ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাইকোর্ট থেকে ৬ বার জামিন হলেও বারবার গ্রেফতার হয়েছেন জেল গেটে – আজ মৃত্যু। এটা হত্যাকান্ড!
নওগাঁয় আজব কাণ্ড: মোট ভোটারের চেয়ে ৮৩৬ ভোট বেশি!
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বোমা তৈরির সময় তীব্র বিস্ফোরণে ছিন্নভিন্ন ২, আহত ৩: জঙ্গি বা জামায়াত-শিবির ধারণা
রাজশাহী–৪ আসনে ৩ লাখ ভোটারে ৭ লাখের বেশি ভোট!
আমি ঘরের মেয়ে ঘরেই আছি আমার ঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়া- রুমিন ফারহানা
ইউনুসের সুষ্ঠু নির্বাচনের নমুনা নোয়াখালিতে পোলিং অফিসার নিজেই ব্যালটে সিল মারছেন
সবচেয়ে বাজে কারচুপির নির্বাচন হয়েছে – জনগনের ক্ষোভ
কোটা আন্দোলন: গুলিবিদ্ধ আরও একজনের মৃত্যু
কোটা সংস্কার আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল-সিএমএইচে চিকিৎসাধীন আরো একজন প্রাণ হারিয়েছেন। বিএনপির সমর্থক নিহত মো. বাবলু মৃধা (৪৭) পেশায় রাজমিস্ত্রী ছিলেন। সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক এসআই মো. কামরুজ্জামান।
মৃতের ছেলে আবু তালিব বলেন, গত ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আমি গিয়েছিলাম। আমার বাবা ওই দিন রাত সাড়ে আটটার দিকে আমাকে খুঁজতে গিয়ে যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়া লাকি কমিউনিটি সেন্টারের সামনে পুলিশের গুলিতে বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়। পরে রাতে তাকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আবু তালিব বলেন, ১৮ আগস্ট ঢামেক থেকে তাকে পিলখানার হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে
সেখান থেকে ২২ আগস্ট সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মঙ্গলবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছেন। জানা গেছে, মৃত বাবলু মৃধা পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলার খারিজা বেতাগী গ্রামের মফেজ আলী মৃধার ছেলে। বর্তমানে যাত্রাবাড়ী দনিয়া সালাম বাবুর বাড়িতে ভাড়া বাসায় থাকতেন। দুই ছেলের জনক ছিলেন তিনি। মৃতের ছেলে আবু তালিব দনিয়া স্কুল এন্ড কলেজের ইন্টার প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। ছোট ছেলে মাহিন দেড় বছর বয়সী।
সেখান থেকে ২২ আগস্ট সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মঙ্গলবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছেন। জানা গেছে, মৃত বাবলু মৃধা পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলার খারিজা বেতাগী গ্রামের মফেজ আলী মৃধার ছেলে। বর্তমানে যাত্রাবাড়ী দনিয়া সালাম বাবুর বাড়িতে ভাড়া বাসায় থাকতেন। দুই ছেলের জনক ছিলেন তিনি। মৃতের ছেলে আবু তালিব দনিয়া স্কুল এন্ড কলেজের ইন্টার প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। ছোট ছেলে মাহিন দেড় বছর বয়সী।



