ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আমরা আতঙ্কিত নই: ফক্সক্রফট
বিশ্বকাপে না খেলতে পারাটা ‘দুর্ভাগ্য’: শামীম
বিসিবি’র অ্যাডহক কমিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট
মিরপুর স্টেডিয়ামে বসছে ২৭ হাজার স্কয়ার ফিটের ছাউনি
বিসিবির মেডিকেল প্যানেলের সদস্য হলেন অধ্যাপক এরফানুল
সুখবর পেলেন বাংলাদেশ দলের একাধিক তারকা
বিশ্বকাপে আরও এক তারকাকে পাচ্ছে না ব্রাজিল
রানআউট নিয়ে বিতর্ক, ছুরিকাঘাতে নিহত ক্রিকেটার
জয় পরাজয় খেলার অংশ। মাঠে অনেক সময় আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত নিয়ে মতভেদ দেখা দেয়। কিন্তু সেই বিবাদ যে প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে, তার এক ভয়াবহ দৃষ্টান্ত দেখল ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম।
একটি স্থানীয় ক্রিকেট ম্যাচে ‘রান-আউট’ কল নিয়ে শুরু হওয়া তর্কের জেরে ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছেন ২১ বছর বয়সী এক তরুণ ক্রিকেটার। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন ম্যাচের আম্পায়ারসহ আরও অন্তত ৪ জন।
গতকাল রোববার সন্ধ্যায় বিশাখাপত্তনমের আরিভলোয়া থানা এলাকার পেদাগাদিলিতে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিনায়ক নগর, চাকালি পেটা এবং পেদাগাদিলি—এই তিনটি দলের মধ্যে একটি ২০ ওভারের সিরিজ চলছিল। বিনায়ক নগর ও চাকালি পেটার মধ্যকার ম্যাচে ব্যাটিং করছিলেন ডি অজিত। খেলার এক পর্যায়ে
নন-স্ট্রাইকার এন্ডে একটি রান-আউট কল নিয়ে প্রতিপক্ষ দলের সঙ্গে অজিতের প্রচণ্ড কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এগিয়ে আসেন পেদাগাদিলি দলের সদস্য এবং ওই ম্যাচের আম্পায়ার বি চিরঞ্জীবী। তিনি খেলোয়াড়দের শান্ত করেন এবং বিবাদ মিটিয়ে খেলা পুনরায় শুরু করেন। ম্যাচ শেষে উভয় পক্ষ শান্তভাবেই মাঠ ছাড়ে। ম্যাচ শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর বিনায়ক নগরের বাসিন্দা কান্ত কিশোর ওরফে ‘বক্সার’, যিনি মাঠে দর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি হঠাৎ অজিত ও আম্পায়ার চিরঞ্জীবীর সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীরা তখন তাদের সরিয়ে দিলেও কিশোরের ক্ষোভ কমেনি। পেশায় ইভেন্ট ফটোগ্রাফার কিশোর পরে আলোচনার দোহাই দিয়ে অজিত ও চিরঞ্জীবীকে পেদাগাদিলি জংশনে ডেকে পাঠান। সেখানে পৌঁছানো মাত্রই মদ্যপ
অবস্থায় থাকা কিশোর তাদের গালিগালাজ করতে থাকেন। এক পর্যায়ে তিনি পকেট থেকে ছুরি বের করে অজিতের বুকে আঘাত করেন। তাকে বাঁচাতে গিয়ে আম্পায়ার চিরঞ্জীবী এবং পথচারীসহ আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় অজিতকে দ্রুত অ্যাপোলো হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। অভিযুক্ত কিশোর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে। নিহতের বাবা ডি আপ্পালা রাজুর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে এবং ঘাতক কিশোরকে ধরার জন্য চিরুনি অভিযান চালাচ্ছে।
নন-স্ট্রাইকার এন্ডে একটি রান-আউট কল নিয়ে প্রতিপক্ষ দলের সঙ্গে অজিতের প্রচণ্ড কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এগিয়ে আসেন পেদাগাদিলি দলের সদস্য এবং ওই ম্যাচের আম্পায়ার বি চিরঞ্জীবী। তিনি খেলোয়াড়দের শান্ত করেন এবং বিবাদ মিটিয়ে খেলা পুনরায় শুরু করেন। ম্যাচ শেষে উভয় পক্ষ শান্তভাবেই মাঠ ছাড়ে। ম্যাচ শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর বিনায়ক নগরের বাসিন্দা কান্ত কিশোর ওরফে ‘বক্সার’, যিনি মাঠে দর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি হঠাৎ অজিত ও আম্পায়ার চিরঞ্জীবীর সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীরা তখন তাদের সরিয়ে দিলেও কিশোরের ক্ষোভ কমেনি। পেশায় ইভেন্ট ফটোগ্রাফার কিশোর পরে আলোচনার দোহাই দিয়ে অজিত ও চিরঞ্জীবীকে পেদাগাদিলি জংশনে ডেকে পাঠান। সেখানে পৌঁছানো মাত্রই মদ্যপ
অবস্থায় থাকা কিশোর তাদের গালিগালাজ করতে থাকেন। এক পর্যায়ে তিনি পকেট থেকে ছুরি বের করে অজিতের বুকে আঘাত করেন। তাকে বাঁচাতে গিয়ে আম্পায়ার চিরঞ্জীবী এবং পথচারীসহ আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় অজিতকে দ্রুত অ্যাপোলো হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। অভিযুক্ত কিশোর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে। নিহতের বাবা ডি আপ্পালা রাজুর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে এবং ঘাতক কিশোরকে ধরার জন্য চিরুনি অভিযান চালাচ্ছে।



