ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ থেকে এখন বিশ্বের তীব্র খাদ্য সংকটের শীর্ষ ১০ দেশের একটি বাংলাদেশ
টিটিপির নিশানায় বাংলাদেশ: সারাদেশে ‘রেড অ্যালার্ট
সংসদসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর সম্ভাব্য সমন্বিত হামলার সতর্কতা জারি করেছে পুলিশ
বহুমুখী সংকটে শিল্পখাত, টিকে থাকার লড়াইয়ে ধুঁকছে সিমেন্টসহ উৎপাদন খাত
ইউএন টর্চার এক্সপার্ট এখনো জুলাই’২০২৪-এ আটকেঃ অ্যালিস এডওয়ার্ডস অ্যাকটিভিস্টদের মতামত প্রকাশে বাধা দিলেন
চকরিয়ায় রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় বন ও নদীখেকোদের মহোৎসব: অসহায় বনবিভাগ
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে উত্তেজনা: টিটিপির সঙ্গে যোগসূত্রের অভিযোগে একাধিক কর্মী আটক, অনেকে পালিয়েছে বিদেশে
দেবিদ্বার থানায় ল্যাপটপ ও প্রিন্টার উপহার দিল জামায়াত
কুমিল্লার দেবিদ্বার থানার কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে ল্যাপটপ ও প্রিন্টার উপহার দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার সন্ধ্যায় থানার ওসির হাতে এ উপহার তুলে দেন জামায়াত নেতৃবৃন্দ।
জানা যায়, গত ৫ আগষ্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার সরকার পতনের দিন কিছু দুষ্কৃতকারী দেবিদ্বার থানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর চালায় এবং অগ্নিসংযোগ করে। ফলে স্থবির হয়ে পড়ে থানার স্বাভাবিক কার্যক্রম। এ অবস্থায় প্রাথমিকভাবে থানার কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে দেবিদ্বার থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলামের হাতে একটি ল্যাপটপ ও প্রিন্টার তুলে দেন কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. সাইফুল ইসলাম শহিদসহ দেবিদ্বার উপজেলা জামায়াতের নেতারা।
সাইফুল ইসলাম শহীদ বলেন, দেবিদ্বার থানার কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে দেবিদ্বার
উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে ওসি রফিকুল ইসলামের হাতে একটি ল্যাপটপ ও প্রিন্টার তুলে দেওয়া হয়। ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, গত ৫ আগস্ট হামলার পর থানার স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। থানার কার্যক্রম চালাতে সবার আগে প্রয়োজন ছিল কম্পিউটার ও প্রিন্টার। উপজেলা জামায়াতের নেতারা একটি ল্যাপটপ ও উন্নতমানের একটি প্রিন্টার থানায় নিয়ে আসেন। এ মুহূর্তে সরঞ্জামগুলো অতীব প্রয়োজনীয় ছিল। এগুলো পাওয়ায় প্রাথমিক কাজগুলো সম্পাদন সহজ হবে।
উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে ওসি রফিকুল ইসলামের হাতে একটি ল্যাপটপ ও প্রিন্টার তুলে দেওয়া হয়। ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, গত ৫ আগস্ট হামলার পর থানার স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। থানার কার্যক্রম চালাতে সবার আগে প্রয়োজন ছিল কম্পিউটার ও প্রিন্টার। উপজেলা জামায়াতের নেতারা একটি ল্যাপটপ ও উন্নতমানের একটি প্রিন্টার থানায় নিয়ে আসেন। এ মুহূর্তে সরঞ্জামগুলো অতীব প্রয়োজনীয় ছিল। এগুলো পাওয়ায় প্রাথমিক কাজগুলো সম্পাদন সহজ হবে।



