ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশজুড়ে বেড়েছে কঙ্কাল চুরি: জুলাইয়ে নিহতের সংখ্যা মেলানোর চেষ্টা? প্রশ্ন সাধারণ জনতার
মাথাপিছু ৩২ টাকা আর ২৭০ গ্রাম চাল, রাঙামাটির দেড়লাখ বানভাসির সাথে এ কেমন সরকারি তামাশা?
কবর থেকে উঠে এসে ককটেল ছুড়েছেন আওয়ামী লীগের চার নেতা! বৈছা নেতার অভিনব মামলায় আসামি ২৪৮
রোহিঙ্গাদের হাতে হাতে বাংলাদেশি জন্ম নিবন্ধন ও পাসপোর্ট, পাড়ি জমাচ্ছেন বিদেশে
হাসিনার সময় মানুষ কম দামে ইলিশ খেয়েছে: এখন ভারতেও যায় না, তাও কেন ১ কেজির দাম ২৭০০ টাকা?
ইতিহাসের সর্বোচ্চ বাকস্বাধীনতা বিরাজ করছে দেশে, দাবি প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিনের
প্রতিমন্ত্রী যখন সরকারি ঠিকাদার: আইন, নৈতিকতা ও সাংবিধানিক সংকটে মীর শাহে আলম
দেবিদ্বার থানায় ল্যাপটপ ও প্রিন্টার উপহার দিল জামায়াত
কুমিল্লার দেবিদ্বার থানার কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে ল্যাপটপ ও প্রিন্টার উপহার দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার সন্ধ্যায় থানার ওসির হাতে এ উপহার তুলে দেন জামায়াত নেতৃবৃন্দ।
জানা যায়, গত ৫ আগষ্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার সরকার পতনের দিন কিছু দুষ্কৃতকারী দেবিদ্বার থানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর চালায় এবং অগ্নিসংযোগ করে। ফলে স্থবির হয়ে পড়ে থানার স্বাভাবিক কার্যক্রম। এ অবস্থায় প্রাথমিকভাবে থানার কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে দেবিদ্বার থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলামের হাতে একটি ল্যাপটপ ও প্রিন্টার তুলে দেন কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. সাইফুল ইসলাম শহিদসহ দেবিদ্বার উপজেলা জামায়াতের নেতারা।
সাইফুল ইসলাম শহীদ বলেন, দেবিদ্বার থানার কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে দেবিদ্বার
উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে ওসি রফিকুল ইসলামের হাতে একটি ল্যাপটপ ও প্রিন্টার তুলে দেওয়া হয়। ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, গত ৫ আগস্ট হামলার পর থানার স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। থানার কার্যক্রম চালাতে সবার আগে প্রয়োজন ছিল কম্পিউটার ও প্রিন্টার। উপজেলা জামায়াতের নেতারা একটি ল্যাপটপ ও উন্নতমানের একটি প্রিন্টার থানায় নিয়ে আসেন। এ মুহূর্তে সরঞ্জামগুলো অতীব প্রয়োজনীয় ছিল। এগুলো পাওয়ায় প্রাথমিক কাজগুলো সম্পাদন সহজ হবে।
উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে ওসি রফিকুল ইসলামের হাতে একটি ল্যাপটপ ও প্রিন্টার তুলে দেওয়া হয়। ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, গত ৫ আগস্ট হামলার পর থানার স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। থানার কার্যক্রম চালাতে সবার আগে প্রয়োজন ছিল কম্পিউটার ও প্রিন্টার। উপজেলা জামায়াতের নেতারা একটি ল্যাপটপ ও উন্নতমানের একটি প্রিন্টার থানায় নিয়ে আসেন। এ মুহূর্তে সরঞ্জামগুলো অতীব প্রয়োজনীয় ছিল। এগুলো পাওয়ায় প্রাথমিক কাজগুলো সম্পাদন সহজ হবে।



