ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
১৫ মিনিট বন্ধ থাকার পর ফের চালু মেট্রো রেল
পাঁচ ঘণ্টা লাইন, চার লিটার তেল, আর একটি তথাকথিত “নির্বাচিত” সরকার!
অপশাসন, ভয় আর মামলার বোঝা—এভাবেই কি ঝরে যাবে একের পর এক প্রাণ? ইউনুস–তারেকের রাজনীতিতে কি মানুষের জীবন এতটাই তুচ্ছ হয়ে গেছে?
একটি স্বেচ্ছাচারী একপাক্ষিক সংসদ কর্তৃক গণবিরোধী আইন পাশ ও দেশের নৈরাজ্যময় পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বানঃ
প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের প্রথম বেতার ভাষণ। ১১ এপ্রিল, ১৯৭১
‘ড. ইউনূস ৬টি জেনারেশন ধ্বংস করে দিয়েছেন, আওয়ামী লীগের সমর্থক বাড়ছে’
হাসিনা সরকারকে সরাতে ৩২ কোটি ডলার খরচ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন সংবাদমাধ্যম
দেবিদ্বার থানায় ল্যাপটপ ও প্রিন্টার উপহার দিল জামায়াত
কুমিল্লার দেবিদ্বার থানার কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে ল্যাপটপ ও প্রিন্টার উপহার দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার সন্ধ্যায় থানার ওসির হাতে এ উপহার তুলে দেন জামায়াত নেতৃবৃন্দ।
জানা যায়, গত ৫ আগষ্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার সরকার পতনের দিন কিছু দুষ্কৃতকারী দেবিদ্বার থানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর চালায় এবং অগ্নিসংযোগ করে। ফলে স্থবির হয়ে পড়ে থানার স্বাভাবিক কার্যক্রম। এ অবস্থায় প্রাথমিকভাবে থানার কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে দেবিদ্বার থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলামের হাতে একটি ল্যাপটপ ও প্রিন্টার তুলে দেন কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. সাইফুল ইসলাম শহিদসহ দেবিদ্বার উপজেলা জামায়াতের নেতারা।
সাইফুল ইসলাম শহীদ বলেন, দেবিদ্বার থানার কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে দেবিদ্বার
উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে ওসি রফিকুল ইসলামের হাতে একটি ল্যাপটপ ও প্রিন্টার তুলে দেওয়া হয়। ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, গত ৫ আগস্ট হামলার পর থানার স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। থানার কার্যক্রম চালাতে সবার আগে প্রয়োজন ছিল কম্পিউটার ও প্রিন্টার। উপজেলা জামায়াতের নেতারা একটি ল্যাপটপ ও উন্নতমানের একটি প্রিন্টার থানায় নিয়ে আসেন। এ মুহূর্তে সরঞ্জামগুলো অতীব প্রয়োজনীয় ছিল। এগুলো পাওয়ায় প্রাথমিক কাজগুলো সম্পাদন সহজ হবে।
উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে ওসি রফিকুল ইসলামের হাতে একটি ল্যাপটপ ও প্রিন্টার তুলে দেওয়া হয়। ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, গত ৫ আগস্ট হামলার পর থানার স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। থানার কার্যক্রম চালাতে সবার আগে প্রয়োজন ছিল কম্পিউটার ও প্রিন্টার। উপজেলা জামায়াতের নেতারা একটি ল্যাপটপ ও উন্নতমানের একটি প্রিন্টার থানায় নিয়ে আসেন। এ মুহূর্তে সরঞ্জামগুলো অতীব প্রয়োজনীয় ছিল। এগুলো পাওয়ায় প্রাথমিক কাজগুলো সম্পাদন সহজ হবে।



