ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফাইনালে ‘আরও একটি’ বড় ইনিংস খেলতে মুখিয়ে স্যামসন
বাংলাদেশকে বিধ্বস্ত করল উত্তর কোরিয়া
শুধু ফাইনাল নয়, ইংল্যান্ডের ভবিষ্যতও নির্ভর করছে এই ম্যাচে
এশিয়ান কাপের অভিষেকে শক্তিশালী চীনের বিপক্ষে লড়াই করল বাংলাদেশের মেয়েরা
স্যামসনের দুর্দান্ত ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সেমিফাইনাল ভারত
সাবেক লঙ্কান ফুটবলার পাকিরের মনে পীড়া দেয় আবাহনীর ট্রফি লুট
বিশ্বকাপ ২০২৬ থেকে বাংলাদেশ বাদ – ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয় ভেঙে গেলো
বিশ্বকাপে ভারতের ম্যাচ বয়কট, পাকিস্তানকে যা বলল আইসিসি
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কটের ইঙ্গিত দিলেও শেষ পর্যন্ত সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। সরকারের সঙ্গে পিসিবির আলোচনায় আসন্ন বিশ্বকাপে পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে বিশ্বকাপে অংশ নিলেও ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচটি বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পিসিবি।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ ও ভারত ম্যাচ বয়কটের খবরটি নিশ্চিত করেছে দেশটির সরকার। বাংলাদেশকে নিয়ে আইসিসির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান।
সেখানে আইসিসি জানিয়েছে, একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে সব দল সমান সুযোগ ও নিয়ম মেনে খেলবে—এটাই স্বাভাবিক।
বিবৃতিতে আইসিসি জানিয়েছে, তারা সরকারি নীতি ও সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তবে পাকিস্তান সরকারের এই সিদ্ধান্ত বিশ্ব ক্রিকেটের জন্য যেমন
ভালো হবে না, তেমনি পাকিস্তানসহ সারা বিশ্বের কোটি কোটি ক্রিকেট ভক্তের জন্যও তা হতাশার। পাকিস্তানকে সতর্ক করে আইসিসি জানিয়েছে, আইসিসি আশা করে যে, পিসিবি এই সিদ্ধান্তের ফলে তাদের নিজেদের দেশের ক্রিকেটের ওপর দীর্ঘমেয়াদী এবং উল্লেখযোগ্য প্রভাবের বিষয়টি বিবেচনা করবে। কারণ, এর ফলে সামগ্রিক বিশ্ব ক্রিকেট কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যার পিসিবি নিজেও একজন সদস্য এবং সুবিধাভোগী। আইসিসির প্রধান লক্ষ্য হলো আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সফলভাবে সম্পন্ন করা, যা পিসিবি-সহ সব সদস্য দেশেরই দায়িত্ব। আইসিসি প্রত্যাশা করে যে, পিসিবি একটি পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে বের করবে, যা সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের স্বার্থ রক্ষা করবে।
ভালো হবে না, তেমনি পাকিস্তানসহ সারা বিশ্বের কোটি কোটি ক্রিকেট ভক্তের জন্যও তা হতাশার। পাকিস্তানকে সতর্ক করে আইসিসি জানিয়েছে, আইসিসি আশা করে যে, পিসিবি এই সিদ্ধান্তের ফলে তাদের নিজেদের দেশের ক্রিকেটের ওপর দীর্ঘমেয়াদী এবং উল্লেখযোগ্য প্রভাবের বিষয়টি বিবেচনা করবে। কারণ, এর ফলে সামগ্রিক বিশ্ব ক্রিকেট কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যার পিসিবি নিজেও একজন সদস্য এবং সুবিধাভোগী। আইসিসির প্রধান লক্ষ্য হলো আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সফলভাবে সম্পন্ন করা, যা পিসিবি-সহ সব সদস্য দেশেরই দায়িত্ব। আইসিসি প্রত্যাশা করে যে, পিসিবি একটি পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে বের করবে, যা সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের স্বার্থ রক্ষা করবে।



