ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইউনুস সরকারের অধীনে সংখ্যালঘু হওয়া মানেই মৃত্যুর অপেক্ষা।
গুম কমিশনে সাক্ষ্যদাতা জঙ্গিরাই আবার বোমা বানাচ্ছে, যাদের সাক্ষ্যে জঙ্গিবিরোধী পুলিশ কর্মকর্তারা গ্রেপ্তার
বাঙালী নারীদের উপর পাক হানাদারদের বর্বরতার ইতিহাস ও পরবর্তীতে হানাদারদের ক্যাম্প উড়িয়ে দেবার বিরত্ব গাঁথা শোনালেন একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা শিশু মিয়া
যে দুইদিনই বাঁচি দেশটাত যেনো শান্তিতে থাকতে পারি” – বীর মুক্তিযোদ্ধা ফিরোজা বেগম —
রাজনীতির বাঁকবদল: শেখ হাসিনার মানবিকতা বনাম ঐতিহাসিক তিক্ততা—একটি বিশ্লেষণধর্মী পর্যালোচনা
ইউনুস সরকারের অধীনে সংখ্যালঘু হওয়া মানেই মৃত্যুর অপেক্ষা।
ইন্ডিয়া যদি আমাদের সাহায্য না করতো, বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা পারতো না দেশটা স্বাধীন করতে” –বীর মুক্তিযোদ্ধা
‘আমরা যা পাই সবাই মিলেমিশে খাই’, পল্লীবিদ্যুতের কর্মকর্তাকে মিস্ত্রি
ঘুস নেওয়ার অভিযোগ ওঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলের পল্লীবিদ্যুৎ পরিদর্শক দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে। তার ঘুস নেওয়ার একটি ভিডিও ইতোমধ্যে ভাইরালও হয়েছে। সেই ভিডিও ভাইরালের পর সেই পরিদর্শকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘুস ছাড়া কিছুই বুঝেন না দেলোয়ার হোসেন। টাকা না দিলে ফাইলে সই করেন না তিনি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পল্লীবিদ্যুতের এ কর্মকর্তা। তার দাবি, ফাঁসানো হচ্ছে তাকে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, নিজ কক্ষে বসে রয়েছেন দেলোয়ার হোসেন। সে সময় কক্ষটিতে আসেন স্থানীয় মিস্ত্রি মিজানুর রহমান। তাকে একটি ফাইল দেখিয়ে দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘এ বাণিজ্যিক ফাইলটির কি হলো?’ উত্তরে মিজানুর রহমান বলেন, ‘স্যার ১৫শ টাকা নেন। ’পরে মিজানুর পকেট
থেকে বের করে ১৫শ টাকা পল্লীবিদ্যুতের এ কর্মকর্তা দেন। টাকা নিয়ে পকেটে ভরেন তিনি। এ সময় মিজানুর বলেন, ‘আমরা যা পাই মিলেমিশে খাই।’ জবাবে দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘অত কথা বলতে হবে না।’ ভিডিও সম্পর্কে মিজানুর রহমান বলেন, ‘পরিদর্শক দেলোয়ার হোসেন বিভিন্ন সময়ে নানা অজুহাত দেখিয়ে ঘুসের জন্য গ্রাহকের ওয়ারিং রিপোর্ট বাতিল করে দেন। কিছুদিন আগে এক গ্রাহক টাকা দেওয়ার সময় ভিডিওটি করেন। দেলোয়ার হোসেন ঘুস ছাড়া কিছুই বুঝেন না।’ অভিযোগের বিষয়ে দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমাকে ফাঁসানোর জন্য এমন ভিডিও করা হয়েছে।’ এদিকে ঘুস গ্রহণের ভিডিও ভাইরালের জেরে বৃহস্পতিবার নাচোল পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম আব্দুর রহিম একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
থেকে বের করে ১৫শ টাকা পল্লীবিদ্যুতের এ কর্মকর্তা দেন। টাকা নিয়ে পকেটে ভরেন তিনি। এ সময় মিজানুর বলেন, ‘আমরা যা পাই মিলেমিশে খাই।’ জবাবে দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘অত কথা বলতে হবে না।’ ভিডিও সম্পর্কে মিজানুর রহমান বলেন, ‘পরিদর্শক দেলোয়ার হোসেন বিভিন্ন সময়ে নানা অজুহাত দেখিয়ে ঘুসের জন্য গ্রাহকের ওয়ারিং রিপোর্ট বাতিল করে দেন। কিছুদিন আগে এক গ্রাহক টাকা দেওয়ার সময় ভিডিওটি করেন। দেলোয়ার হোসেন ঘুস ছাড়া কিছুই বুঝেন না।’ অভিযোগের বিষয়ে দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমাকে ফাঁসানোর জন্য এমন ভিডিও করা হয়েছে।’ এদিকে ঘুস গ্রহণের ভিডিও ভাইরালের জেরে বৃহস্পতিবার নাচোল পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম আব্দুর রহিম একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।



