ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঢাবির ফজলুল হক হলে ছাত্রদল-শিবিরের হাতাহাতি
একাদশের ভর্তি নীতিমালা চূড়ান্ত করতে কমিটি
ববিতে নারী শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্ত: ২ বিভাগের শিক্ষার্থীদের হাতাহাতি
বাঘায় ৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাশ করেনি
একাদশে ভর্তির আবেদন শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর, ক্লাস ১২ নভেম্বর
তিন ধাক্কায় নাজুক এসএসসির ফল
আন্দোলন-বিপ্লবে পড়াশোনায় ভাটা: ১৫ বছরের সর্বনিম্নে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পাশের হার
‘জাবিতে লাশ নিয়ে যারা রাজনীতি করছে তারা স্বৈরাচারের দোসর’
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমেদ ওরফে শামীম মোল্লার মৃত্যুর ঘটনাকে ‘বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড’ আখ্যা দিয়ে বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা।
বুধবার দিবাগত রাত দুইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকা থেকে মিছিল বের হয়। পরে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী প্রাপ্তি তাপসী বলেন, ‘স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমরা বিচারবহির্ভূত যেকোনো হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে। কেউ যদি অপরাধ করে তাহলে তাকে রাষ্ট্রীয় আইনে শাস্তি দেওয়া হোক। কিন্তু কাউকে বিচারবহির্ভূতভাবে পিটিয়ে মেরে ফেলাকে আমরা সমর্থন করি না।’
এছাড়াও বুধবার একই দাবিতে তিনটি পৃথক ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। এদিন বেলা ১১টায়
বিশ্ববিদ্যালয়ের মহুয়া মঞ্চ থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এরপর সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা। সমাবেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক জাহিদুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী শাসনামলে রাজনীতি করার অন্যতম প্রক্রিয়া ছিল লাশের রাজনীতি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েও একটি লাশ পড়েছে যা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন রাজনীতি। যারা রাজনীতি শুরু করেছে তারা মূলত স্বৈরাচারের দোসর অথবা তাদের প্রক্রিয়া স্বৈরাচারেরই মতো।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মহুয়া মঞ্চ থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এরপর সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা। সমাবেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক জাহিদুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী শাসনামলে রাজনীতি করার অন্যতম প্রক্রিয়া ছিল লাশের রাজনীতি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েও একটি লাশ পড়েছে যা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন রাজনীতি। যারা রাজনীতি শুরু করেছে তারা মূলত স্বৈরাচারের দোসর অথবা তাদের প্রক্রিয়া স্বৈরাচারেরই মতো।



