অবৈধ অভিবাসীদের জন্য দেশটি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করায় ভিজিট ভিসাধারীদেরও বৈধ হওয়ার সুযোগ সামনে এসেছে। আগামী দুই মাস চলা এই সময়ের মধ্যে সাময়িকভাবে নতুন ভিসা প্রদান বন্ধ থাকবে। দুবাই বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল বি এম জামাল হোসেন ও আবুধাবি বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম কাউন্সিলর হাজরা সাব্বির হোসেন জানান, যারা বিভিন্ন দেশ থেকে অবৈধভাবে আমিরাতে অনুপ্রবেশ করেছেন, তারাও পাসপোর্ট বা বাংলাদেশি হিসেবে কোনো প্রমাণ ও সংশ্লিষ্ট দেশের ভিসা, পূর্ববর্তী ভিসার তথ্য প্রদানপূর্বক মিশন থেকে ট্রাভেল পারমিট সংগ্রহ করতে পারবেন। এর পর ইমিগ্রেশন থেকে এক্সিট পারমিট নিয়ে পারবেন দেশে ফিরতে। প্রথমে সরাসরি সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশনে গিয়ে পাসপোর্ট ও ভিসা/আইডি কপি

জমা দিয়ে প্রসেসিং ফি প্রদানের মাধ্যমে জরিমানা মওকুফ করা যাবে। পরে সাধারণ ক্ষমার আওতায় বৈধতার আবেদনকারীদের ৬ মাস মেয়াদি চাকরি সন্ধানী ভিসা দেবে আরব আমিরাত। এ সময়ে মধ্যে প্রতিষ্ঠান বা নিয়োগকর্তার মাধ্যমে বৈধতা অর্জন করতে হবে তাদের। এ ছাড়া যেসব কর্মী নিয়োগকর্তা থেকে পলায়ন করেছেন, তারা তা’মিম (নিয়োগকর্তার অভিযোগ) রিপোর্ট বিলুপ্ত করে দেশে ফিরতে বা বৈধ হওয়ার সুযোগ পাবেন। সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশনে ভিসা রেকর্ড যাচাই করে তা’মিম পাওয়া গেলে দেশে যাওযার জন্য এক্সিট পারমিট অথবা ভিসা নিয়মিত করতে পুলিশ রিপোর্ট প্রয়োজন হবে। সাধারণ ক্ষমা চলাকালে আউট পাস নিয়ে দেশে গেলে কোনো প্রকার নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে না। ফের তারা দেশটিতে প্রবেশের সুযোগ

পাবেন। এদিকে সাধারণ ক্ষমা চলাকালে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয় বৈধ পাসপোর্টের। তাই আবেনদকারীকে আগেই পাসপোর্টের বৈধতা নিশ্চিত করতে হবে। সেই অনুযায়ী প্রবাসীদের সেবা দিতে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে দেশটিতে থাকা দুটি বাংলাদেশ মিশনের পাসপোর্ট উইং। পাসপোর্ট উইংয়ে লোকবল বাড়ায় নিজেদের প্রস্তুতি নিয়ে সন্তুষ্ট মিশন। অন্যদিকে বাংলাদেশি অভিবাসীদের আটক ১ হাজার ৩০০ পাসপোর্ট ইতোমধ্যে কনস্যুলেটের কাছে হস্তান্তর করেছে স্থানীয় ইমিগ্রেশন অফিস। দুবাই বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল বি এম জামাল হোসেন বলেন, সাধারণ ক্ষমার এই সময় প্রবাসীরা যাতে প্রতারিত না হন, সে জন্য সর্বোচ্চ নজরদারি রাখা হচ্ছে। বৈধতা পেতে সরাসরি ইমিগ্রেশনগুলোতে যোগাযোগ করতে হবে। দেশে ফিরতে হলে মিশন থেকে প্রথমে গ্রহণ করতে হবে ট্রাভেল পারমিট।

কাউকে দালালের ফাঁদে পা না দেওয়ারও পরামর্শ দেন তিনি। যেখাবে আউট পাস নিতে হবে সাধারণ ক্ষমা চলাকালে জেল-জরিমানা ছাড়া দেশে ফেরার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরবরাহ করে কনস্যুলেট বা দূতাবাস থেকে অবৈধ অভিবাসীদের ট্রাভেল পারমিট নিতে হবে। ট্রাভেল পারমিট পেলে সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন থেকে সংগ্রহ করা যাবে এক্সিট পারমিট। এক্সিট পারমিট পাওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে ওই অভিবাসীকে দেশে ফিরতে হবে। সেবা গ্রহণের জন্য দুবাই ও ওমানের ভিসাধারীদের আল-আওয়ির (আবির) ইমিগ্রেশন, শারজাহ আল রাহমানিয়া, আজমান ইমিগ্রেশন, ফুজাইরাহ ইমিগ্রেশন, রাস আল খাইমাহ ইমিগ্রেশন, উম্ম আল কোয়েন ইমিগ্রেশন, আবুধাবি সুওহান জেল ইমিগ্রেশন, আল আইন মাকাম পুলিশ স্টেশন ও মদিনা যায়েদ (বেদা যায়েদ) ইমিগ্রেশনে যেতে হবে। এর পর

ইমিগ্রেশনের নির্দেশনা অনুযায়ী যেতে হবে দেশটির সরকার অনুমোদিত টাইপিং তাসহিল বা আমের সেন্টারে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বনের নৈসর্গিক পরিবেশে বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতির অনন্য মিলনমেলা: নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হলো চতুর্থ রকল্যান্ড রিট্রিট ও বইমেলা ২০২৬ ভারতের উত্তর সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় পঞ্চম প্রজন্মের অত্যাধুনিক জে-২০ মাইটি ড্রাগন (J-20 Mighty Dragon) স্টিলথ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে চীন। সাম্প্রতিক উপগ্রহ চিত্রে দেখা গেছে, শিনজিয়াং ও তিব্বতের দুটি কৌশলগত বিমানঘাঁটিতে অন্তত ১১টি জে-২০ যুদ্ধবিমান অবস্থান করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই মোতায়েন ভারতের জন্য নতুন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে, কারণ নিজস্ব স্টিলথ যুদ্ধবিমান পেতে দেশটির এখনও প্রায় এক দশক অপেক্ষা করতে হতে পারে। স্যাটেলাইট ইমেজিং সংস্থা ভ্যান্টর-এর প্রকাশিত উপগ্রহ চিত্র অনুযায়ী, ৯ জুলাই শিনজিয়াংয়ের হোতান বিমানঘাঁটিতে রানওয়ের পাশে সারিবদ্ধভাবে সাতটি জে-২০ যুদ্ধবিমান দেখা গেছে। ঘাঁটিটি লাদাখের লেহ থেকে প্রায় ৩৮৯ কিলোমিটার এবং ভারতের কৌশলগত দৌলত বেগ ওল্ডি বিমানঘাঁটি থেকে মাত্র ২৪৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। আরেকটি উপগ্রহ চিত্রে তিব্বতের দামশুং বিমানঘাঁটিতে আরও চারটি জে-২০ স্টিলথ ফাইটার পার্ক করা অবস্থায় দেখা গেছে। এই ঘাঁটিটি অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং অঞ্চল থেকে প্রায় ৩৪৪ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক উপগ্রহের মাধ্যমে কোনো চীনা বিমানঘাঁটিতে একসঙ্গে এত সংখ্যক জে-২০ যুদ্ধবিমান শনাক্ত হওয়ার ঘটনা এই প্রথম। তবে এ বিষয়ে ভারতীয় বিমানবাহিনী এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি। ভারতের মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা নিউস্পেস-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং সাবেক ফাইটার পাইলট সমীর জোশী বলেন, হোতান ও দামশুংয়ে জে-২০-এর উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, ভারতের সীমান্তমুখী উচ্চতর বিমানঘাঁটিতে পঞ্চম প্রজন্মের স্টিলথ যুদ্ধবিমান পরিচালনা এখন চীনা বিমানবাহিনীর নিয়মিত কার্যক্রমে পরিণত হয়েছে। তার মতে, এটি সাময়িক শক্তি প্রদর্শন নয়; বরং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত প্রস্তুতির অংশ। তিনি আরও বলেন, উত্তর সীমান্তে কম-শনাক্তযোগ্য স্টিলথ হুমকি মোকাবিলায় ভারতের কাউন্টার-স্টিলথ সেন্সর, সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং দূরপাল্লার স্ট্যান্ডঅফ স্ট্রাইক সক্ষমতা দ্রুত আধুনিকীকরণ করা জরুরি। জে-২০-এর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর স্টিলথ প্রযুক্তি, যা প্রচলিত রাডারে শনাক্ত হওয়া কঠিন করে তোলে। ফলে ভারতের হাতে থাকা রাফায়েলের মতো উন্নত হলেও নন-স্টিলথ চতুর্থ প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের তুলনায় জে-২০ উল্লেখযোগ্য প্রযুক্তিগত সুবিধা পায় বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত। বর্তমানে ভারতের নিজস্ব কোনো স্টিলথ যুদ্ধবিমান নেই। দেশটির প্রথম দেশীয় স্টিলথ প্রকল্প অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্রাফট (AMCA) উন্নয়নাধীন থাকলেও এটি বিমানবাহিনীর বহরে যুক্ত হতে আরও অন্তত ১০ বছর সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে দ্য ওয়ার জোন-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে চীনের হাতে যেখানে প্রায় ৫০টি জে-২০ ছিল, ২০২২ সালের শেষ নাগাদ সেই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ২০০-তে পৌঁছে। ২০২৫ সালের শেষ দিকে বার্ষিক উৎপাদন প্রায় ১২০টিতে উন্নীত হওয়ায় ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে চীনের জে-২০ বহর ৩০০ থেকে ৫০০টির মধ্যে পৌঁছেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যুক্তরাজ্যের রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউট (RUSI) মনে করছে, ২০৩০ সালের মধ্যে চীনের জে-২০ বহর এক হাজারে পৌঁছাতে পারে। অবসরপ্রাপ্ত ভারতীয় এয়ার মার্শাল নর্মদেশ্বর তিওয়ারি বলেন, প্রতিবছর শতাধিক যুদ্ধবিমান উৎপাদনের সক্ষমতা দেখিয়ে চীন প্রমাণ করেছে যে তাদের প্রতিরক্ষা শিল্প ও সরবরাহ ব্যবস্থা অত্যন্ত শক্তিশালী। প্রথম গালফ যুদ্ধের পর থেকেই চীন বিমান শক্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে এই সক্ষমতা গড়ে তুলেছে। বর্তমানে ভারতের হাতে ৩৬টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান রয়েছে, যা আম্বালা ও হাশিমারা বিমানঘাঁটির দুটি স্কোয়াড্রনে মোতায়েন রয়েছে। এছাড়া ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য আরও ২৬টি রাফায়েল অর্ডার করা হয়েছে এবং বিমানবাহিনীর জন্য অতিরিক্ত ১১৪টি রাফায়েল কেনার বিষয়েও আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে ভারতীয় বিমানবাহিনী ২৬০টিরও বেশি সুখোই-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান পরিচালনা করছে, পাশাপাশি মিরাজ-২০০০ ও মিগ-২৯-এর মতো পুরোনো যুদ্ধবিমানও এখনও বহরে রয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি, জাগোনিউজ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভাকে ‘চোর’ ও ‘সাজাপ্রাপ্ত আসামি’ বলে কটূক্তি করেছেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই। এ মন্তব্যকে ব্রাজিলের সরকার, জনগণ ও গণতন্ত্রের প্রতি অবমাননাকর উল্লেখ করে আর্জেন্টিনা থেকে নিজেদের রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে ব্রাজিল। বার্তা সংস্থা এএফপি ও বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, গত রোববার (২৬ জুলাই) ব্রাজিলের সাও পাওলো শহরে যুক্তরাষ্ট্রপন্থি প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ফ্লাভিও বলসোনারোর নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নেন মিলেই। সেখানে তিনি সরাসরি নাম উল্লেখ না করলেও ব্রাজিলের বর্তমান প্রেসিডেন্টকে ইঙ্গিত করে ‘চোর’ ও ‘সাজাপ্রাপ্ত আসামি’ বলে মন্তব্য করেন। মিলেইর ওই বক্তব্যের পরই আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস আয়ার্স থেকে নিজেদের রাষ্ট্রদূতকে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানায় ব্রাজিল। দেশটির সরকারের ভাষ্য, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের মন্তব্য শুধু ব্রাজিলের সরকারের নয়, বরং দেশটির জনগণ ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতিও চরম অসম্মান। এদিকে এক অনুষ্ঠানে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বাইরের কোনো হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না। তিনি স্পষ্ট করে জানান, বিদেশি চাপ বা হস্তক্ষেপ ছাড়াই ব্রাজিল তার নিজস্ব পথে পরিচালিত হবে। এএফপির খবরে বলা হয়েছে, আর্জেন্টিনায় নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত হুলিও বিতেলির সোমবারের মধ্যেই দেশে ফেরার কথা রয়েছে। উল্লেখ্য, লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা ২০১৮ সালে দুর্নীতি ও ঘুষসংক্রান্ত মামলায় ১২ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিলেন। তবে ১৮ মাসের কিছু বেশি সময় কারাভোগের পর তিনি মুক্তি পান। পরে ২০২১ সালে ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্ট তার বিরুদ্ধে দেওয়া সেই সাজা বাতিল করে। এরপর ২০২২ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জেইর বলসোনারোকে পরাজিত করে ৫০ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট পেয়ে আবারও ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন লুলা দা সিলভা। সূত্র: বিবিসি, এএফপি, জাগোনিউজ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টকে ‘চোর’ বললেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট: রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহারের ঘোষণা ব্রাজিলের By Progga News Desk — 27 July, 2026 প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক: ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভাকে ‘চোর’ ও ‘সাজাপ্রাপ্ত আসামি’ বলে কটূক্তি করেছেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই। এ মন্তব্যকে ব্রাজিলের সরকার, জনগণ ও গণতন্ত্রের প্রতি অবমাননাকর উল্লেখ করে আর্জেন্টিনা থেকে নিজেদের রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে ব্রাজিল। বার্তা সংস্থা এএফপি ও বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, গত রোববার (২৬ জুলাই) ব্রাজিলের সাও পাওলো শহরে যুক্তরাষ্ট্রপন্থি প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ফ্লাভিও বলসোনারোর নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নেন মিলেই। সেখানে তিনি সরাসরি নাম উল্লেখ না করলেও ব্রাজিলের বর্তমান প্রেসিডেন্টকে ইঙ্গিত করে ‘চোর’ ও ‘সাজাপ্রাপ্ত আসামি’ বলে মন্তব্য করেন। মিলেইর ওই বক্তব্যের পরই আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস আয়ার্স থেকে নিজেদের রাষ্ট্রদূতকে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানায় ব্রাজিল। দেশটির সরকারের ভাষ্য, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের মন্তব্য শুধু ব্রাজিলের সরকারের নয়, বরং দেশটির জনগণ ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতিও চরম অসম্মান। এদিকে এক অনুষ্ঠানে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বাইরের কোনো হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না। তিনি স্পষ্ট করে জানান, বিদেশি চাপ বা হস্তক্ষেপ ছাড়াই ব্রাজিল তার নিজস্ব পথে পরিচালিত হবে। এএফপির খবরে বলা হয়েছে, আর্জেন্টিনায় নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত হুলিও বিতেলির সোমবারের মধ্যেই দেশে ফেরার কথা রয়েছে। উল্লেখ্য, লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা ২০১৮ সালে দুর্নীতি ও ঘুষসংক্রান্ত মামলায় ১২ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিলেন। তবে ১৮ মাসের কিছু বেশি সময় কারাভোগের পর তিনি মুক্তি পান। পরে ২০২১ সালে ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্ট তার বিরুদ্ধে দেওয়া সেই সাজা বাতিল করে। এরপর ২০২২ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জেইর বলসোনারোকে পরাজিত করে ৫০ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট পেয়ে আবারও ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন লুলা দা সিলভা। সূত্র: বিবিসি, এএফপি, জাগোনিউজ বিশ্বকাপ ফাইনালের পরেই রেফারিং ছাড়লেন স্লাভকো ভিনচিচ আর্জেন্টিনার বিপক্ষে কাব্রালের বাঁকানো শট ‘বিশ্বকাপের সেরা গোল’ কোটা সংস্কারের পর বিসিএসে নারীদের নিয়োগে বড় পতন, প্রশ্নের মুখে সংস্কার ভারতের বাংলাদেশ সফর ঝুলে থাকার আবহেই মিরাজের সাক্ষাৎকার: বরফ গলবে কি? ছাত্রলীগ কর্মীদের হাতে মার খাননি দাবি করে আম্মার- ‘আমরা মাইর খাইনি, মাইর দিয়েছি’ ঢাকার উত্তরায় ১০ মিনিটের ব্যাবধানে দুটি বোমা বিস্ফোরণ, জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে সড়কে ঝুলছিল নাহিদ-হাসনাতদের কুশপুতুল, স্থানীয়দের ভাষ্য- ‘লীগের ঘাড়ে দোষ চাপাতে নিজেরাই ঝুলিয়েছে’ আয়ালার ক্ষমা প্রত্যাখ্যান করে মিথ্যাচারের অভিযোগ ওলমোর জঙ্গল সলিমপুরে নাশকতা: যৌথ বাহিনীর পানির পাইপ কেটে ঢালা হয় বিষ, ঝুঁকিতে স্কুলশিশুরাও বরুড়ায় একের পর এক পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার চুরি, ছাত্রদল সভাপতিসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা ঢাকায় বিদ্যুৎ বিলের ভয়াবহ বৃদ্ধি: একই ব্যবহারে আগের মাসের চেয়ে আসছে দ্বিগুণ-তিনগুণ বিল! মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি বিরোধিতা করা যুক্তরাষ্ট্র এবার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ডাটাবেজ তৈরিতে আগ্রহী! যুবদল নেতাকে খুন করতে ২৫ লাখে খুনি ভাড়া করেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আমেরিকা ফার্স্ট নীতি? যুক্তরাষ্ট্রকে খুশি করতেই ২৩৭ কোটি টাকা গচ্চায় গম কিনছে বিএনপি সরকার দক্ষিণ আফ্রিকায় ৩ বাংলাদেশিসহ অপহরণ ৪, আতঙ্কে প্রবাসীরা হাম উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৮২৫