যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মাছের আড়ত দখলের অভিযোগ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৮ October, ২০২৪

যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মাছের আড়ত দখলের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৮ October, ২০২৪ |
কুষ্টিয়ার খোকসায় পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক রাকিবুল হাসান রাজিবের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের মাছের আড়ত দখল করার অভিযোগ উঠেছে। খোকসা পৌর মাছ বাজারের ব্যবসায়ীদের পৌর কর্তৃপক্ষের কোনো ডকুমেন্টস না থাকলেও যুবদলের ওই নেতা বিগত পৌর মেয়রের স্বাক্ষরিত স্ট্যাম্প দেখিয়ে মালিকানা দাবি করছেন। সোমবার সরেজমিন গেলে ভুক্তভোগী মাছ ব্যবসায়ী আলিম মিয়া রুনু জানান, পৌরসভার টিনশেডের প্রথম দোকানে তিনি প্রায় ২০ বছর মাছের আড়তের ব্যবসা করছেন। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর হঠাৎ খোকসা পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক রাকিবুল হাসান রাজিব বেশ কিছু লোকজন নিয়ে তার দোকানে এসে তিনশ টাকার স্ট্যাম্প দেখিয়ে সাবেক পৌর মেয়র তাতারি খান ২০১৫ সালে উল্লেখিত দোকান লিখে দিয়েছেন দাবি করে

দোকান ছেড়ে দিতে বলেন। তিনি বলেন, মাছ বাজারের কোনো দোকান পৌরসভা কাউকে লিখে দেয়নি বললে রাজিব তার ওপর চড়াও হয়। জোরপূর্বক স্থানীয় বিএনপি নেতাদের মাধ্যমে দোকানের সিকিউরিটি ৬০ হাজার টাকা এবং মাসিক ২৫শ টাকা ভাড়া দাবি করে। ওই দিনই ২০ হাজার টাকা এবং এক মাসের ভাড়া নিয়ে যায়। বাকি ৪০ হাজার টাকা ১ সপ্তাহের মধ্যে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। মাছ ব্যবসায়ী আলিম মিয়া রুনু জানান, তিনি বাকি টাকা দিতে না পারলে রাজিব ২৮ সেপ্টেম্বর এসে দোকানের সাইনবোর্ড ও ভেতরের সমস্ত মালামাল ফেলে দেয়। রাজিব নিজ নামের সাইনবোর্ড লাগিয়ে দোকান দখলে নেয়। তিনি জানান, ২০১৩ সালে সাবেক পৌর মেয়র তাতারি খান তাদেরকে

পৌরসভা থেকে নোটিশ করেন এবং প্রতিটি দোকান থেকে ৩০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। সেই নোটিশ এখনো তার কাছে সংরক্ষিত আছে। পৌরসভা থেকে তাকে ও অন্য মাছ ব্যবসায়ীদের ২৯ সেপ্টেম্বর উপস্থিত হওয়ার জন্য নোটিশ করা হয়েছিলো। দোকান দখলে নেওয়ার বিষয়টি ইতিমধ্যে পৌর প্রশাসক সরেজমিনে দেখে গেছেন বলে জানান। তার উপার্জনের একমাত্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বেদখল হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পরেছেন। এ ব্যাপারে তিনি খোকসা থানায় অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানান। মাছ বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, পৌরসভা টিনসেড ঘর করে দেওয়ার পর থেকে তারা মাসিক কোনো ভাড়া ছাড়াই এখানে ব্যবসা করেন। পৌরসভা থেকে কাউকে কোনো দলিল করে দেয়নি। প্রকৃত ব্যবসায়ীরা দোকানের পজেশন নিয়ে দীর্ঘদিন ব্যবসা

করছেন। আলিম মিয়া শুরু থেকেই পৌর বাজারের টিনশেডের প্রথম দোকানে মাছের ব্যবসা করেন বলে জানান তারা। দখলদার পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক রাকিবুল হাসান রাজিব জানান, তাতারি খান তার বাবার নামে দোকান লিখে দিয়ে গেছেন। আলিম জোরপূর্বক তাদের দোকানে ব্যবসা করত। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর সে তার দোকান দখলে নিয়েছে। পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেশমা খাতুন জানান, বিষয়টি তিনি তদন্ত করছেন। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে নিরসন করা হবে বলে জানান।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না গ্রিন ডেল্টাসহ দুই কোম্পানির মেরিন কার্গো বিমা বিক্রিতে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার, মামলায় ৪২ জনের নাম উল্লেখসহ ৩৪২ জন আসামি মিরপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার, ২০টি ককটেল উদ্ধার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন সাফে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছেই পাত্তা পেল না পাকিস্তান শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের হামলা, ৩ আহত, ৯ গ্রেপ্তার তাহসিফ হত্যায় দীপকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন পুলিশের