ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজ সমতায় ফিরল শ্রীলংকা
একটি ছাড়া সবই ১৪০ কিমি গতির বল করেছেন নাহিদ রানা
শরীফুলের স্পেলই নাকি কিউইদের মিরপুর জয়ের পথ দেখিয়েছে!
বিস্ফোরক তাপস বৈশ্য: বিসিবিতে কি চলতো ‘রাজা-প্রজা’ শাসন?
প্রথম ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডের কাছে হারল বাংলাদেশ
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ে বাংলাদেশের লক্ষ্য ২৪৮ রান
মাঝে মাঝে এমনটা হতেই পারে— হারের পর মিরাজ
ফাইনালে ‘আরও একটি’ বড় ইনিংস খেলতে মুখিয়ে স্যামসন
ভারতের ওপেনার সঞ্জু স্যামসন জানিয়েছেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা ধরে রাখতে তিনি ফাইনালে ‘আরও একটি’ ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলতে চান। গত বৃহস্পতিবার সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর ৮৯ রানের বিধ্বংসী ইনিংস ভারতকে এক রোমাঞ্চকর জয় এনে দিয়েছে।
মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে স্যামসনের ৪২ বলের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে ভারত ২৫৩ রানের বিশাল স্কোর গড়ে। জবাবে ইংল্যান্ডও দুর্দান্ত লড়াই করে ২৪৬ রান পর্যন্ত পৌঁছায়। শেষ ওভারে জয়ের জন্য নাটকীয় লড়াই চললেও হ্যারি ব্রুকের দল ৭ রানে হেরে যায়। এর ফলে ভারত চতুর্থবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নেয়।
আগামী রবিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ভারত। এই ম্যাচে জিতলে ভারত প্রথম
দল হিসেবে টানা দুবার এবং সব মিলিয়ে তিনবার বিশ্বকাপ জয়ের ইতিহাস গড়বে। টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই ভারত ফেবারিট থাকলেও স্যামসন শুরুতে নিয়মিত একাদশে ছিলেন না। তবে সুপার এইট থেকে দলে ফিরেই তিনি নিজের জাত চেনান। সেমিফাইনালে ৮টি চার ও ৭টি ছক্কা মেরে তিনি ভারতকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান। ম্যাচসেরার পুরস্কার নিয়ে স্যামসন বলেন, ‘আমি কয়েক বছর ধরে দেশের জন্য এমন কিছু করার চেষ্টা করছিলাম। এখন আমাদের সামনে আর একটি ধাপ বাকি। যদি আমরা সেটি করতে পারি, তবেই সব পরিশ্রম সার্থক হবে।’ ৩১ বছর বয়সী স্যামসন ভারতীয় দলে নিজের জায়গা পাকা করার জন্য দীর্ঘ লড়াই চালিয়েছেন। ২০১৫ সালে অভিষেক হলেও তিনি দেশের হয়ে মাত্র
৬১টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। দলে আসা-যাওয়ার মধ্যে থাকা এবং নানা সমালোচনা নিয়ে স্যামসন বলেন, তিনি নিজেকে শান্ত রাখতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে ছিলেন। স্যামসন আরও বলেন, ‘আমি দলে প্রভাব ফেলতে চেয়েছিলাম। আমি ফোন বন্ধ রেখেছিলাম এবং এখনো সোশ্যাল মিডিয়ায় নেই। মানুষের সঙ্গে কথা কম বলায় আমি নিজের খেলায় বেশি মনোযোগ দিতে পেরেছি।
দল হিসেবে টানা দুবার এবং সব মিলিয়ে তিনবার বিশ্বকাপ জয়ের ইতিহাস গড়বে। টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই ভারত ফেবারিট থাকলেও স্যামসন শুরুতে নিয়মিত একাদশে ছিলেন না। তবে সুপার এইট থেকে দলে ফিরেই তিনি নিজের জাত চেনান। সেমিফাইনালে ৮টি চার ও ৭টি ছক্কা মেরে তিনি ভারতকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান। ম্যাচসেরার পুরস্কার নিয়ে স্যামসন বলেন, ‘আমি কয়েক বছর ধরে দেশের জন্য এমন কিছু করার চেষ্টা করছিলাম। এখন আমাদের সামনে আর একটি ধাপ বাকি। যদি আমরা সেটি করতে পারি, তবেই সব পরিশ্রম সার্থক হবে।’ ৩১ বছর বয়সী স্যামসন ভারতীয় দলে নিজের জায়গা পাকা করার জন্য দীর্ঘ লড়াই চালিয়েছেন। ২০১৫ সালে অভিষেক হলেও তিনি দেশের হয়ে মাত্র
৬১টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। দলে আসা-যাওয়ার মধ্যে থাকা এবং নানা সমালোচনা নিয়ে স্যামসন বলেন, তিনি নিজেকে শান্ত রাখতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে ছিলেন। স্যামসন আরও বলেন, ‘আমি দলে প্রভাব ফেলতে চেয়েছিলাম। আমি ফোন বন্ধ রেখেছিলাম এবং এখনো সোশ্যাল মিডিয়ায় নেই। মানুষের সঙ্গে কথা কম বলায় আমি নিজের খেলায় বেশি মনোযোগ দিতে পেরেছি।



