ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইউনুস সরকারের অধীনে সংখ্যালঘু হওয়া মানেই মৃত্যুর অপেক্ষা।
গুম কমিশনে সাক্ষ্যদাতা জঙ্গিরাই আবার বোমা বানাচ্ছে, যাদের সাক্ষ্যে জঙ্গিবিরোধী পুলিশ কর্মকর্তারা গ্রেপ্তার
বাঙালী নারীদের উপর পাক হানাদারদের বর্বরতার ইতিহাস ও পরবর্তীতে হানাদারদের ক্যাম্প উড়িয়ে দেবার বিরত্ব গাঁথা শোনালেন একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা শিশু মিয়া
যে দুইদিনই বাঁচি দেশটাত যেনো শান্তিতে থাকতে পারি” – বীর মুক্তিযোদ্ধা ফিরোজা বেগম —
রাজনীতির বাঁকবদল: শেখ হাসিনার মানবিকতা বনাম ঐতিহাসিক তিক্ততা—একটি বিশ্লেষণধর্মী পর্যালোচনা
ইউনুস সরকারের অধীনে সংখ্যালঘু হওয়া মানেই মৃত্যুর অপেক্ষা।
ইন্ডিয়া যদি আমাদের সাহায্য না করতো, বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা পারতো না দেশটা স্বাধীন করতে” –বীর মুক্তিযোদ্ধা
যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মাছের আড়ত দখলের অভিযোগ
কুষ্টিয়ার খোকসায় পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক রাকিবুল হাসান রাজিবের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের মাছের আড়ত দখল করার অভিযোগ উঠেছে।
খোকসা পৌর মাছ বাজারের ব্যবসায়ীদের পৌর কর্তৃপক্ষের কোনো ডকুমেন্টস না থাকলেও যুবদলের ওই নেতা বিগত পৌর মেয়রের স্বাক্ষরিত স্ট্যাম্প দেখিয়ে মালিকানা দাবি করছেন।
সোমবার সরেজমিন গেলে ভুক্তভোগী মাছ ব্যবসায়ী আলিম মিয়া রুনু জানান, পৌরসভার টিনশেডের প্রথম দোকানে তিনি প্রায় ২০ বছর মাছের আড়তের ব্যবসা করছেন। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর হঠাৎ খোকসা পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক রাকিবুল হাসান রাজিব বেশ কিছু লোকজন নিয়ে তার দোকানে এসে তিনশ টাকার স্ট্যাম্প দেখিয়ে সাবেক পৌর মেয়র তাতারি খান ২০১৫ সালে উল্লেখিত দোকান লিখে দিয়েছেন দাবি করে
দোকান ছেড়ে দিতে বলেন। তিনি বলেন, মাছ বাজারের কোনো দোকান পৌরসভা কাউকে লিখে দেয়নি বললে রাজিব তার ওপর চড়াও হয়। জোরপূর্বক স্থানীয় বিএনপি নেতাদের মাধ্যমে দোকানের সিকিউরিটি ৬০ হাজার টাকা এবং মাসিক ২৫শ টাকা ভাড়া দাবি করে। ওই দিনই ২০ হাজার টাকা এবং এক মাসের ভাড়া নিয়ে যায়। বাকি ৪০ হাজার টাকা ১ সপ্তাহের মধ্যে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। মাছ ব্যবসায়ী আলিম মিয়া রুনু জানান, তিনি বাকি টাকা দিতে না পারলে রাজিব ২৮ সেপ্টেম্বর এসে দোকানের সাইনবোর্ড ও ভেতরের সমস্ত মালামাল ফেলে দেয়। রাজিব নিজ নামের সাইনবোর্ড লাগিয়ে দোকান দখলে নেয়। তিনি জানান, ২০১৩ সালে সাবেক পৌর মেয়র তাতারি খান তাদেরকে
পৌরসভা থেকে নোটিশ করেন এবং প্রতিটি দোকান থেকে ৩০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। সেই নোটিশ এখনো তার কাছে সংরক্ষিত আছে। পৌরসভা থেকে তাকে ও অন্য মাছ ব্যবসায়ীদের ২৯ সেপ্টেম্বর উপস্থিত হওয়ার জন্য নোটিশ করা হয়েছিলো। দোকান দখলে নেওয়ার বিষয়টি ইতিমধ্যে পৌর প্রশাসক সরেজমিনে দেখে গেছেন বলে জানান। তার উপার্জনের একমাত্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বেদখল হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পরেছেন। এ ব্যাপারে তিনি খোকসা থানায় অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানান। মাছ বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, পৌরসভা টিনসেড ঘর করে দেওয়ার পর থেকে তারা মাসিক কোনো ভাড়া ছাড়াই এখানে ব্যবসা করেন। পৌরসভা থেকে কাউকে কোনো দলিল করে দেয়নি। প্রকৃত ব্যবসায়ীরা দোকানের পজেশন নিয়ে দীর্ঘদিন ব্যবসা
করছেন। আলিম মিয়া শুরু থেকেই পৌর বাজারের টিনশেডের প্রথম দোকানে মাছের ব্যবসা করেন বলে জানান তারা। দখলদার পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক রাকিবুল হাসান রাজিব জানান, তাতারি খান তার বাবার নামে দোকান লিখে দিয়ে গেছেন। আলিম জোরপূর্বক তাদের দোকানে ব্যবসা করত। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর সে তার দোকান দখলে নিয়েছে। পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেশমা খাতুন জানান, বিষয়টি তিনি তদন্ত করছেন। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে নিরসন করা হবে বলে জানান।
দোকান ছেড়ে দিতে বলেন। তিনি বলেন, মাছ বাজারের কোনো দোকান পৌরসভা কাউকে লিখে দেয়নি বললে রাজিব তার ওপর চড়াও হয়। জোরপূর্বক স্থানীয় বিএনপি নেতাদের মাধ্যমে দোকানের সিকিউরিটি ৬০ হাজার টাকা এবং মাসিক ২৫শ টাকা ভাড়া দাবি করে। ওই দিনই ২০ হাজার টাকা এবং এক মাসের ভাড়া নিয়ে যায়। বাকি ৪০ হাজার টাকা ১ সপ্তাহের মধ্যে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। মাছ ব্যবসায়ী আলিম মিয়া রুনু জানান, তিনি বাকি টাকা দিতে না পারলে রাজিব ২৮ সেপ্টেম্বর এসে দোকানের সাইনবোর্ড ও ভেতরের সমস্ত মালামাল ফেলে দেয়। রাজিব নিজ নামের সাইনবোর্ড লাগিয়ে দোকান দখলে নেয়। তিনি জানান, ২০১৩ সালে সাবেক পৌর মেয়র তাতারি খান তাদেরকে
পৌরসভা থেকে নোটিশ করেন এবং প্রতিটি দোকান থেকে ৩০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। সেই নোটিশ এখনো তার কাছে সংরক্ষিত আছে। পৌরসভা থেকে তাকে ও অন্য মাছ ব্যবসায়ীদের ২৯ সেপ্টেম্বর উপস্থিত হওয়ার জন্য নোটিশ করা হয়েছিলো। দোকান দখলে নেওয়ার বিষয়টি ইতিমধ্যে পৌর প্রশাসক সরেজমিনে দেখে গেছেন বলে জানান। তার উপার্জনের একমাত্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বেদখল হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পরেছেন। এ ব্যাপারে তিনি খোকসা থানায় অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানান। মাছ বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, পৌরসভা টিনসেড ঘর করে দেওয়ার পর থেকে তারা মাসিক কোনো ভাড়া ছাড়াই এখানে ব্যবসা করেন। পৌরসভা থেকে কাউকে কোনো দলিল করে দেয়নি। প্রকৃত ব্যবসায়ীরা দোকানের পজেশন নিয়ে দীর্ঘদিন ব্যবসা
করছেন। আলিম মিয়া শুরু থেকেই পৌর বাজারের টিনশেডের প্রথম দোকানে মাছের ব্যবসা করেন বলে জানান তারা। দখলদার পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক রাকিবুল হাসান রাজিব জানান, তাতারি খান তার বাবার নামে দোকান লিখে দিয়ে গেছেন। আলিম জোরপূর্বক তাদের দোকানে ব্যবসা করত। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর সে তার দোকান দখলে নিয়েছে। পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেশমা খাতুন জানান, বিষয়টি তিনি তদন্ত করছেন। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে নিরসন করা হবে বলে জানান।



