ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নিউ ইয়র্কে শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে জামাইকা মসজিদের ইমাম গ্রেপ্তার
আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধের প্রতিবাদে স্টেট ডিপার্টমেন্টে স্মারকলিপি প্রদান করলো যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ
যুক্তরাষ্ট্রে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা কমিটির সভায় ইউনুসকে গ্রেফতার দাবি
৩৫তম নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা শুরু ২২ মে
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা ২০২৬ সফল করতে নিউইয়র্কে মতবিনিময় সভা — সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও প্রগতির দৃঢ় অঙ্গীকার
ফ্লোরিডায় দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ড: জামিল লিমনের লাশ উদ্ধার, নাহিদা বৃষ্টির মৃত্যু নিশ্চিত
নিউইয়র্কে ৪০তম ফোবানা কনভেনশন উপলক্ষে মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠিত
বৈশ্বিক দাসত্ব ও শোষণ নির্মূলে জোরালো আহ্বান জানালো বাংলাদেশ
দাসত্ব ও নিপীড়ন নির্মূলের জন্য জোরদার বৈশ্বিক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান আজ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ‘আন্তর্জাতিক দাসত্ব ও ট্রান্স-আটলান্টিক দাসবাণিজ্যের শিকারদের স্মরণে’ আয়োজিত স্মারক সভায় এ আহ্বান জানান। তিনি দাসত্ব ও ট্রান্স-আটলান্টিক দাসবাণিজ্যের লক্ষ লক্ষ শিকারদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন এবং স্বাধীনতা ও ন্যায়ের জন্য লড়াই করা সাহসী মানুষের অদম্য মানসিকতার প্রশংসা করেন।
ড. রহমান জোর দিয়ে বলেন, ট্রান্স-আটলান্টিক দাসবাণিজ্য মানবজাতির উপর এক স্থায়ী দাগ রেখে গেছে। দাসত্ব, বর্ণবাদ, গণহত্যা ও সকল প্রকার নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অটল অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, দেশের সংবিধান সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশবাদ, বর্ণবাদ ও বৈষম্য প্রত্যাখ্যান করে এবং শোষিত জনগণের প্রতি
দৃঢ় সংহতি প্রকাশ করে। ১৯২৬ সালের দাসত্ব সংক্রান্ত কনভেনশন এবং প্রায় ৮০ বছর আগে গৃহীত মানবাধিকার সনদ দাসত্বকে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যদিও দাসত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয়েছে, এর প্রভাব আজও সমাজ, অর্থনীতি ও রাজনৈতিক কাঠামোয় বিদ্যমান। তিনি মানব পাচার প্রতিরোধ, ডিজিটাল ফরেনসিক সমন্বয় এবং দাসত্ব ও দাস বাণিজ্যের মানব ও সভ্যতাগত ক্ষতির বিষয় সম্পর্কে শিক্ষাব্যবস্থা ও সংলাপে বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপ্র গুরুত্ত্বারোপ করেন। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একত্রিত হয়ে এমন একটি বিশ্ব গড়ার আহ্বান জানান, যেখানে দাসত্ব, বৈষম্য ও অন্যায়ের কোনো স্থান থাকবে না এবং মানব মর্যাদা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবে।
দৃঢ় সংহতি প্রকাশ করে। ১৯২৬ সালের দাসত্ব সংক্রান্ত কনভেনশন এবং প্রায় ৮০ বছর আগে গৃহীত মানবাধিকার সনদ দাসত্বকে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যদিও দাসত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয়েছে, এর প্রভাব আজও সমাজ, অর্থনীতি ও রাজনৈতিক কাঠামোয় বিদ্যমান। তিনি মানব পাচার প্রতিরোধ, ডিজিটাল ফরেনসিক সমন্বয় এবং দাসত্ব ও দাস বাণিজ্যের মানব ও সভ্যতাগত ক্ষতির বিষয় সম্পর্কে শিক্ষাব্যবস্থা ও সংলাপে বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপ্র গুরুত্ত্বারোপ করেন। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একত্রিত হয়ে এমন একটি বিশ্ব গড়ার আহ্বান জানান, যেখানে দাসত্ব, বৈষম্য ও অন্যায়ের কোনো স্থান থাকবে না এবং মানব মর্যাদা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবে।



