ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে- স্লোগানে লক্ষ্মীপুরে ছাত্রলীগের মিছিল
‘পুলিশ খুব দুর্বল, শেখ হাসিনার এখনই আসা উচিৎ, চলে আসলি পুলিশ কিচ্ছু করতে পারবে না’, ফোনালাপের জেরে ওসি প্রত্যাহার
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা বাণিজ্যযুদ্ধ চরমে: কেন মধ্যমশক্তির দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্র-নির্ভরতা এড়াতে চাইছে
পাঁচ দেশে অর্থপাচারসহ অবৈধ সম্পদ অর্জন: সস্ত্রীক আসিফের তথ্য চেয়ে বিএফআইইউকে দুদকের চিঠি
৭ আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে বিশ্বজুড়ে কৃষিবিদদের প্রতিবাদ, রায় বাতিল ও বিচারপ্রক্রিয়া বন্ধের দাবি
বিএনপি সরকারের উন্নয়ন: ১৪ কোটি টাকার সড়কে ঢালাইয়ের পরই ফাটল, মাটির দোষ দিলেন ঠিকাদার
সাত আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে অস্ট্রেলিয়ার বঙ্গবন্ধু পরিষদের নিন্দা
দেবিদ্বার থানায় ল্যাপটপ ও প্রিন্টার উপহার দিল জামায়াত
কুমিল্লার দেবিদ্বার থানার কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে ল্যাপটপ ও প্রিন্টার উপহার দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার সন্ধ্যায় থানার ওসির হাতে এ উপহার তুলে দেন জামায়াত নেতৃবৃন্দ।
জানা যায়, গত ৫ আগষ্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার সরকার পতনের দিন কিছু দুষ্কৃতকারী দেবিদ্বার থানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর চালায় এবং অগ্নিসংযোগ করে। ফলে স্থবির হয়ে পড়ে থানার স্বাভাবিক কার্যক্রম। এ অবস্থায় প্রাথমিকভাবে থানার কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে দেবিদ্বার থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলামের হাতে একটি ল্যাপটপ ও প্রিন্টার তুলে দেন কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. সাইফুল ইসলাম শহিদসহ দেবিদ্বার উপজেলা জামায়াতের নেতারা।
সাইফুল ইসলাম শহীদ বলেন, দেবিদ্বার থানার কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে দেবিদ্বার
উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে ওসি রফিকুল ইসলামের হাতে একটি ল্যাপটপ ও প্রিন্টার তুলে দেওয়া হয়। ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, গত ৫ আগস্ট হামলার পর থানার স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। থানার কার্যক্রম চালাতে সবার আগে প্রয়োজন ছিল কম্পিউটার ও প্রিন্টার। উপজেলা জামায়াতের নেতারা একটি ল্যাপটপ ও উন্নতমানের একটি প্রিন্টার থানায় নিয়ে আসেন। এ মুহূর্তে সরঞ্জামগুলো অতীব প্রয়োজনীয় ছিল। এগুলো পাওয়ায় প্রাথমিক কাজগুলো সম্পাদন সহজ হবে।
উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে ওসি রফিকুল ইসলামের হাতে একটি ল্যাপটপ ও প্রিন্টার তুলে দেওয়া হয়। ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, গত ৫ আগস্ট হামলার পর থানার স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। থানার কার্যক্রম চালাতে সবার আগে প্রয়োজন ছিল কম্পিউটার ও প্রিন্টার। উপজেলা জামায়াতের নেতারা একটি ল্যাপটপ ও উন্নতমানের একটি প্রিন্টার থানায় নিয়ে আসেন। এ মুহূর্তে সরঞ্জামগুলো অতীব প্রয়োজনীয় ছিল। এগুলো পাওয়ায় প্রাথমিক কাজগুলো সম্পাদন সহজ হবে।



