ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
খোদ চাঁদপুরেই মধ্যবিত্তের নাগালের অনেক বাইরে সাধের ইলিশ, ডিমের কেজিও ৬ হাজার
ছাত্রলীগ-কে মবযোগ্য/হত্যাযোগ্য করে তোলা জুলাইয়ের ‘কালচারাল বয়ান’ এবং অতঃপর……
তিনগুণ মূল্যে গ্যাস বিক্রির প্রস্তাব পেট্রোনাসের
২৬ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট
১৫ বছরে পাকিস্তানে এইচআইভি সংক্রমণ বেড়েছে ৫০০ শতাংশ, ২০২৪ সালেই মৃত্যু ১৪ হাজার
মাইলস্টোনে বিমান দুর্ঘটনার এক বছর: চোখের জলে সেই ভয়াল দুপুরের স্মৃতিচারণ শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের
অরক্ষিত আকাশ, নীরব কর্তৃপক্ষ
এনসিটিবিতে দুর্নীতির পাহাড়: এক বছরে ২৭১১ কোটি টাকার মহালুটপাট
বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণের মতো সংবেদনশীল ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াকেও দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করার চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। শিক্ষা অডিট অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক এক তদন্ত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে বই ছাপানোর দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠান জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) আড়ালে ঘটেছে বিপুল পরিমাণ আর্থিক অনিয়ম। ২০২৫ সালে শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছানো এই পাঠ্যবই সংক্রান্ত ২৫টি ভিন্ন খাতে মোট ২ হাজার ৭১১ কোটি ২০ লাখ ১২ হাজার ৯১৭ টাকার নজিরবিহীন দুর্নীতি ও আর্থিক ক্ষতি চিহ্নিত করেছে অডিট বিভাগ।
সবচেয়ে বড় ফাঁকি: মানহীন বই ও অতিরিক্ত দরপত্র
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুর্নীতির মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও সরবরাহ খাত। বইয়ের গুণগত
মান নিশ্চিত না করেই নিয়মবহির্ভূতভাবে ব্যয়ের নামে ১,৭৮৫ কোটি ৮ লাখ ৮৮,৭৭১ টাকা ছাড় করা হয়েছে। এছাড়া, প্রাক্কলিত ব্যয়ের তোয়াক্কা না করে অতিরিক্ত দরে কার্যাদেশ দেওয়ায় সরকারের ক্ষতি হয়েছে ২১৬ কোটি ৪৯ লাখ ২৯,৭৫৪ টাকা। এমনকি মাত্র একজন দরদাতা অংশ নেওয়া সত্ত্বেও আইন অনুযায়ী দরপত্র বাতিল না করে কাজ পাইয়ে দেওয়ায় খেসারত দিতে হয়েছে ৬১ কোটি ৮ লাখ ৮২,৪১৫ টাকা। আর ১ম সর্বনিম্ন দরদাতাকে কাজ না দিয়ে অতিরিক্ত দামে অন্যকে দেওয়ায় ক্ষতি হয়েছে ৪ কোটি ৪৯ লাখ ৪৩,৩৪৩ টাকা। চাহিদার চেয়ে কোটি কোটি বই বেশি ছাপিয়ে লুপহোল ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের মাধ্যমিক, ভোকেশনাল ও ব্রেইলসহ বিভিন্ন স্তরের ৭৪১টি লটের ক্রয়াদেশ পর্যালোচনা করে দেখা
যায়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রকৃত চাহিদা ছিল ২১ কোটি ৯৭ লাখ ৪০,৬১১টি বই। কিন্তু এনসিটিবি চাহিদার তোয়াক্কা না করে কোটি কোটি অতিরিক্ত বই মুদ্রণের আদেশ দেয়। এর ফলে অতিরিক্ত বই ছাপানো ও সরবরাহের নামে সরকারের সুনির্দিষ্ট আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ৫১৬ কোটি ৩৪ লাখ ৪১,২১১ টাকা। শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাঠ্যবইয়ের মতো সংবেদনশীল খাত যেখানে শিশুদের ভবিষ্যতের সাথে জড়িত, সেখানে এই মাত্রার দুর্নীতি পুরো শিক্ষা খাতকে ধসিয়ে দেওয়ার শামিল। অডিট রিপোর্টে উন্মোচিত এই ২,৭১১ কোটি টাকার দুর্নীতির নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের দ্রুত কঠোর শাস্তির মুখোমুখি করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।
মান নিশ্চিত না করেই নিয়মবহির্ভূতভাবে ব্যয়ের নামে ১,৭৮৫ কোটি ৮ লাখ ৮৮,৭৭১ টাকা ছাড় করা হয়েছে। এছাড়া, প্রাক্কলিত ব্যয়ের তোয়াক্কা না করে অতিরিক্ত দরে কার্যাদেশ দেওয়ায় সরকারের ক্ষতি হয়েছে ২১৬ কোটি ৪৯ লাখ ২৯,৭৫৪ টাকা। এমনকি মাত্র একজন দরদাতা অংশ নেওয়া সত্ত্বেও আইন অনুযায়ী দরপত্র বাতিল না করে কাজ পাইয়ে দেওয়ায় খেসারত দিতে হয়েছে ৬১ কোটি ৮ লাখ ৮২,৪১৫ টাকা। আর ১ম সর্বনিম্ন দরদাতাকে কাজ না দিয়ে অতিরিক্ত দামে অন্যকে দেওয়ায় ক্ষতি হয়েছে ৪ কোটি ৪৯ লাখ ৪৩,৩৪৩ টাকা। চাহিদার চেয়ে কোটি কোটি বই বেশি ছাপিয়ে লুপহোল ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের মাধ্যমিক, ভোকেশনাল ও ব্রেইলসহ বিভিন্ন স্তরের ৭৪১টি লটের ক্রয়াদেশ পর্যালোচনা করে দেখা
যায়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রকৃত চাহিদা ছিল ২১ কোটি ৯৭ লাখ ৪০,৬১১টি বই। কিন্তু এনসিটিবি চাহিদার তোয়াক্কা না করে কোটি কোটি অতিরিক্ত বই মুদ্রণের আদেশ দেয়। এর ফলে অতিরিক্ত বই ছাপানো ও সরবরাহের নামে সরকারের সুনির্দিষ্ট আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ৫১৬ কোটি ৩৪ লাখ ৪১,২১১ টাকা। শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাঠ্যবইয়ের মতো সংবেদনশীল খাত যেখানে শিশুদের ভবিষ্যতের সাথে জড়িত, সেখানে এই মাত্রার দুর্নীতি পুরো শিক্ষা খাতকে ধসিয়ে দেওয়ার শামিল। অডিট রিপোর্টে উন্মোচিত এই ২,৭১১ কোটি টাকার দুর্নীতির নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের দ্রুত কঠোর শাস্তির মুখোমুখি করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।



