ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৫ আগস্টের সহিংস অভ্যুত্থানে ‘ক্যাপ্টাগন’ ব্যবহারের অভিযোগ: তদন্তের দাবি জোরালো
টানা ১৮ মাস ধরে তালাবদ্ধ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অবিচল ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়
ফরিদপুরে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন
আওয়ামী লীগঃ মাথা নোয়াবার নয়
আওয়ামী লীগঃ মাথা নোয়াবার নয়
গোপালপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন কর্মসূচী
ছেলে ছাত্রলীগ করায় যারা বৃদ্ধ মানুষের রক্ত ঝরায়, তারা ক্ষমতার নয়, ঘৃণার উত্তরাধিকার
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ১০ মৃত্যু
ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৯০ জন। এ নিয়ে চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭১ জন এবং শনাক্ত রোগী বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৮ হাজার ৭১৫ জনে।
মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়েছে, হাসপাতালে নতুন ভর্তিদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৮১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০৩ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৩৪, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১৮৩, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১৪৩, খুলনা বিভাগে ১৪৬ জন রয়েছেন। এছাড়া রাজশাহী বিভাগে ৫৯ জন,
ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৮ জন, রংপুর বিভাগে ২ জন এবং সিলেট বিভাগে একজন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এদিকে গত একদিনে সারা দেশে ৯৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৭২২ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সবমিলিয়ে ৮৮ হাজার ৭১৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৬৩ দশমিক ২ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৬ দশমিক ৮ শতাংশ নারী রয়েছেন। এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া ৪৭১ জনের মধ্যে নারী ৫১ দশমিক ৪ শতাংশ এবং পুরুষ ৪৮ দশমিক ৬ শতাংশ।
ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৮ জন, রংপুর বিভাগে ২ জন এবং সিলেট বিভাগে একজন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এদিকে গত একদিনে সারা দেশে ৯৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৭২২ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সবমিলিয়ে ৮৮ হাজার ৭১৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৬৩ দশমিক ২ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৬ দশমিক ৮ শতাংশ নারী রয়েছেন। এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া ৪৭১ জনের মধ্যে নারী ৫১ দশমিক ৪ শতাংশ এবং পুরুষ ৪৮ দশমিক ৬ শতাংশ।



