পুরুষদের সঙ্গে যৌনতা, বিয়েতে ‘না’ চলছে আন্দোলন – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৫ নভেম্বর, ২০২৪
     ৫:০৯ পূর্বাহ্ণ

পুরুষদের সঙ্গে যৌনতা, বিয়েতে ‘না’ চলছে আন্দোলন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৫ নভেম্বর, ২০২৪ | ৫:০৯ 176 ভিউ
পুরুষদের সঙ্গে যৌনতা, সম্পর্ক, বিয়েতে ‘না’। সন্তান জন্ম দিতেও রাজি নন আন্দোলনকারীরা। কারণ ডনাল্ড ট্রাম্পকে জিতিয়েছেন পুরুষরা। এমনই দাবি তুলে ক্ষোভে ফুঁসে উঠে ‘ফোর বি’ আন্দোলন শুরু করেছেন হাজার হাজার মার্কিন নারী। আসলে নির্বাচনে ট্রাম্প ও তার দল রিপাবলিকান পার্টির জয়ের পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন নারীরা তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত হয়ে উঠেছেন। আর এই শঙ্কা বা উদ্বেগ থেকে পালে নতুন করে হওয়া পেয়েছে নারীদের পুরুষবিরোধী আন্দোলন ‘ফোর বি’। ‘কমালা পারেননি, আমরা গড়ব ইতিহাস।’ এই ডাক দিয়ে আগামী চার বছর ট্রাম্পের শাসনকালে পুরুষ সঙ্গীদের সঙ্গে যৌন সম্পর্কে ‘না’ যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আমেরিকার বহু নারী। সমাজমাধ্যম থেকে রাস্তাঘাট— সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছে প্রতিবাদ। এককথায় এবার দক্ষিণ কোরিয়ার

ঐতিহাসিক ‘ফোর বি’ মুভমেন্ট হতে চলেছে মার্কিন মুলুকেও। কোরিয়ান ভাষায় ‘বি’ শব্দের অর্থ ‘না’। ২০১৬ সালে ‘ফোর বি’ মুভমেন্ট শুরু হয় দক্ষিণ কোরিয়ায়। কী এই ‘ফোর বি’? চারটি কাজে ‘না’ বলতে শুরু করেন নারীরা। ১) কোনও পুরুষের সঙ্গে ডেটে যাবেন না। ২) কোনও পুরুষের সঙ্গে যৌনসঙ্গম করবেন না। ৩) পুরুষদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া যাবে না। ৪) সন্তান প্রসব নয়। ২০১৬ সালে সিওলে একজন মহিলাকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়। কারণ? অভিযুক্ত ব্যক্তি মনে করেছিলেন, ওই মহিলা তাকে অবহেলা করেছেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে শুরু হয়েছিল ‘ফোর বি’ মুভমেন্ট। মার্কিন নারীদের আশঙ্কা, রিপাবলিকান পার্টির মতাদর্শ অনেক বেশি ‘কনজারভেটিভ’ বা রক্ষণশীল হওয়ায় তাদের ব্যক্তিস্বাধীনতা ও

স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতাকে সংকুচিত হতে পারে। আর এই আশঙ্কা থেকেই তারা আগেভাগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে ‘ফোর বি’ আন্দোলন শুরু করেছেন। কমালা হ্যারিস নির্বাচিত হলে প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট পেত আমেরিকা। রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ট্রাম্পের কাছে পরাজিত হয়েছেন তিনি। ম্যাজিক ফিগার ২৭০ টপকে ট্রাম্পের পক্ষে ভোট পড়েছে ২৯৫টি, সেখানে কমালাকে থামতে হয়েছে ২২৬-এ। এই হারে বেজায় চটেছেন মার্কিন নারীদের একাংশ। তাদের দাবি, এবারের নির্বাচনের ফলাফল বুঝিয়ে দিয়েছে তাদের মতামত কোনও গুরুত্বই পায় না। একজন মার্কিন নারী বলছেন, ‘পুরুষরা যদি আমাদের অধিকার খর্ব করার জন্যই এই নির্বাচনে ভোট দিয়ে থাকেন, তবে তারাও যেন আশা না করেন, কোনও নারী তাদের স্পর্শ করবে।’ সূত্র : দা

গার্ডিয়ান

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
এলপিজি গ্যাস সংকট সহসাই কাটছেনা লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে ‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা। ১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে? রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?