ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পাঁচ ঘণ্টা লাইন, চার লিটার তেল, আর একটি তথাকথিত “নির্বাচিত” সরকার!
অপশাসন, ভয় আর মামলার বোঝা—এভাবেই কি ঝরে যাবে একের পর এক প্রাণ? ইউনুস–তারেকের রাজনীতিতে কি মানুষের জীবন এতটাই তুচ্ছ হয়ে গেছে?
একটি স্বেচ্ছাচারী একপাক্ষিক সংসদ কর্তৃক গণবিরোধী আইন পাশ ও দেশের নৈরাজ্যময় পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বানঃ
প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের প্রথম বেতার ভাষণ। ১১ এপ্রিল, ১৯৭১
‘ড. ইউনূস ৬টি জেনারেশন ধ্বংস করে দিয়েছেন, আওয়ামী লীগের সমর্থক বাড়ছে’
হাসিনা সরকারকে সরাতে ৩২ কোটি ডলার খরচ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন সংবাদমাধ্যম
প্রথম আলোর আড়ালে হিযবুত তাহরির ও মেজর জিয়ার ঘনিষ্ঠ সহযোগী আরিফ রহমান: নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য
জেলে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন সাবেক মন্ত্রী মান্নান, পাঠানো হলো হাসপাতালে
সুনামগঞ্জ কারাগারে থাকা সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। তাঁকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এর পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার বিকেলে সুনামগঞ্জ কারাগার থেকে এম এ মান্নানকে সিলেটের বাদাঘাট কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়েছে। কারাগারের চিকিৎসকরা তাঁকে দেখছেন।
আজ রোববার সকালে তাঁকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুনামগঞ্জ কারাগারের জেলার হুমায়ুন কবির ও এম এ মান্নানের সাবেক পিএস জুয়েল আহমদ।
এর আগে গতকাল এম এ মান্নানকে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে আবাসিক চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম ও মেডিসিন বিভাগের পরামর্শক মাহমুদুর রহমান রকি সাবেক এ মন্ত্রীকে সিলেটে হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন।
রফিকুল ইসলাম
জানান, এম এ মান্নানকে দেখে মনে হয়েছে, তিনি দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসকষ্টের রোগ ছাড়াও মানসিকভাবে বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তিনি বলছিলেন, ‘দেশে আর এলাকার মানুষের জন্য এত কিছু করলাম, আজকে আমার এই অবস্থা। আমি যদি চোর হতাম, তাইলে তো পালাতাম।’ এ অবস্থায় তাঁকে মানসিক চিকিৎসক দেখানো খুবই জরুরি। হাসপাতালে যেহেতু মানসিক চিকিৎসক নেই, এ জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে তাঁকে। সুনামগঞ্জ কারাগারের জেলার হুমায়ুন কবির জানান, এম এ মান্নানের আইনজীবীরা গত বৃহস্পতিবার তাঁর অসুস্থতার কথা জানিয়ে উন্নত চিকিৎসার আবেদন করেছিলেন। আদালতের নির্দেশেই কারাগারের চিকিৎসকের পরামর্শে শনিবার তাঁকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে দেখানো হয়। সদর হাসপাতালের চিকিৎসকদের পরামর্শে সিলেটে
নেওয়া হয়েছে। সিলেটের বাদাঘাট কেন্দ্রীয় করাগারের চিকিৎসকরা তাঁকে দেখছেন। প্রয়োজনে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হবে তাঁকে। এ ম এ মান্নানকে গত ১৯ সেপ্টেম্বর শান্তিগঞ্জ উপজেলার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত ৪ সেপ্টেম্বর দ্রুত বিচার আইনে হওয়া একটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জানান, এম এ মান্নানকে দেখে মনে হয়েছে, তিনি দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসকষ্টের রোগ ছাড়াও মানসিকভাবে বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তিনি বলছিলেন, ‘দেশে আর এলাকার মানুষের জন্য এত কিছু করলাম, আজকে আমার এই অবস্থা। আমি যদি চোর হতাম, তাইলে তো পালাতাম।’ এ অবস্থায় তাঁকে মানসিক চিকিৎসক দেখানো খুবই জরুরি। হাসপাতালে যেহেতু মানসিক চিকিৎসক নেই, এ জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে তাঁকে। সুনামগঞ্জ কারাগারের জেলার হুমায়ুন কবির জানান, এম এ মান্নানের আইনজীবীরা গত বৃহস্পতিবার তাঁর অসুস্থতার কথা জানিয়ে উন্নত চিকিৎসার আবেদন করেছিলেন। আদালতের নির্দেশেই কারাগারের চিকিৎসকের পরামর্শে শনিবার তাঁকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে দেখানো হয়। সদর হাসপাতালের চিকিৎসকদের পরামর্শে সিলেটে
নেওয়া হয়েছে। সিলেটের বাদাঘাট কেন্দ্রীয় করাগারের চিকিৎসকরা তাঁকে দেখছেন। প্রয়োজনে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হবে তাঁকে। এ ম এ মান্নানকে গত ১৯ সেপ্টেম্বর শান্তিগঞ্জ উপজেলার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত ৪ সেপ্টেম্বর দ্রুত বিচার আইনে হওয়া একটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।



