ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আমিরাতের পেট্রোলিয়াম স্থাপনায় ইরানের ড্রোন হামলা
১০০টিরও বেশি আসন লুট করে নিয়েছে বিজেপি: মমতা
শুভেন্দুর কাছে হেরে গেলেন মমতা
কেরালায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কাকে বেছে নেবে কংগ্রেস?
নিজ আসনে পিছিয়ে গেলেন মমতা
চীনের শিল্পভূমিতে নীরব সংকটের বিস্তার
সাগরে বিপদে পড়া ভারতীয় নাবিকদের উদ্ধার করল পাকিস্তান নৌবাহিনী
ইসরাইলের ‘মেতুলা সামরিক কেন্দ্র’ ধ্বংস করল হিজবুল্লাহ
লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ এবার ইসরাইলের মেতুলায় একটি সামরিক কেন্দ্র ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ধ্বংস করেছে। শুক্রবার সকালে মেতুলায় তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে ইসরাইলি ওই সামরিক কেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালায় হিজবুল্লাহ।
এ হামলার পর দখলকৃত ওই ফিলিস্তিনি অঞ্চলজুড়ে সতর্ক সাইরেন বাজানো হয় বলে জানা গেছে। এছাড়াও ইসরাইলি মিডিয়ার জানিয়েছে, শেবা ফার্মসেও একটি অ্যান্টি-ট্যাংক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে হিজবুল্লাহ নিয়মিতভাবে ইসরাইলের সামরিক অবস্থানের ওপর হামলা চালিয়ে আসছে। যা মূলত অবরুদ্ধ গাজা ও দক্ষিণ লেবাননের ওপর ইসরাইলি আগ্রাসনের প্রতিশোধ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।
ইসরাইল গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় নির্মম যুদ্ধ শুরু করে। এতে এ পর্যন্ত প্রায় ৪২ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত এবং
৯৬ হাজার জন আহত হয়েছে। যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। সেই সঙ্গে ইসরাইল গাজার ওপর একটি সম্পূর্ণ অবরোধ আরোপ করে, যার ফলে দুই মিলিয়নেরও বেশি ফিলিস্তিনি জ্বালানি, বিদ্যুৎ, খাদ্য, ও পানির সংকটে পড়েছে। এদিকে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, লেবাননে গত মঙ্গলবার ও বুধবার পেজার ও ওয়াকিটকি বিস্ফোরণের ফলে ৩৭ জন নিহত এবং ৩ হাজার ২৫০ জন আহত হয়েছেন। বিশ্লেষকরা মনে করেন, ইসরাইলের এ পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো- হিজবুল্লাহকে সীমান্ত থেকে সরে যেতে বাধ্য করা এবং গাজার যুদ্ধ শেষ হওয়ার আগেই সীমান্তে হামলা বন্ধ করার দাবিও বাতিল করা। সূত্র: ইরনা
৯৬ হাজার জন আহত হয়েছে। যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। সেই সঙ্গে ইসরাইল গাজার ওপর একটি সম্পূর্ণ অবরোধ আরোপ করে, যার ফলে দুই মিলিয়নেরও বেশি ফিলিস্তিনি জ্বালানি, বিদ্যুৎ, খাদ্য, ও পানির সংকটে পড়েছে। এদিকে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, লেবাননে গত মঙ্গলবার ও বুধবার পেজার ও ওয়াকিটকি বিস্ফোরণের ফলে ৩৭ জন নিহত এবং ৩ হাজার ২৫০ জন আহত হয়েছেন। বিশ্লেষকরা মনে করেন, ইসরাইলের এ পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো- হিজবুল্লাহকে সীমান্ত থেকে সরে যেতে বাধ্য করা এবং গাজার যুদ্ধ শেষ হওয়ার আগেই সীমান্তে হামলা বন্ধ করার দাবিও বাতিল করা। সূত্র: ইরনা



